x

প্রকাশিত ৯৬তম সংকলন

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

কৃষ্ণা কর্মকার

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৫, ২০২০ |

কৃষ্ণা কর্মকার

----- এই -ই-ই । কী গো, শুনছো? ঘুমুচ্ছো নাকি?​

----- বলো, শুনছি,​

----- বলছি,​ এই তো সময়...​

----- কীসের?​ প্রেম ! মেঘ না চাইতেই জল! কাছে এসো উমুরাণী....​

----- বুড়ো বয়সে আদিখ্যেতা দেখো! প্রেম-টেমের কথা বলি নি।​ বলছি তোমার ক্যারিশমার কথা।​

----- ক্যারিশমা, মানে!!!​

----- এই তো সময়! সব্বাই যে যার মতো টাটকা বাসি, হালকা -ভারি, রোগা -মোটা বিদ্যে পেট থেকে টকাটক বার করছে আর ফেসবুকে পোস্টিয়ে দপদপাচ্ছে। আর তুমি, এমন ওজনদার হয়েও ন্যাতানো চিঁড়েভাজাটি হয়ে বসে বসে ঝিমুচ্ছো! এতোকাল নয় যুদ্ধটা একাই গোপনে গোপনে করেছো। আমাকে শুদ্ধ লুকিয়ে গেছো!​ তা-ও নাহয় ধরে নিলাম, আমাকে সারপ্রাইজ দিয়েছো। কিন্তু জেনে যখন গেছি, আর তো আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না!​

----- বুঝলুম না উমু!

----- তা বুঝবে কেন? বুঝলে পাঁচজনের কাছে আমার হেনস্থা হবে কী করে? বাপ বটে আমার, এমন একটা পাষণ্ডর হাতে দিয়ে আমাকে....​

​ ​ ​ ​ ব্যস, রামায়ণের ভণিতা পেরিয়েই একবারে লঙ্কাকাণ্ডে পৌঁছোলেন তিনি, মানে আমার গিন্নি। সাত কাণ্ড রামায়ণের মধ্যে থেকে তিনি যখন তখন লঙ্কাকাণ্ডটাকেই বেছে নেন আমার গুণ গাইবার জন্য। আজও বেছে নিয়ে, শেষে চোখের জলে নিজের জয় ঘোষণা করলেন।​

​ ​ ​ ​ ​ ঝগড়ার টুকিটাকি বিশ বছরে দিব্যি গা সওয়া হয়ে গেছে । একে ছেলেমেয়ে নেই, তার ওপর সারাদিনরাত এই বারমুখো অধম স্বামীটি আর তার ঘরটি পরিপাটি করে সামলে রাখা --- কম কথা তো নয়! হ্যাঁ, ঘরে যেটুকু সময় কাটাই, সেটুকুতে কখনো বুড়ো আর কখনো বাচ্চা হয়ে মুখঝামটাটা আমাকে সয়ে নিতে হয়। তো,সেসব খুচরোখাচরা। আসল ক্যাচালটা​ বাধলো​ এই করোনার ফ্যাচাংটায়। এপাশ ওপাশ থেকে গুপচুপ করে গেঁড়িয়ে গুটিয়ে বেশ তুলোফুলো বেড়ালটি সেজে আদরে কদরে দিন কাটছিল! আচমকা কোত্থেকে ইবোলা না খাবোলা কী একটা ভাইরাস এসে অ্যায়সা চোখ রাঙালো যে আমাকে ইঁদুরের গর্তে সেঁধুতে হলো।​ তা গর্ত তো আর আমার হলেও আমার নয়। গিন্নির সেখানে ভরা রাজত্ব । ট্যাঁ ফুঁ নট অ্যালাউড।​ তাও কি আর দু চারদিন ! যে ছুটির খুশিতে ভালোমন্দ খ্যাঁটিয়ে, টি ভি - তে সেলিব্রেটিদের ঝাঁট দেওয়া বাসন মাজা দেখে আহ্লাদে গলে বউয়ের টসকানো গালেই চকাচক চুমু খেয়ে বসবো?​

​ ​ ​ ​ ​ কথায় আছে না, "খাচ্ছিল তাঁতি তাঁত বুনে, কাল হলো তার হাল কিনে" ---- ব্যাচেলর নাম ঘোচানোর পর থেকে সংসারে আমার অবস্থাটা হয়েছে সেরকম। না, মিথ্যে বলবো না, ঝিয়ের সাবস্টিউট ভেবে বউ আমাকে বাসন মাজতে কিংবা কাপড় কাচতে বলে নি। বরং আমার ক্যারিশমা যাতে লকডাউনের চাপে লক - আপ -এ ঢুকে না পড়ে, তার জন্যে ছ'টা ঘণ্টা মাত্র ঘুমে বরাদ্দ রেখে বাকি আঠারো ঘণ্টা আমার সঙ্গে "টম এ্যান্ড জেরি" খেলে যাচ্ছে। সে আমার কী হাপুচুপু দশা ! আর সেই দশা ফোঁসলাতে গিয়েই ক্যাচালটা ঘাড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়লো। তা পড়বি পড়, একটু রয়ে সয়ে পড়বি তো!​

​ ​ ​ ​ ​ বোঝেনই তো, সব কিছুরই একটা মেণ্টাল সেট আপ লাগে। তা আমার এ্যদ্দিনের সেট আপটাই ছিল, কুয়ো গ্যাঁড়ানো। বুঝলেন না তো?​ বলছি মশাই, ---- ধরুন, জলভরা একটা কুয়ো --- আপনি কপিকলে একখানা লোহার শেকল বেঁধে, তাতে একটা পেতলের ঘটি ঝুলিয়ে নামিয়ে দিলেন একেবারে তলা পর্যন্ত। তারপর একফোঁটা বুড়বুড়ি না তুলে, ওপরতলার জলে চাপা পড়ে থাকা নিচুতলার জল সুড়ুৎ করে টেনে এনে ওপরজলে ঢেউ তুলে ফেললেন। ঢেউ উঠলো সবাই দেখলো, অথচ জলটি কোত্থেকে কেমন করে উঠে এলো কেউ টেরটিও পেলো না। তবে হ্যাঁ, ঘনঘন জল ঘোলা করলে চলবে না, থিতু হবার সময় দিতে হবে।​

​ ​ ​ ​ ​ তা আমার অধ্যবসায় আর ধৈর্য মোটেই কম নয়। সেই ইস্কুল বয়েস থেকেই গ্যাঁড়ানোয় হাতেখড়ি, হালে হাতটা পেকেছেও বেশ। কিন্তু কী বলবো, এই করোনার খ্যাঁচাকলে পড়ে কালটি হলো। ঘরে বসে বসে বউয়ের সঙ্গে কথা চালাচালি করা ছাড়া আর তো এখন কোনো কাজ নেই। পাড়ার মোড়ের ঠেক, বন্ধুবান্ধবদের বাড়ি গিয়ে গুলতানি, সভা সমিতি, সবেতেই ঝাঁপ পড়ে গেছে। কথা বলবার আর কথা গেলবার এখন একটাই সম্বল, বউ। তা আমার পত্নীটির সবচেয়ে বড় গুণ হলো তার নিজের নামপরিচয় সব রান্নাঘরের বাসনকোসনে গুঁজে রেখে পতির নাম নিয়ে পোদ্দারি করা। সেটা অবশ্য এই বিশ বছরের বিবাহবার্ষিকী অব্দি আমার মন্দ লাগে নি । বেশ একটা কত্তা কত্তা স্টেটাস ফিল করেছি। তা সেই স্টেটাসটি বাড়াতে গিয়েই এতোকাল ধরে চুপকে চাপকে ঘাপানো মালগুলোকে একদিন বউয়ের কাছে বেবাক "আমার" বলে চালিয়ে দিলাম। বউও "তোমার গরবে গরবিনী হাম" ভাবখানা নিয়ে, আস্ত ফুটবলটি হয়ে, ফেসবুকে, হোয়াটস্অ্যাপে, ফোনালাপে, পাড়ার জটলায়, দেদার গড়াতে লাগলো। এই​ পর্যন্তও বেশ ছিল। গিন্নির বিজ্ঞাপনে কত্তা হিসেবে আশপাশের লোকজনের চোখে আমি বেশ একখানা কেউকেটা হয়ে উঠলাম। বাজার যাওয়া আসার কালে, তাদের যাচা "হাই হুই" শুনে গেরামভারি মুখ নিয়ে হাঁটাচলা করতেও শুরু করেছি আজকাল । কিন্তু করোনার কোপ তো কমছেই না! বাইরের সোর্স বন্ধ, ভেতরে যা মজুত আছে, তার থেকে আর নতুন ঘাপানোর মতো অবশিষ্ট আর কিছু নেই। এদিকে আমার বউ টিভি দেখে, রান্না করে, বসে, ঘুমিয়ে, এমন বোর হয়ে উঠলো, শেষে নিজেকে চাঙ্গা করতে আমার দিকে চোখ ফেললো। টসকে যাওয়া গাল দম মেরে ফুলিয়ে একদিন মাঝরাতে বলে বসলো,​

---- তোমার ক্যারিশমা দেখাও।​

​ ​ ​ ​ তারপরে কী হলো, সে তো আগেই দেখলেন। এখন মুশকিলটা হলো, আমারও ওই গেরামভারি চালে চলাটা অভ্যেস হয়ে যাচ্ছে । মন চাইছে, বউয়ের সামনে বসে ক্যারিশমাটা একবার দেখাতে পারলেই কেল্লাফতে। কিন্তু দেখাইটা কী করে! একই ঘরে বসে বউয়ের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ঘাপানোর ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই। নির্ঘাত ধরা পড়ে যাবো। বউ যদি একবার বোঝে, তার বরটি আদপে গেঁড়ুনে, তাহলে আমার মানহানির আগেই তার জীবনহানি না হয়! সত্যি বলতে কি, আমিও বড্ড বউবাতিকে। চোখে হারাই তাকে! এদিকে না ঘাপালে তো আমি ফুটো গোবিন্দ। কী যে করি! টেনশনে আমার ঘুম, খাওয়া, হাগা, মোতা, চান, সব মাথায় উঠলো।​

​ ​ ​ ​ ​ সেদিন বিকেলে বারান্দায় বসে বসে ভাবছি, এতোকাল ধরে যা গ্যাঁড়ালাম, তার থেকে একটু আধটু নিয়ে বারোভাজা বানালে কেমন হয়! আবার ভয়ও লাগছে, বউটা আমার স্মৃতিধরী। একবার যা মনে আর মাথায় ঢোকায়, কুতুবমিনারের মতো সেটা ঝকঝকে হয়েই থাকে। সাতপাঁচ চিন্তার জালে ফেঁসে আছি, এমন সময়, বউয়ের দু কাপ চা হাতে রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ।​ বেতের সেণ্টার টেবিলটায় চায়ের কাপ নামিয়েই বগলদাবা অস্ত্রগুলো বের করে সামনে উঁচিয়ে ধরলো,​

----- নাও শুরু করো।​

----- কী শুরু করবো?​

----- তোমার যুদ্ধ ।​

----- ধুর! এভাবে হয় নাকি!​

----- কেন হবে না? আলবাত হবে। আমার স্বামী কি হেঁজিপেঁজি কেউ? নাও শুরু করো। আমি মোবাইলে ভিডিও করে ফেসবুকে দেবো। একখানা দুর্দান্ত হেডলাইন ভেবে রেখেছি ---- "প্রিয় পতিদেবতার পাওয়ারফুল প্যাসন"! দারুণ না? কী গো, শুরু করো।​

​ ​ ​ আমি ততক্ষণে ল্যাজ আর গোবর গুলিয়ে ফেলে কার ঘাড়ে কাকে চাপাচ্ছি, মনে নেই। শুধু মনে পড়ছে,​ আমি করোনা নামক অপদেবতাটির কাছে একমনে প্রার্থনা করে চলেছি --- সর্ষে, ঝাঁটা, তেল, জল, কোনো কিছুর কসুর রাখবো না মা, বিদেয় হ'! আমাকে বাইরে বেরোতে দে। কতক্ষণ পরে খেয়াল হলো জানি না, দেখি আমি সৈনিক বেশে যুদ্ধের ময়দানে দাঁড়িয়ে আছি, আর আমার বউ আদুরে মুখখানা গরবে ফুলিয়ে আমার যুদ্ধজয় দেখার অপেক্ষায় রয়েছে।​

​ ​ ​ ​ যা আছে কপালে! আজ রণাঙ্গনে নামতেই হচ্ছে।​ হারজিত পরের কথা, আগে যুদ্ধটা তো করি! হাতে তুলে নিলাম তরোয়াল, ঢালটি সযত্নে টেবিলে পাতলাম। অস্ত্রচালনা করতে গিয়ে বুঝলাম, এতোকাল যা গেঁড়িয়ে নিজের বলে মগজে পুরেছিলাম, তারা পালিয়েছে। এখন উপায়! তরোয়াল থামালেই বউ ক্যাচ অ্যান্ড কট। মরিয়া হয়ে হযবরল ছন্দে তরোয়াল ঘোরাচ্ছি ---- ঘোরাতে ঘোরাতে চক্রব্যূহে ঢুকে পড়েছি ---- বেরোবার রাস্তা পাচ্ছি না ---- ছটফট করছি। হঠাৎ চোখ পড়লো বউয়ের দিকে। ছলছলে চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি বুঝতে পারছি, আমি হেরে যাচ্ছি। গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছি। আমার গেঁড়ানো বৃত্তির খেল খতম। হঠাৎ বউ বলে উঠলো,

----- শেষ করো, আজই। কোনো অজুহাত চলবে না।​

​ ​ ​ ​ ভ্যাবাচ্যাকা অবস্থায় বেশ কয়েকটা হেঁচকি তুলে ফেললাম। মনে হলো, হেরো সৈনিককে ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। ব্রেনে কিংবা হার্টে কোথাও কোনো সাড় পাচ্ছি না, শুধু দেখছি বেসামাল হাত ছুটছে। কখন কেমন করে রাত গভীর হলো জানি না। সম্বিত ফিরলো বিছানায়, বউয়ের কথায়,​

----- এতোদিন যেগুলো তোমার নামে বেরিয়েছে, একটাও তোমার নয়। কেন করেছো চুরি?​

​ ​ ​ ​ ধরা পড়ে গেছি। আসল লোকটার কাছেই। আর পালিয়ে লাভ নেই।​

----- উমা, আমার ছোট থেকেই লেখক হবার খুব শখ ছিল। বেশ নামডাক হবে, সবাই সম্মান করবে। অথচ....​

----- অথচ কী ?

----- আমি তো জানি, আমার ক্ষমতা নেই লেখার। তাই বেছে বেছে অনামী বইপত্তর থেকে অনামী লেখকের ভালো লেখা টুকে নিয়ে একটু আধটু রদবদল করে...

----- ছিঃ! শেষে কুম্ভিলক বৃত্তি! জানি,​ সাহিত্যের কারবারে যুগ যুগ ধরে এটা হয়ে আসছে।​ কিন্তু....​

----- তুমি যে বুঝে যাবে, যদি জানতাম....​

----- কী করতে? লিখতে না ?

----- বিশ্বাস করো, আমি লিখতে চাই নি।​

----- এটাই এখন আমার সবচেয়ে আপশোস, কেন লিখতে চাও নি? তুমি কি তোমার লেখাটা পড়েছো?​

----- মানে!​

----- এতোদিন যা চুরি করেছো, সেসব লেখা এর ধারেকাছেও যেতে পারতো না!​

----- উমা, প্লিজ অপমান কোরো না।​

----- যা সত্যি, তাই বললাম।​ শোনো তবে, আমার পড়ার অভ্যাস যে কতটা, সে তুমি জানো। যেদিন তুমি লুকনো পত্রিকাগুলো বার করে তোমার নামে লেখাগুলো দেখালে, সেদিনই আমি চিনতে পেরেছিলাম, ওগুলো আমার আগে পড়া।​ তবু আরেকবার আসল লেখাগুলো বার করে যাচাই করে নিলাম একবার। তারপর আজ তোমার হাতে খাতা কলম ধরিয়ে দিলাম।​ আজ যদি তোমার হাত থেকে এটা না বেরোতো, তাহলে আমিই বেরিয়ে যেতাম তোমার বাড়ি থেকে। তুমি বেশি পড়ো না বলে জানো না, প্রতিটি লেখকের একটা নিজস্ব শৈলী থাকে। কোনো একজনের লেখায় এমন বিচিত্র শৈলী থাকতেই পারে না।​

----- তুমি এতো সব জেনেও ওগুলো সোস্যাল মিডিয়ায় দিলে?​

----- না দিই নি।​ তোমাকে মিথ্যে বলেছি। তোমার ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ নেই, তাই ধরতে পারো নি। কিন্তু এবার দেবো। খুব স্পষ্ট করে দেবো।

----- কী দেবে?​

----- 'কুম্ভিলকের সাজা' --- তোমার নিজের লেখা গল্প। আমি জানি, আজ তোমার ভেতর থেকে কলম যেটা টেনে বের করে এনেছে, সেটা আগ্নেয়গিরির ওপরের লাভা। ভেতরে ঠাসা আছে আরো অনেক। বিস্ফোরিত হবেই। আর চুরি করতে পারবে না।​

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.