x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২০

■ পিয়াংকী | মেঝে, ছায়া এবং যথাযথ সংবিধান

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০২০ | | | মিছিলে স্বাগত

■ পিয়াংকী |  মেঝে, ছায়া এবং যথাযথ সংবিধান

আয়নার সাথে মেঝের বোঝাপড়া দেখে রীতিমত চমকে উঠেছিলাম । এসব রোজকার কথা !

আবছা আলোয় এভাবেই একদিন​ চোখ সার্থক হলো,খুব ভালো মনে না পড়লেও এটা জানি সংকেত দেখে ঘাবড়ে গিয়ে চুপসে ছিলাম কিছুক্ষণের জন্য। যে মেঝে (মেঝে অর্থেই মাটি)নিজেকে নাতিদীর্ঘ বলে দাবি করে আসছে,​ সে কী আদতে নাতিশীতোষ্ণ হতে চেয়েছে কোনোদিন ?

পুড়িয়ে ফেলার আগে সব বর্জ্যকেই সম্পত্তি মনে হয়। হয়তো এটা হিউম্যান সাইকোলজিরই একটা পার্ট,যাক পার্ট বলতে গিয়ে মনে পড়লো পার্টির কথা। আক্ষরিক অর্থ বাদ দিলে পার্টি মানেই তো রাজনীতি, যার সাথে ব্যাক্তিগত শব্দের সংজ্ঞা নেই,​ ঠিক যেমন মেঝে আর মাদুর বরাবরই ছাপ দোষে দুষ্ট।​

প্রতিদিন কতোশত মুখ বেছে নিয়ে মুখোশ তৈরী হয়, বিক্রিও হয় খোলামাঠে। মানুষই আসে দরদাম করে, কেনে। তারপর একদিন আচমকাই ধারালো কিছু দিয়ে কেটে ফেলে। একজন কাটে অন্যরা দেখে, চোখের বিশ্রাম হবার আগে আবারো কাটাছেঁড়া, চলতেই থাকে।

আয়নার পেছনে যে অন্ধকার, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের ওই চত্ত্বর আশ্চর্যভাবে কেনাবেচা হয়ও না কোনোদিন  কালোঘর এভাবেই পাথর হয়ে যায়, রাজত্ব বদলায়, অন্যদিকে গুদামঘরের​ আরো ঘন হয়।​

​ক্ষত থেকে শুরু করে দাগ হয়ে ছায়ার কাছে পৌঁছনোর জন্য বরাদ্দ কিছুটা দূরত্ব।তাই আয়নায় আসামী এবং বিছানায় ঋণী হয়ে ওঠার পরই সাবালকত্ব পায় সংবিধান।​ ​

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.