x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০

নিশিকান্ত রায়

sobdermichil | অক্টোবর ২১, ২০২০ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
দেবতার  মায়াবী খেলায়​

■ দেবতার 
মায়াবী খেলায়

পাথরেও আগুন ছিল এখন সেও নদী​
প্রশ্ন করেছি তাঁকেও।​
তাঁর বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়েছি।​
যেতে আসতে আলিঙ্গনে আলিঙ্গনে কেটেছে​
যৌবনের অনেকটুকুই।​
পাথর আমাকে ছুঁয়েছে ঠিকই কিন্তু বলেনি কিছুই।​
আমার সব কথা শুনেছে কিন্তু বলেনি কিছুই।​
আমার দগ্ধ বাড়ির ছাই ঢেউ তুলে​ নিয়ে গেছে নদী​
কিন্তু বলেনি কিছুই।
পাথর চুইয়ে আসা জলে জলে নদীর শরীর​
আমার গত জন্মের চিতাভস্মকেও নিয়ে গেছে দূরে।​ ​
ওই বন্দী জলের নির্বাক যৌবন অসহায় বয়ে যাচ্ছে।​
আমি জল নিয়েছি, মাটি নিয়েছি তার সাথে যা যা ইচ্ছে​
মিশিয়েছি আমার মনের মতোন -
তবুও রক্ষা হয়নি শেষটুকু।​
এখনও অবহেলা চারদিকে।​
অবিশ্বাসের কালো কাক ডেকে যায় রাতদিন।​
মানুষের পেট থেকে অমানুষ আজও বের হয়ে আসে।​
রোদ বৃষ্টি ঝড় জলোচ্ছ্বাস মহামারী এক নির্বোধ নগরের
সেপাই হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।​
বৃন্তচ্যুত ফুলের উৎসবে আমাকে হারিয়ে ফেলি ।​
আমাকে আজও দেখতে পাই না আমি
এবং ভুলে যাই, আমি মানুষ না দেবতা!
আমার দুপারেই শূণ্যতা ভরা মাঠ।​
মানুষ ও অসুরের সংঘাতে সংঘাতে ঢেকে গেছে পথ।​
সভ্য অসভ্যের লড়াইয়ের মাঝখানে স্বর্গের ছায়ার মিছিল-
দাঁড়িয়ে থাকে চুপচাপ।​
বারবার বিপন্ন হয়ে যায়​ মানুষ।
পশু ও অসুরের পরম্পরা ফিরে ফিরে আসে লোকালয়ে।​
কতটুকু গদ্য পদ্য হাহাকার নিয়ে মানুষেরা পণ্যময় হয়ে যায় -
তার হিসেব থাকে দেবতার কাছে।​


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.