x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০

■ পিয়াংকী | অব্যক্ত

sobdermichil | নভেম্বর ৩০, ২০২০ | | | মিছিলে স্বাগত
■ পিয়াংকী | অব্যক্ত

আয়ু থেকে চ্যুত হচ্ছে যোগঅঙ্কের হিসেব​
জীবিত অধ্যায়ে আমি শুধুমাত্র ভাগফল মেলাতে ব্যস্ত ।​

রোদের দুয়ারে ক্লান্তিহীন দুটো টলটলে চোখ , মাটির দাওয়ায় রাখা একমুঠো শীতলতার গায়ে অহংকার লেপ্টে রেখে ফিরে গেছে স্বঅস্তিত্বে । রোদ ঝাঁ ঝাঁ তেজালো দুপুরে এখন শুধুই শূন্যতার শব্দ ।​

উপায়ী পুরুষের বুকে যেমন খড়কুটো জ্বলে অহোরাত্রি তুমি তেমন করেই সাঁওতাল রমণীর কালো কুৎসিত শরীর দীর্ঘনিশ্বাসে জেরবার করে তোলো ।

​প্রতি পলকে আমার দেহ স্তব্ধ হয়ে যায়।​ কাব্যগ্রন্থগুলোর ধুলো ঝেড়ে আবার সাজাই ওদের বিবাহবাসর​ তবুও জলশোক ঝরে পড়ে না দুপক্ষের কোনো দিকেই ।​

অথচ মনের কোণের যে​ চিলেকোঠায় গত তিনরাত আশ্রয়হীন লুটোপুটি খেলাম , নিজের প্রথম একফর্মার কাব্যগ্রন্থের সবচেয়ে প্রিয় কবিতাটা আবৃত্তি করবার বৃথা চেষ্টা করলাম,​ গলা চিরে গাইলাম বেসুরো নজরুলগীতি  ....কই কোনো প্রতিবেশীটা এসে তো শোরগোল করেনি আমার উঠোনে​

বরং লালন সাঁইয়ের ডেরায় তারা দর্শন পড়ে , নির্বিবাদে বাজি রাখে নিজের প্রথম প্রেমের উপহার , নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রুপম ইসলামের জীবনমুখী গানে বুকে গজিয়ে তোলে শিকড়, ধর্মগ্রন্থের পাতা ছিঁড়ে রুজিরুটির ঠোঙ্গা বানায়​ আবার সেই -ই রবিঠাকুরের জোড়াসাঁকোতে বসে মুক্তির শ্লোগান লেখে ...

এতসব ঘটে যায় নিয়মমাফিক নিঃশব্দে নিস্তব্ধতায় ।

পাপপূণ্য হিসেবখাতা টানাপোড়েন লড়াই​ সংসার কবিতা যৌনতা সবার কোঠা পূর্ণ করবার পর টুকরো-টাকরা যা পড়ে থাকে , মাছকাটার আঁশবটিতে কুচোবো বলে তাদের নিয়ে বসি ভরা সন্ধ্যার তুলসীতলায় ,​

ভরন্ত আকাশের সাথে সঙ্গমের কুলোয় পেঁচিয়ে ওঠে ময়ালসাপ আর আমি তারই জন্য খুঁজতে থাকি নেউল ।

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.