x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

শনিবার, এপ্রিল ১০, ২০২১

শনির বচন | নির্বাচনী হাওয়া

sobdermichil | এপ্রিল ১০, ২০২১ | | মিছিলে স্বাগত
শব্দের মিছিল

কথায় বলে ভগবান যা করেন মঙ্গলের জন্যেই করেন। আর এখন শোনা যাচ্ছে, মোদী সরকার যা করে ভালোর জন্যেই করে। এই যেমন রাত আটটায় হঠাৎ ঘোষণা করে চার ঘন্টার নোটিশে নোট বাতিল। কোটি কোটি মানুষের লাইনে দাঁড়িয়ে এক দেশ এক পরিণতি’র আনন্দ উপভোগ করার অভিজ্ঞতা অর্জনের পরম প্রাপ্তি। সেই লাইনে কতজন ভারতীয়ের পঞ্চত্বপ্রাপ্তি ঘটেছিল। না, সেই হিসাবে আমাদের দরকার নাই। সরকারেরও দায় নেই সেই হিসাব দাখিলের। তবে শোনা যায়, নোটবাতিলের ধাক্কায় অতিরিক্ত কাজের চাপে প্রায় একশোর উপরে ব্যাংক কর্মচারীর পঞ্চত্বপ্রাপ্তি ঘটছিল। সে তো হতেই পারে। দেশের ভালোর জন্য, দশের ভালোর জন্য শহীদ হওয়া সৌভাগ্যের কথা। তাদের উত্তরপুরুষরা সগর্বে পুর্বপুরুষের এহেন আত্মবলিদান নিয়ে আত্মশ্লাঘা অনুভব করতে পারবেন বইকি। নোটবাতিলের ভালোর তো কোন শেষ নেই। এই নিয়ে পরবর্তীতে বহু লোকগাথা তৈরী হবে নিশ্চয়। ২০১৬’র নভেম্বরের আট তারিখের সেই ঐতিহাসিক রাত আটটার ঘোষণা মতো দেশ এখন জাল নোট মুক্ত নিশ্চয়। দেশে তারপর থেকে আতঙ্কবাদী জঙ্গীহানাও আর সংঘটিত হয় নি নিশ্চয়। না, পুলওয়ামার ঘটনা নেহাতই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ব্যাতিক্রম তো আর নিয়ম হতে পারে না। আর বিশেষ করে পুলওয়ামা না ঘটলে বালাকোট করা যেত না। বালাকোট না করলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে মানুষের কাছ থেকে শহীদদের নামে ভোটও চাওয়া যেত না। ফলে পুলওয়ামার শহীদদের আত্মবলিদান বিফলে যায় নি আদৌ। এবং সেই কালো টাকা। দেশ কালোটাকা মুক্ত হয়েছে কতটা সেই হিসাব তো রিজার্ভ ব্যাংক কবেই জানিয়ে দিয়েছে। সেই হিসাব তত গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশবাসীর বিশ্বাস। মোদী সরকার যা করে ভালোর জন্যেই করে।

তারপর একে একে জিএসটি চালু। এক দেশ এক কর ব্যবস্থা। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ। এবার কাশ্মীরে জমি বাড়ি কিনে কাশ্মীরী কন্যাকে বিবাহ করতে আর কোন বাধা নেই। বাধা নেই সেখানে ব্যাবসা ফেঁদে বসে পড়তেও। এক দেশ এক নিয়ম। অবশ্য এই একই কাজ সিকিম অরুণাচলপ্রদেশ নাগাল্যাণ্ড মনিপুর মিজোরামে গিয়ে করা যাবে না। তা না যাক। ওই সব অঞ্চলগুলি তো আর মুসলিম প্রধান নয়। যে তাদের টাইট দিতে হবে। এরপর রামমন্দির নির্মাণের মতো এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। যা পাঁচশো বছরের ভিতর শ্রেষ্ঠতম কাজ। দেশ জুড়ে মন্দির নির্মাণ প্রকল্পে মানুষের কাছে দশ একশো হাজার টাকার কুপন বিলিয়ে দেশবাসীকেও মন্দির নির্মাণে সামিল করার দেশহিতৈষী উদ্যোগ। স্বাধীনতার পর যা পূর্ববর্তী কোন সরকারই কার্ষকর করার হিম্মত দেখাতে পারেনি। ফলে এখন একটার জায়গায় দশটা রামমন্দির তৈরীর টাকা তোলা হয়ে গিয়েছে। দেশের কাজে মানুষের যোগদানের এমন সুযোগ জীবনে কবারই বা আসে। 
এরপর আরও এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা বলতেই হয়। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯। যে কাজ স্বয়ং অটলবিহারীও করে দেখানোর সাহস পাননি। সেই কাজই মোদী সরকার করে দেখিয়েছে। এবার থেকে ঠিকমত কাগজপত্তর না দেখাতে পারলে নাগরিকত্ব হারানো হিন্দু মাত্রেই একটা সুবর্ণ সুযোগ পাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব অর্জনের। 
শুধুমাত্র পার্শ্ববর্তী মুসলিম দেশগুলি থেকে অত্যাচারিত হয়ে পালিয়ে আসার প্রমাণ পত্র স্বরূপ সেই সব দেশের ভ্যালিড সরকারী নথী দেখাতে পারলেই শর্ত সাপেক্ষে ছয় বছর অপেক্ষা করলেই পাকাপাকি ভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে। কত বড়ো এক সুবর্ণ সুযোগ কাগজপত্তর হারানো হিন্দুদের হাতে তুলে দিয়েছে মোদী সরকার।

না মোদী সরকারের জনহিতকর পদক্ষেপ এখানেই শেষ নয়। করোনা মোকাবিলায় সেই রাত আটটার ঘোষণায় মাত্র চার ঘন্টার নোটিশে দেশের সব ট্রেন বাস বন্ধ করে দিয়ে গোট দেশকে লকডাউন করে দেওয়া। দেশবাসীর প্রাণের দামের থেকে মোদী সরকারের কাছে অন্য কোন কিছুই বড়ো নয়। তাই তো থালা বাজানো। ঘন্টা বাজানো। প্রদীপ জ্বালানো। নয় মিনিট গোটা দেশকে অন্ধকারে মুড়ে ফেলে করোনা ভাইরাস তাড়ানোর মতো ঐতিহাসিক সব পদক্ষেপ। হ্যাঁ হঠাৎ করে লকডাউন ঘোষণা করে ট্রেন বাস সব বন্ধ করে দিয়ে কোটি কোটি পরীযায়ী শ্রমিকদের হাজার হাজার মাইল পথ হাটানোও কম হিম্মতের কাজ নয়। কোটি কোটি পরিযায়ী শ্রমিকের ভোট হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি পূর্ববর্তী কোন প্রধানমন্ত্রী নিতে পেরেছে? তাতে কত হাজার পরিযায়ী শ্রমিক পথেই মারা পড়ে থাকলো। সেই হিসাব রাখার দায় নিশ্চয় মোদী সরকারের নয়। মোদী সরকারের দায়িত্ব একশো আটত্রিশ কোটি ভারতীয়ের। তাদের বাঁচাতে কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক যদি পথেই মারা যায়, তাতে দেশেরই বা কি। আর দশেরই বা কি। আমরা তাই এইসব নিয়ে ভাবিত নই। দেশের ভালোর জন্যই মোদী সরকার নতুন শ্রম আইন নিয়ে এসেছে। দৈনিক আট ঘন্টা কাজের বদলে বারো ঘন্টা কাজের আইন চালু করতে। এই একটি আইনই প্রমাণ করে, মোদী সরকারের কাছে কাজই সব চাইতে বড় কথা। এমন ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বিশ্বে এই প্রথম। আশা করা যায়, অন্যান্য দেশগুলিও দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজের আইন চালু করবে। মোদী সরকারই দেশে প্রথম বারের জন্য নাগরিক পঞ্জী চালু করার কথা ভেবেছে। তার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকাও বরাদ্দ হয়েছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে কারুরই আর কোন চিন্তা থাকবে না নাগরিকত্ব নিয়ে।

না, এখানেও শেষ নয়। এই সরকারের সবচেয়ে বড়ো ঐতিহাসিক পদক্ষেপ দেশের যা কিছু বিষয় সম্পত্তি বাজার হাট সব কিছুরই বেসরকারীকরণ। ধাপে ধাপে সেই একমাত্রিক লক্ষে এগিয়ে চলেছে দেশ। ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের উপরে দিনে দিনে সুদের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া। একাধিক ব্যাংককে মিলিয়ে দিয়ে ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আসা। যাতে পরবর্তীতে ব্যাংক বেসরকারীকরণের কাজে সুবিধে হয়। রেল থেকে শুরু করে বিমান। রাজপথ থেকে শুরু করে এয়ারপোর্ট। বিএসএনএল থেকে শুরু করে একাধিক সরকারী লাভজনক সংস্থাকে প্রথমে অলাভজনক করে দিয়ে প্রায় জলের দরে বিক্রী করে দেওয়ার দিকে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলা। হ্যাঁ এর জন্যেই হিম্মত লাগে। মানুষের ভিতরে সেই বিশ্বাসটুকু জন্মিয়ে দিতে হয়েছে। মোদী সরকার যা করে দেশের ভালোর জন্যেই করে। মানুষ আজ সেটাই বিশ্বাস করে। অন্তত বাঙালি তো করেই। এবং যত দিন যাচ্ছে আমাদের বাঙালিদের ভিতর এই বিশ্বাস দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হয়ে উঠছে। নাহলে এই যে নতুন কৃষি আইন। যার বিরুদ্ধে পাঞ্জাব হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা সব একজোট হয়েছে। লক্ষ লক্ষ কৃষক দিল্লীর সীমানায় মাসের পর মাস রাজপথে পড়ে রয়েছে। সাড়ে তিনশোর উপরে কৃষক শহীদ হয়েছেন। সেই কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বাংলার কৃষকসহ আপামর বাঙালি গর্জে উঠছে না কেন? কারণ একমাত্র বাঙালিই বুঝতে পেরেছে নতুন এই কৃষি আইন দেশের জন্য কত ভালো। এবার থেকে কৃষির গোটা বিষয়টিই নিয়ন্ত্রীত হবে মুষ্টিমেয় শিল্পগোষ্ঠীর ইচ্ছেয়। সরকার তাতে কোনরকম বাধা দিতে পারবে না। আইন থাকবে শিল্পপতিদের পক্ষেই। এর থেকে ভালো কিছু হতে পারে কি? নতুন কৃষি আইনে রেশন ব্যবস্থা উঠে যাবে। খাদ্যশস্যের মজুতদারী আইনসিদ্ধ হয়ে যাবে। মজুতদাররা যতদিন খুশি খাদ্যশস্য মজুত করে বাজারে কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে অগ্নিমূল্যে বিক্রী করতে পারবে। তাতে সরকার বা আইন কোন বাধা দিতে পারবে না। মোদী সরকারই এই প্রথম অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যশস্যের তালিকা থেকে সব শস্যকেই বাদ দিয়ে দেওয়ার হিম্মত দেখাতে পেরেছে। পূর্ববর্তী কোন সরকারই যা সাহস করেনি। ইচ্ছে থাকলেও। এই যে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের সংশোধন। এর ফলে বাজারে খাদ্যশস্যের মজুতদারী ব্যবসা রমরমিয়ে উঠবে। সেই ব্রিটিশ যুগের মতোন। হ্যাঁ তাতে অনেকেই না খেতে পেয়ে মারাও যেতে পারে। তাতে দেশের জনসংখ্যাবৃদ্ধি জনিত সমস্যারও আশু সমাধান হবে। যার কাছে অতিরিক্ত অর্থ থাকবে। সেই খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকবে। যার যেমন সাধ্য। কিন্তু তাই বলে সরকার কেন সকলের দায় নিতে যাবে।

বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যেদিকে হাওয়া বইছে। তাতে রোজকার টিভি দেখে। রোজকার খবরের কাগজ পড়ে। মানুষ বুঝতে পারছে। মোদী সরকার যা করে ভালোর জন্যেই করে। আর সেই কারণেই মানুষ বিশেষ করে বাঙালি আজ বাংলাকে গুজরাটিদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে। বাংলায় এর আগে এমন সুবর্ণ সুযোগ আর আসেনি। গুজরাটিরা ব্যবসাটা ভালো বোঝে। স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সে কথা নিজ মুখেই বলেছেন। আর সবচেয়ে বড়ো কথা মোদী সরকার যেখানে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের ঘোষণা দিয়েই রেখেছে। সেখানে তো আর দ্বিতীয়বার ভাবার কোন দরকার নেই কিছু। সামান্য পেট্রল ডিজেল রোজকার রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে ভাবলে দেশের জন্য আমরা ভাববো কখন? বছরে দুই কোটি চাকরি হয় নি তো কি হয়েছে? সরকারই সব করে দেবে এই বা কেমন কথা। নিজের চাকরি নিজে জোগার করে নেওয়ার হিম্মত রাখা দরকার। আর এবার তো মোদী সরকার বলেই দিয়েছে। বাংলার মানুষ ডবল ইঞ্জীন সরকার নিয়ে এলে প্রতিঘরে একজনের চাকরি বাঁধা। কথায় বলে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর। তাই ২০১৪ সালের বছরে দুই কোটি চাকরির কোন এক প্রতিশ্রুতির কথা ভেবে বসে থাকলে হবে? এটা ২০২১। এখন ঘরে ঘরে চাকরির প্রতিশ্রুতি। অন্তত ভোট পর্ব না মেটা অব্দি এই বিশ্বাসটা বুকে ধারণ করাই তো প্রতিটি দেশপ্রেমিকের আশু কর্তব্য। তারপর প্রত্যেকের ব্যংক একাউন্টে পনেরো লক্ষ করে টাকা ঢুকে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতির বিষয়ে স্বয়ং স্বরাস্ট্রমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নির্বাচনী জুমলা বলে। এই প্রতিশ্রুতি সম্বন্ধেও যদি তিনি পরে একই কথা স্বীকার করে নেন, তবে বুঝতে হবে বুকের পাটা আছে। সত্যি কথা স্বীকার করতে কজনের সাহসে কুলায়? কিন্তু ডবল ইঞ্জীন সরকার গড়তে এরকম প্রতিশ্রুতির যে দরকার আছে। সেকথা কে না বিশ্বাস করবে। তাই বাঙালির অনেকেই আজ বিশ্বাস করছে। মোদী সরকার যা করে ভালোর জন্যেই করে। বাংলায় একুশের নির্বাচনে অন্তত সেরকমই একটা প্রবল হাওয়া উঠেছে। এখন দেখার সেই হাওয়া থাকতে থাকতে আমরা বাংলাকে গুজরাটীদের হাতে তুলে দিতে সফল হই কিনা। কারণ নিন্দুকের তো আর অভাব নেই রাজ্যে! তারা তো সব প্রচেষ্টা বানচাল করে দিতে উঠে পড়েই লেগেছে। ফলে বিশ্বাসটুকু ধরে রাখতে হবে শুধু। মোদী সরকার যা করে ভালোর জন্যেই করে। এখন সেই ভালো ঠিক কাদের জন্যে ভালো সেই বিষয়ে নিন্দুকেরা যাই বলুক না কেন। সে কথায় কান না দিলেই তো হলো। ভালো হওয়া দিয়ে কথা।

৬ই এপ্রিল’ ২০২১
কপিরাইট লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.