x

প্রকাশিত | ৯২ তম মিছিল

মূল্যায়ন অর্থাৎ ইংরেজিতে গালভরে আমরা যাকে বলি ইভ্যালুয়েশন।

মানব জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই শব্দটি অবিচ্ছেদ্য এবং তার চলমান প্রক্রিয়া। আমরা জানি পাঠক্রম বা সমাজ প্রবাহিত শিক্ষা দীক্ষার মধ্য দিয়েই প্রতিটি মানুষের মধ্যেই গঠিত হতে থাকে বহুবিদ গুন, মেধা, বোধ বুদ্ধি, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। এর সামগ্রিক বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা থেকেই এক মানুষ অপর মানুষের প্রতি যে সিদ্ধান্তে বা বিশ্বাসে উপনীত হয়, তাই মূল্যায়ন।

স্বাভাবিক ভাবে, মানব জীবনে মূল্যায়নের এর প্রভাব অনস্বীকার্য। একে উপহাস, অবহেলা, বিদ্রুপ করা অর্থই - বিপরীত মানুষের ন্যায় নীতি কর্তব্য - কর্ম কে উপেক্ষা করা বা অবমূল্যায়ন করা। যা ভয়ঙ্কর। এবং এটাই ঘটেই চলেছে -

চলুন মিছিলে 🔴

শনিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২০

শনির বচন | অন্ধবিশ্বাসের আনন্দ

sobdermichil | ডিসেম্বর ১৯, ২০২০ | | মিছিলে স্বাগত

শনির বচন | অন্ধবিশ্বাসের আনন্দ

না, আমি আপনি আমরা কেউই কৃষক নই। কৃষিজীবী নই। চৌদ্দো পুরুষেও হয়তো কেউই কৃষির সাথে যুক্ত নই। কৃষিকার্যের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবেই কিসে কৃষকের স্বার্থরক্ষা হবে, আর কিসে সেই স্বার্থ বিঘ্নিত হবে। সেটা আমরা না জানলে দোষের কিছু নয়। বিষয়টি আমাদের জ্ঞান বুদ্ধি অভিজ্ঞতার বাইরে। আমরা খুবই সাধারণ মানুষ। মাস আনা মাস খাওয়া আদার ব্যাপারী। সব ঠিক আছে। তাই আমাদের অধিকাংশ বিষয়েই অন্যের কথায় বিশ্বাস করে চলতে হয়। আর সেই বিশ্বাসের উপরেই আমাদের একান্ত ভরসা। অনেকটা অন্ধের মতো। একজন অন্ধ মানুষকে যেমন অন্যের বিশ্বাসের উপর ভরসা করে চলতেই হয়। আমাদের মূলগত অবস্থাও ঠিক সেইরকম। 

এখন কথা হচ্ছে। আমরা কার কথায় বিশ্বাস করে ভরসা করে চলবো। সেইটিই। যাকে বিশ্বাস করলে আমার দেশের স্বার্থ রক্ষিত হবে, তার কথায়? না’কি যাকে বিশ্বাস করলে আমাদের ভিতরে যে সকল নানা ধরণের দ্বেষ বিদ্বেষ জাতক্রোধ রয়েছে, সেইগুলি বেশ চাগিয়ে ওঠে। তার কথায়? 

এই এক গুরুতর দ্বন্দ্বের ভিতর রয়েছি আমরা। এই যে আমাদের অন্তরের নানবিধ দ্বেষ বিদ্বেষ বিভেদমূলক অবস্থান। জাতক্রোধ জাতিবিদ্বেষ। সাম্প্রদায়িক মনোভঙ্গী। আমারা সচারচর তাদের কথাই আম্লান বদনে বিশ্বাস করি। এবং বারবারই করতে চাই। ঠিক যাদের কথায় আমাদের অন্তরের এই অসুখগুলি আরও বেশি মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে। আমরা নিজেরা এক একজন, ভয়াবহ সংক্রমণের সুপরিবাহী হয়ে উঠতে পারি। এটাকে কিন্তু আমাদের একটা জন্মগত পারিবারিক বংশ কৌলিন্য বলা যেতেই পারে। পারিবারিক ভাবে বংশগত ঐতিহ্যে মুসলিম বিদ্বেষের একটা অন্তঃসলিল চাষাবাদ চলতে থাকলে আমরা খুব সহজেই পোশাক দেখে মানুষ চিনে নিতে পারবো। এবং সমস্ত কুকীর্তির দায় সেই পোশাক পরিহিতদের ঘারে চাপিয়েও দিতে পারবো। তার জন্য আমাদের সুপ্রীম কোর্টের রায়ের অপেক্ষায় থাকতেও হবে না মোটে। ফলে সেই সময় একদল যখন দেশে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলবে, গোটা দেশকে হিন্দু হিন্দী হিন্দুস্তান স্লোগানে বেঁধে ফেলার ডাক তুলবে। তখন স্বভাবতঃই আমি আপনি আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠবো সন্দেহ নাই। এবং ঠিক তাদেরই সকল কথা বিশ্বাস করবো মনে প্রাণে। তাই না? 

এই জন্যেই আমরা বিশ্বাস করেছিলাম। বছরে দুই কোটি ছেলে মেয়ের চাকরী হবে বিগত ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে। আমরা আশংকাও করি নি গত সাত বছরে কোটি কোটি মানুষ তাদের চাকরী হারিয়ে বেকার হয়ে যাবে। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম আমাদের প্রত্যেকের ব্যাংক একাউন্টে সুইস ব্যংকের কালোটাকার ভাণ্ডার থেকে পনেরো লক্ষ করে টাকা ঢুকে যাবে। আমরা আশংকাও করিনি যে একটি টাকাও কোনদিন ঢুকবে না। আমরা আরও বিশ্বাস করেছিলাম, ভাবী প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ। যেখানে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলে রাজনীতি থেকে দূর্নীতি নির্মূল করে দেবেন। কোন বিধায়ক সাংসদ যদি কোন অপরাধ ঘটিত ফৌজদারী মামলায় জড়িয়ে যান। সেই রকম অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যাতে কোন ভাবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর টিকিট না পায়, তিনি তা নিশ্চিত করবেন। এমনকি নিজ দলের অভিযুক্ত নেতা মন্ত্রীদেরও ছাড় মিলবে না কোন। এমন বজ্রনির্ঘোষ প্রতিশ্রুতিতে আমরা অন্ধ বিশ্বাসে ভরসা করে হাত খুলে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়যুক্ত করে মসনদে বসিয়ে নিশ্চিন্ত হয়েছিলাম। আমাদের সেই নিশ্চিন্ত বিশ্বাসের ফলে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে নির্বাচিত সাংসদদের ভিতর ৩৫% ছিল বিভিন্ন অপরাধে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত নেতানেত্রী। আরও চমকপ্রদ বিষয়। পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে নির্বাচিত দাগী অভিযুক্ত সাংসদদের সংখ্যাটি কিন্তু ৪০% অতিক্রম করে গিয়েছে। মসনদে গদিয়ান আমাদের ভরসাস্থল সেই মহান নেতার আমলেই। চমৎকারের এখানেই শেষ নয়। বর্তমান লোকসভায় সরকারী দলের নির্বাচিত সাংসদদের ভিতর ১১৬ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুষ্কৃতিমূলক কাজকর্মের অভিযোগে ফৌজদারী মামলা ঝুলে রয়েছে। আর আমরা ঝুলে রয়েছি আমাদের অন্ধ বিশ্বাসের একান্ত ভরসায়। 

অন্ধ বিশ্বাসের ভরসায় ঝুলে থাকার শান্তিই আলাদা। বিগত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে আমাদের বলা হলো ভারতবর্ষের শত্রু দেশ পাকিস্তানের আত্মঘাতী জঙ্গী আক্রমণে পুলওয়ামায় যে বিয়াল্লিশ জন জওয়ান শহীদ হয়েছেন। তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেই জয়যুক্ত করতে হবে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দলকে। ঠিক কথা। পাকিস্তানের মতো শত্রু দেশের হাত থেকে ভারতকে রক্ষা করার মতোন একজনই তো রয়েছেন। তাই আবারো তাঁর ও তাঁর দলীয় প্রচারযন্ত্রের কথায় বিশ্বাস করে আমরা আরও বেশি ভোটা জয়যুক্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে আসলাম তাদেরই। কিন্তু আমরা ভেবে দেখার কোন চেষ্টাই করলাম না, যে সরকার মাত্র ৪২ জন জওয়নের প্রাণরক্ষা করতে পারে নি, তারা পাকিস্তানের হাত থেকে দেশরক্ষা করবেই বা কোন মন্ত্রবলে? আমরা এও ভেবে দেখলাম না, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই বা কেন আমাদের সকলের প্রিয় নেতাকেই ভারতের প্রধান হিসাবে ফিরে পেতে চাইছেন বলে সংবাদ মাধ্যমে বিবৃতি দিলেন। আমরা এও ভেবে দেখার কোন চেষ্টাও করলাম না, ঠিক নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতবর্ষের চিরশত্রু দেশটি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলাই বা চালালো কেন? যে ঘটনায় আমরা দেশব্যাপী মানুষ ৪২ জন জওয়ানের প্রাণ রক্ষায় ব্যর্থ একটি সরকারকেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে আসলাম, আমাদের দেশভক্তির প্রমাণস্বরূপ। পুলওয়ামার আত্মঘাতী হামলাটি’তো নির্বাচন মিটে যাওয়ার পরেও ঘটতে পারতো, তাই না? কিন্তু ঘটানো হয়েছিল নির্বাচনের ঠিক আগেই। 

তাই আমরা আবারো ভারতের মসনদে ফিরিয়ে নিয়ে আসলাম ঠিক তাদেরকেই, যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েও আমাদের কারুর ব্যাংক একাউন্টে সুইস ব্যাংকের কালোটাকার একটি টাকাও ঢোকাননি। 

পনেরো লক্ষ টাকা তো দূরের কথা। যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েও বছরে দুকোটি চাকরীর কোন ব্যবস্থাই করেনি, সেই তাদেরকেই। যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েও নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য দলের তরফ থেকে দাগী অভিযুক্তদের টিকিট দেওয়া বন্ধ করেনি, তাদেরকেই। যারা ক্রমাগত সরকারী প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি জলের দরে কয়েকজন ব্যবসায়ী বন্ধু শিল্পপতিদের বিক্রী করে দিচ্ছে। তাদের জন্যই আমরা জনসমর্থন জুগিয়ে চলেছি, চলবো। আমরা যে অন্ধবিশ্বাসে ভরসা করতে ভালোবাসি। 

হ্যাঁ, ঠিক সেই অন্ধ বিশ্বাসে ভরসা রেখে আবার আমরা মনে করতে শুরু করেছি, এবার আমাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আমরা কেন প্রশ্ন তুলবো? যদি কেউ আমাদের বলে তোমরা আমাদের ভোট দাও। আমরা তোমাদের নাগরিকত্ব দেবো। আমরা কেন প্রশ্ন তুলবো যে বেনাগরিকরা কি করে স্বাধীন সার্বোভৌম ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিগত সাড়ে সাত দশক ভোটাধিকার পেয়ে এসেছে? আমরা কেন প্রশ্ন তুলবো, ভারতীয় সংবিধানের কোন ধারায় বেনাগরিকদের নির্বাচনে ভোটাধিকার দেওয়া রয়েছে? আমরা কেনই বা প্রশ্ন তুলবো একটি স্বাধীন দেশের সরকার কি করে বেনাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা দখল করতে পারে? বিশ্বে এমন কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রয়েছে? না, এসব প্রশ্ন তোলা বারণ। এসব প্রশ্ন তুললে আর হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে কি করে? মুসলিমদের দেশ থেকে তাড়ানো যাবে কি করে? তাই আমরা অন্ধ বিশ্বাসে ভারতের নাগরিক হওয়ার নতুন আশাতেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবো তাদেরকেই। যাদের মূল শক্তির উৎস আমাদের অন্ধবিশ্বাসের ভিতেই। যাদের মূল শক্তির উৎস আমাদের সেই বংশগত সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষচর্চায়। আমাদের জাতি বিদ্বেষ, জাতক্রোধের উপরে।

এবং ঠিক এই কারণগুলির জন্যেই আমরা নিশ্চিন্তে আবারো বিশ্বাসীদের দলে ভিড়ে দল ভারী করে চলছি প্রতিদিন। আমরা বিশ্বাস করছি এবং আরও করবো। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস সরকার যে তিনটি কৃষি আইন চালু করে দিয়েছে। তাতেই দেশসুদ্ধ কৃষকদের সুখের দিন এলো বলে। কৃষকদের জন্য এমন ঐতিহাসিক কৃষকদরদী আইন শুধু ভারতবর্ষে কেন। সারা বিশ্বেই এই প্রথম। এমন কৃষকদরদী সরকারের কাজের বিরোধীতা করা দেশদ্রোহীতার সামিল। না, আমরা তো কেউই দেশদ্রোহী বলে চিহ্নিত হতে রাজি নই। তাই আমরা সবসময় সরকারের সকল আইনের সমর্থনে দলীয় প্রচারে বিশ্বাসী হবো। বাকিদেরকেও বিশ্বাস করাবো হোয়াটসআপ বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে। সকাল থেকে সন্ধ্যা। এবেলা ওবেলা। তাই সরকারের নেতা মন্ত্রী সান্ত্রীরা যখন বলছেন, দিল্লী অবরোধে সামিলদের ভিতরে আসলে কৃষকরা নাই। আমরাও সেকথা বিশ্বাসের সাথে জোর গলায় উচ্চারণ করি আসুন। তারা যখন বলছেন এই কৃষক বিদ্রোহ আসলেই চীন ও পাকিস্তানের চক্রান্ত। তখন সেকথাই ধ্রুব সত্য আমাদের কাছে। তারা যখন বলছেন, এই কৃষকবিদ্রোহ আসলেই খালিস্তানের সমর্থনে হচ্ছে। অবশ্যই আমারা সেকথাও বিশ্বাস করবো অন্ধের মতোন। আমরা আর তাকিয়ে দেখবো না, সত্যিই তাদের প্রচার মতো কৃষকদের এই বিদ্রোহে টুকরে টুকরে গ্যাং সামিল হয়েছে কি না আদৌ। বা কারা সেই টুকরে টুকরে গ্যাং? তাদের ঠিকানাই বা কি? তারা দেখতেই বা কেমন? না, এসব প্রশ্ন আসলে দেশদ্রোহীরা করে থাকে। করছেও। আমরা ভারতমাতা কি জয় বলে দেশপ্রমী হয়েছি। এসব প্রশ্ন আমাদের ধর্ম স্বীকার করে না।

তাই এই নতুন কৃষি আইনের বলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তালিকা থেকে যে ২৩টি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসকে বাদ দিয়েছেন সরকার, আমাদের অন্ধ বিশ্বাস তাতে সেই অত্যাবশ্যকীয় পণ্যগুলি ন্যায্যমূল্যে পেতে আমাদেরও আর কোন অসুবিধা হবে না। আমরা এও বিশ্বাস করছি, কৃষিপণ্য মজুতের সব উর্ধসীমা তুলে দিয়ে সরকার একদিকে যেমন কৃষকদের ধনী হয়ে ওঠার পথ খুলে দিয়েছেন। ঠিক তেমনই উপভোক্তা স্বরূপ আমাদেরও খাদ্য সমস্যা দূর করে দিয়েছেন। আমরা দৃঢ় ভাবেই বিশ্বাস করি সরকারের বলবৎ করা নতুন এই কৃষি আইনে চুক্তিচাষের প্রবর্তন কৃষকদের বলাৎকারের জন্য করা হয় নি আদৌ। বরং দেশের কৃষিব্যবস্থার অধুনিকীকরণের নতুন জগৎ খুলে দেবে এই চুক্তিচাষ প্রথা। ঠিক যেমন আমরা বিশ্বাস করেছিলাম, নোট বাতিলের সেইসব গল্পগুলি। বিশ্বাস করেছিলাম ২০০০ টাকার নোটে মাইক্রোচিপ রয়েছে। যাতে সহজেই সব কালোটাকার হদিশ জানা যায়। এও আমাদের সেইরকমই বিশ্বাস। হ্যাঁ, নতুন এই কৃষি আইন কৃষকদেরই স্বার্থে। এবং বর্তমান সরকার আমাদেরই স্বার্থে কাজ করে চলেছে অকুতোভয়ে। সেই ২০১৪ সাল থেকে। আমাদের সরকারের দাপটে এখন যেমন চীন পাকিস্তান এক ঘাটের জল খাচ্ছে। আর থরহরি কাঁপুনিতে মিউমিউ করছে প্রতিদিন। ঠিক তেমনই এইসব খালিস্তান‌পন্থীদের দিল্লী অবরোধ এক নিমিষে প্রতিরোধ করে দিয়ে আমাদের সরকার বাহাদুর চীন পাকিস্তানের সব ষড়যন্ত্রে জল ঢেলে দেবে দিন কয়েকের ভিতরেই। আমাদের শুধু দেশপ্রেমে অটল থেকে সরকারের সব কাজে অন্ধ বিশ্বাসে ভরসা করে জনসমর্থন জুগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই কেল্লাফতে। আর ইভিএমের পর ইভিএমে সেই জনসমর্থনের সুনামি আছড়ে পড়লে ভারতবিরোধী সব শক্তিই কুপোকাৎ। 

১৯ই ডিসেম্বর’ ২০২০।  


Comments
1 Comments

1 টি মন্তব্য:

সুচিন্তিত মতামত দিন

�� পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ শব্দের মিছিলের সর্বশেষ আপডেট পেতে, ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.