x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০

■ সঞ্জীব সেন / মন না মতি

sobdermichil | অক্টোবর ২১, ২০২০ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
■ সঞ্জীব সেন / মন না মতি

“ঘুমের দরজা ঠেলে” এমন কোটেশনে মন সত্যিই ভালো হয়ে যায়, চিন্ময় গুহর উদ্ধৃতি এটি, ঋণস্বীকার করেই বলছি এখন তো মানুষের মন না মতিই সব । 

ঘুমের দরজা ঠেলে ​ শপিং মলের ভিতরে এসে দাঁড়িয়েছি। দেখছি হদ্দ গ্রাম থেকে শহরে এসেছে দুজন। শপিং মলে কসমেটিক গয়না কিনছে। কানে গলায় দিয়ে দেখছে, আর বরকে বলছে কেমন লাগছে, বর ইশারায় জানাচ্ছে লা জবাব, আমি ভাল করে দেখলাম জোৎস্নারানিকে। পেটাই শরীর কথাবার্তায় পূর্ববঙ্গীয় ​ ছাপ, বলছে গ্রামে ফিরে যাবে না আর এই শহরেই ঝা ঝকঝকে একটা ফ্লাটে থাকবে ভাবলাম এখন তো মন না সব মতিভ্রম, বর বলছে সম্ভব নয়, তার ব্যবসা সব গ্রামে, শহরে এলে হালে পানি পাবে না, এবার ওরা হোটেলে খেতে যাবে। সারাদিন ঘুরবে, কেনাকাটা করবে । কথাগুলো জোড়ে জোড়ে বলছে, আশেপাশে কেউ শুনছে কিনা কুছু পরোয়া নেই । ওরা চলে যেতে আমি আরাকদিকে মন দিলাম, একজন বলছে বালক ভোলানাথ এসেছে, গায়ে ছাই ভস্ম মেখে ​ আর একজন বলছে ওরা তো বহুরুপি!

আমি ভাবছি অন্য কথা এতদিন যা শুনেছি সব ভুল ! কিভাবে আকুল গাঙ হয় কথামালা, কি ভাবে শব্দ গুলো, দুঃখ হয়ে যায়, এগুলোর কোন ব্যাখ্যা হয় না কবিতায়, জানি না আমি, আপনি কি জানেন! 

আমি তো এতদিন জানতাম, প্রতিটি গৃহস্থ সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজলে ঘর মন্দির ​ হয়ে যায়, আর ঘরণী হয়ে যায় লক্ষী পয়মন্ত। এখন আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এখন মন না মতি মেগা সিরিয়াল গিলে নিচ্ছে প্রতিটি সন্ধ্যা, ৩৬৫টি গ্রাম ২৫৮শহর ঘুরে এসে আমার এই সিদ্ধান্ত, হবেই না কেন, নাইট্রোজেন সারে হাইব্রিড খেয়ে বড় হচ্ছি প্রতিদিন, রঙের গ্যারান্টি দিতে পারবো না দাদা, তবে জিনিসটা ভাল, সপিং মলে সারা বছর ধরে সেল ঠেলা গাড়িতে ফুলছাপ ব্রা শোকেসে সাজালেই হয়ে ওঠে ​ জকি, গ্রামের মেয়েদের পর্যন্তও বোঝাতে হয় না আর।

শপিং মল থেকে বেরিয়ে দেখি, সামনে এক সেই বালক বহুরূপী। ​ ​সবাই বলল , কেদুলীর মেলা ছেড়ে শহরে এসেছে ,সামান্য বেশী রোজগার হয় যদি, আর কেউ না চিনুক আমি তো চিনেছি, আপনিই তো, ​ সেই শিশু ভোলানাথ, স্বর্গ থেকে নেমে এসেছেন , মর্তের মাটি নিয়ে স্বর্গ স্বর্গ খেলবেন বলে, আপনারও কি মন না মতিভ্রম ।

এবার যদি ধর্মের ষাঁড় লেলিয়ে দিই পালাবার পথ পাবেন না আপনি, ধর্মের ষাঁড়ে দেশের গণতন্ত্র কাঁপছে  এখন। গোটা দেশে একই ছবি, ভেবেছিলাম ষাঁড়ের ​ চোখে লাল কাপড় বেধে দৌড় করবো আর বলবো , খাড় কাচতে সাবানের দরকার পরে , বুঝবে তখন , ঠিক তখনই কেউ যেন বললো কোন সময়ে দাঁড়িয়ে আছো দেখেছো,এখন মানুষের মন না মতিই সব যেমন রঙের কোন গ্যারান্টি নেই, বেশী কাচলে কিন্তু কিছুই থাকবে না।


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.