x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

রবিবার, জানুয়ারী ৩১, ২০২১

শুভশ্রী সাহা

sobdermichil | জানুয়ারী ৩১, ২০২১ | | মিছিলে স্বাগত
শব্দের মিছিল

মাধুকরী হাসির গল্প প্রতিযোগিতা  ২০২১
তৃতীয় স্থান অধিকার করা গল্প।

হারু পড়েছে মহা ঝামেলায়,​ জীবিকায় টান হলে কি যেবন টেঁকে!​ কি আশ্চার্যি কতা বলো দিনি, নিজের মনেই বিড়ি ছুঁড়ে ফেলল সে দাওয়ার কোণে। ধম্ম নিয়ে টানাটানি। আসলে ব্যাপারটা কিছুই নয় আমাদের হারু হোলো গে এ দিগড়ের ডাকসাইটে চোর! না মানে বিরাট সাহসী, থানা ফাঁড়ির পুলিশদের চমকে দেওয়া ডাকাবুকো চোর​ মক্কেল না! সে সব শহুরে ক্যাত! গ্রামে গঞ্জে ডাকসাইটে মানে গিয়ে সিঁধ কাটা,​ বড় গোরু মোষ চুরি, দিঘি​ পুকুরের মাছ সাফ, বেশি হলে স্যাকরা যতীনের দোকান থেকে গয়না চুরি করা আর জগা সুদখোরের সিন্দুক থেকে টাকা হাতানো! অবশ্য​ গয়না বলতে রুপার ব্যালপাতা, খড়ম ত্রিশূল ধনফল, গোট, শ্যাঁকা বাঁধানো বড়জোর মানসিকের ঠাকুরের সোনার চোখ, এই পজ্জন্তই​ তাদের হাঁকডাকের দৌড়! হ্যাঁ নিয়েছিল বটে সে একবার​ মুকবুল মিঞার কোলের বৌএর​ চারভরির বিছা হার! মুকবুল বুঝে গেছিল কার কাজ কিন্তুক হাঁক ডাক করবে তো বড় বউ ঝ্যাঁটা বার করবে শুধু না, দামড়া দামড়া ছেলে গুলান পর্যন্ত ঝাঁপ্পে এলে, তার কোলের বউএর সাথে মোহব্বত পাঁছার কাপড়ে গুঁজতে হবে। অগত্যে​ কিল খেইয়ে সে কিল হজম কল্লে বটে কিন্তুক মনে রেখে দিলে। তার মাস দুই বাদেই​ ভুষিদারোগার কাছে খামোকা মোষ চুরির কেসে ফাঁসিয়ে দু দুমাস জেল খাটালো নাদান হারুকে! অবশ্য তাতে হারুর হলো ঠেঙ্গা! ফাটক থেকে বেরিয়েই যেই কি সেই! মুকবুলের হাঁদাগোদা কালি গোরুটাকে দিলো সাঁটিয়ে! সে কি​ গোরুরে বাবা!​ রোজ চার বালতি দুধ দেওয়া। তার খ্যাঁটন যোগাড় কত্তে পারাই শক্ত!​ দিলো সে গোরুকে বেড়াল পার করে দিগড়ে ছাড়িয়ে!​

-- ও হারুদা,​ কি ঠিক কল্লে তইলে! এই ভাব আর ক মাস! ডাগদার দেকাউ দিনি!​ করে খাবে কি করে! তোমার নয় সোমসার নাই, আমার তো আচে! ফটকে দাওয়ার ধারে এসে বসলে।

-- ফাউ কতা কস না ফটকে! ইস্তিরি নাই তো কি! বুড়ি মা টা, ভাগ্নী টা নাই! ভিটে বাড়িটার কি অবস্তে হয়েচে দেকচিস! বেড়া না দিলে কুকুর বেড়ালে হেগে মুতে একসা কচ্চে!

হারুর​ মা​ দাওয়া ঝ্যাঁট দিচ্ছিল খর খর করে,​ চেঁচালো ওখান থেকে

-- নি একগুণ অল্পপেয়ে ! গন্দ হাইরে কাল অন্দকারে গোবরের ডাবায় হাত চুবিয়ে মরেচে! একদিন তক দই মনে করে চুনে খাবলা দিয়েই মুকে এক্কেরে যায় যায়!​ ​

হারু মুক​ কাঁচু মাচু কল্লে

-- তইলে দাদা ! চলো ডাগদার খুড়ার কাচে যাই! এ আবার কি রোগ কতা নাই বাত্তা নাই গন্ধ চলি গেল!​ ​

-- তুই কি মনে করিচিস হতভাগা! যাইনিকো! খুড়া বল্ল এ রোগ​

নাকি সারে নে! সাহেবি রোগ! কলকাতায় হরেদরে হচ্চে!

-- থামো তো! কোতায় কলকেতার ক্যাত, কোতায় এ গঞ্জ গাঁ! তাউ ভূতে ধল্লেও বিশ্বেস যেতুন!

--- হুম! চল দিকি নদীর ধারের দোবড়া ফকিরের কাচ যাই!​

-- চলো তো! তার আগে এই হেল সেন্টারেতে নতুন ডাগদারবাবু এইচে! কলকেতার কল নিয্যস এই ধত্তে পারবে গো হারুদা! হররাম বিশ্বেস নতুন সিন্দুক গইড়েচে! উফফফ! তুমি গন্দ না পেলে চুরি করপো কি করে ভাবু একবার!​

সত্যি সত্যি এই হারুর এক ভূতের কল আছে চুরির! আশ্চায্যি ঘটনা ছোট্ট থে সে চুরির সুলুক সালুকের গন্ধ পেয়ে যায়! মনে করুন, হারু চুরি কত্তে সিঁদ কাটল ঘরে ,কি গোইলে ঢুকল, কি রান্নাঘরে এল,​ কি দোকান ঘরে ঢুকলো, কোন দিকে আলমারী, কি সিন্দুক, কাঠ না লোহা, তার কুড়ি বছর আগেকার রঙের গন্ধ, চাবির গন্ধ, তাকে রাখা কাঁসা বল,পেতল বল তামা বল, সোনা বল, সব তার নাকে চলে আসে! তামায় টকসা গন্ধ, স্টিলে তার আঁশটে, কাঁসায় ছাই ছাই, আর রুপোয় দাঁত মাজা গুড়াকুর গন্ধ পায় সে। গোইলে ঢুকলো পর গোরু না মোষ গন্ধ শুঁকেই সে অন্ধকারে ঠাউর করে নিতে পারে! গোরুর গায়ে খোল ভূষি আর মোষের গায়ে কেমন চামড়া চামড়া গন্ধ! এমন কি মুকবুলের কোলের বউ এর গায়ের সাবান পেনা গন্ধ ও সে দিব্য মনে রেখেছে! এসব হলো গে তার জীবিকার গূহ্য কথা!

ফটকে তার চেলা বলে লুকুয় নি সে! আহা,​ এই সব কথা চেলাকে লুকুতে নাই!​

একবার হয়েছিল কি মোটা পানুর গলায় চওড়া চেন ঝুলিয়ে রেখেছিল। ফটিকের খবর এক্কেরে পাকা, তারা পানুর বাড়ির ছাদে নেমে জানলা দিয়ে দরজার হ্যাঁশকল খুলেচে কি খোলেনি, ফটিকের নাকে হারের গন্ধ চলে এলো! কই সোনার হলুদ হলুদ গন্দ! ম্যাগো তার বদলে লোহার ঠান্ডা ঠান্ডা গন্ধ নাকে ঢুকে পড়ল হই হই করে!

হারু অন্ধকারেই ফটিকের গালে দিলো কষে এক থ্যাবড়া! ফটিক চুপ করে গেল! ও বাবা, তার চার পাঁচ দিন পরই মোটা পানুর হারের একদিক সাদা হয়ে গেল!​

তারপরে গিয়ে,​ খবর এলো গঞ্জর কানাই উকিল মেলা টাকা নিয়ে হাটে আসচে দোকান ঘর বায়না কত্তে, হারু সেইমত তক্কে তক্কে ছিল ভিড়ের মাঝে এদিক ওদিক করে কানাই এর গায়ের কাচে আসতেই টাকার চা গরম গন্ধের বদলে কাগজের খরখরে গন্ধ পেল সে! ব্যাপারটা হদিস​ কত্তেই শুনল কানাই উকিলের ব্যাগে জমির দলিল ছিল!

আ মোলো যা, দলিল চুরি করে সে কি ফাটকে কয়েদ হবে! ফটিকের কান ধরে ঘুরিয়ে দিল সে!

এমনকি জগা সুদখোরের সিন্দুকের শক্তপোক্ত তালারও সে গন্ধ শুঁকেই চাবি তৈরী করে ফেলেছিল! সব তাজ্জব! কিন্তু কেউ ধত্তেও পারেনি!​

--- তা বয়েস কত তোমার!​ হেলথ সেন্টারের ডাক্তারবাবু শুধোলেন--

-- এজ্ঞে তা চল্লিশ পঞ্চহাস হতি পারে!​

-- চল্লিশ আর পঞ্চহাসের মধ্যে যে বিস্তর ফারাক হে হারুবাবু!

-- ওই ওই হলো গে!

-- ওই হলো! আচ্ছা তা তোমার মা আছেন? তার বয়েস কত বলো দিকি!

-- তা​ বেয়ান্ন বা চুইয়ান্ন হতে পারে!

-- ও​ তোমার পঞ্চহাস আর মায়ের বেয়ান্ন!​ ​

অসুবিধা টা কি হচ্ছে তাহলে এখন! জ্বর জারি তো নেই দেখছি!

হেলথ সেন্টারের নতুন ডাক্তার বেশ হাসি হাসি মুখে তাকালেন। হারু বিরক্ত হলো, খালি হেসে মচ্চে তার কথা শুনে, লগুড় দেক্তিচে য্যান!​

-- জ্বর জারি কই!​ দিব্য এক পাত্তর ভাত স্যাঁত করে দিচ্চি সাঁঝ সকালে! ওই যে কলুম গন্দ নেইকো মোটে!​ ​

--- হুম তাও তো বলছো একমাসের উপর হয়ে গেল!​

--- তার বেশি বই কম নয়কো ডাক্তার! কি বলব, গন্দ ছাড়া মানুষ বাঁচে! জেবনের কতো সুগ্রাণ থেকে আমারে যে ভগমান​ -- হারু কান্না পেয়ে গেল!

--- আ মোলো! করিস তো তুই চুরি! কত সুখাদ্য খাস শুনি! এই তো কদিন আগেই জেলের ভাত​ সিদোলি পেটে!​

নিত্য কম্পান্ডারের ডাক্তারের সামনে এই ভাব অপমান করাটা হজম হলো না​ হারুর! গন্ধ না শুঁকেও ওষুধ নেবার পর টুক করে দেওয়ালে হেলান দেওয়া​ সাইকিল টা তুলে নিলো নিত্যর!​

ফটকে পজ্জন্ত বলল, এটা কিন্তুক অনেয্য কাজ হলো হারুদা।

নদীর ধারে ধুনি জ্বালিয়ে বসে ছিল দোবরো ফকির। গ্যাঁজার ধুয়োয় চারদিক টমটমাচ্ছে, তা হারুর নাকে কিছুই যাচ্ছে না! সে নদীকে দেখছে ঘন​ অন্ধকারে!​ হায়রে কপাল, ধুঁয়ো দেকচে মেলা,​ গন্ধ নাই!​ ধুনির আলোতে দোবরো ফকিরের একটা কথায় তার

মাস্টারবাবুর কথা মনে পড়ল তার। আহা এই গঞ্জতে সে ওই একজনের পায়ের তলার ধুলো চাটে। বুক দিয়ে ঘরবার পাহারা দেয় মাস্টারের। দু একটা পায়ের তলায় বসে কথা শুনলেই মনেহয় জীবন সার্থক। মাস্টার বলেছিল সদা সত্য কথা বলবি হারু! যাই করিস বলে দিবি,​ চুরি কোনো নায্য কাজ নয় কিন্তুক!​ খেটে খা বাপ!​ সে সে কথার মান্যতা দিতে পারে নাইকো! মাস্টারবাবুর চোকে কি হইচে​ শুনেছে শয্যা নেছেন তাও​ সে যায় নাই মনের দুক্কে!​

আজ ফকির যখন জানতে চাইলো তুই নিজ্জস এট্টা সত্য গোপন করিচিস​ হারু! মিচে কয়েছিস, আল্লা তোর গন্ধ গুণ কেড়ে নিচে সে চুপ করে থাকল!​

মিত্যে সাক্ষী সে দিয়েছিল বটে সত্য ঘটনা দেখেও সত্য কথা​ কয় নাই!​ যতিন কাকার দো ফসলা জমিটা যেকুন বেবাক হজম করে নিছিল নীরেন কাকা সে দম মেরে বসে ছিল কাছারিতে গে কটা টাকার জন্য যতীন কাকার বিপক্ষে সাক্ষী দেছিল! কে জগাদের ক্ষেতের বেগুন তুলিছিল, কে​ কিপ্টে​ সুবলের পুকুরে বিষ তেল দিছিল সব সে জানে নিজ্জস জানে কিন্তু কয় নাই! পাটি করা নরা কয়েছিল মুক খুলবিনে খপরদার! মই চড়তে গেলি পেচনের সিঁড়ির কাম নাই কিচু বুজলি! হক কতা মেনেছে! ছোটখাট মিত্যা হরবকত কয়েচে!​

নিত্যন রোজ গেঁদেদের পোস্কার পুকুরে হেগে রাখত! কিন্তুক হারু দেখেও মিছে কয়েছে! হাঁসচুরি করেছিল রাসু, পাগলা জগার পিঠের ছাল তুলল পঞ্চাত! পাগলার কি কান্না, কিন্তুক হারু সব দেখেও পঞ্চাতে সত্য কথা কয় নাই!​

হারু বসে আকাশ পাতাল হিসেব করতে লাগল তার সত্য মিথ্যার!

--- দেক বাপু এট্টা সত্য কতা তোকে কয়ে দিতে হবে!​ এটা কল্লে তোরে আল্লা মাপ দিলেও দিতে পারে! কলকেতে দম ধরে ফুঁ দিল দোবরো ফকির, গ্যাঁজার গন্ধে​ টমটমালো হলো চারদিক, শুধু হারু ফোঁস ফোঁস করেও কোন গন্ধ খুঁজেও পেল না!​

হারু​ অনেক রাত পর্যন্ত বসে থাকলো নদীর ধারে। আলধার ধরে সে বাড়ী ফিরছে। উঠতো না নেহাত ভুলু টা ভুক ভুক করে কানের মাতা খাচ্ছিল বলে। অবলা প্রাণী খিদে তেস্টা আচে তো! ওতো আর গন্দ হারায় নিকো! ভুলু কে বাড়ী পৌছে দিয়ে হারু একটু টহল দিতে বেরোল আজ। হাতে পায়ে খিল লেগে যাচ্ছে বসে বসে! কারা যেন রটিয়েচে হারু চোর বিচানা​ নেচে, হারামজাদা গদাই সেই শুনে বেশ নড়ে চড়ে উঠেছে!​ বলে না একেই​ পরের ধনে পোদ্দারি! এ এলাকা তার ছিল! পাটির​ নরা, কেবলু সবাই পজন্ত মানে! হোক না চোর, তার ও তার একটা মান সম্মান আচে নাকি!

আল পথ শেষ করে পাকা রাস্তায় উঠেই খিচুড়ি ইস্কুল! পাঁচিলের ধার ঘেষতেই ফিস ফিস শব্দ শুনলো হারু! এতো রেতে ইস্কুলে কারা ঢুকেচে! ইস্কুলে কি মতলবে! নাক তো আর নেই, কান পাতলো হারু! একা দুজন নয়কো বেশ কয়েক জনাই আচে!​ হারুর এট্টা গলা কানে ধাক্কালো। চোরের পায়ে সে পাঁচিলে উঠে​ জানলার পাল্লায় আলতো চাপ দিয়ে যাকে দেখতে পেল চমকে গেলো।​ মাস্টারবাবু!​

বস্তা বস্তা চাল সরাচ্ছে​ নরাদের লোকেরা। একজন দুজন কে চিনতেও​ পারলো সে!

মাস্টারবাবু হাসছে, -- দেখ দিকি কার ঘাড়ে দোষ চাপাবি! চোরেরা যদি সাধু হয়ে যায়!​ খ্যাঁক খ্যাঁক করে সবাই হেসে উঠল।​ ​

-- অঙ্কের মাস্টারের গতিক ভালো না!​ একবস্তা চাল ওর গোয়ালে বরং ---

হারুর মাথা ঘুরতে লাগলো! হায় হায় এরে সে ভগমান মান্যি করেছিল! এত বড় মিচে কতা বলতে পারবে! চুরি করে সে কখনু​ পরের ঘাড়ে চাপিয়েচে! কক্ষুনি নয়কো!​

না ভয় কল্লে হবে না! এই সুযোগ,​

অঙ্কের মাস্টর কে এখনই , তার মন থেকে গন্ধের শোক ও হারিয়ে গেল পর্যন্ত! -- চোঁ ওও ও করে সে পাঁই পাঁই বেগে ছুটতে লাগল পরাণ গায়েনের বাড়ির দিকে!​

দৌড়তে দৌড়তে সে টের পেয়ে গেল কাঁচা চালের গন্ধ তার সারা​ নাক ছেয়ে ফেলেছে! গন্দ ওও ও ও! 


■ একটি মাধুকরী উদ্যোগ
Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.