x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০

রত্নদীপা দে ঘোষ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রত্নদীপা দে ঘোষ

ঈশ্বরযাত্রা


৬।।

তোমার অন্দরে যাবার এত আনন্দ!
সারাটা পথ অজস্র সলমাগাছ কবিতাপাঠ গানচুমকি
সবুজ নববর্ষে রঙিনদূর অজস্র শালিখ, গণবিবাহের রোদ পোহাচ্ছে
তাদের ডানামাঠ গানের সরগম, আলপথের বাহুতে সূর্যমন্ত্রবীজ
তোমার অন্দরে যাবার আনন্দ এমন মারকাটারি যে আমার মতো
একজন কবিতা-ছুতোর অবধি সারাতে শিখছে চাঁদের সাইকেল

৭।।

তুমি সেরা বসন্তনোলক

অপরাহ্ন পরা গোধূলি মসলিন, তারানগরের বাক্যাংশে একাই তুমুল নগরায়ন
তোমার কক্ষপথের অট্টালিকারা, নায়িকাদের কোমরের মতো মাপমতো উজ্জ্বল!
তুমিভক্ত এক খ্যাপা মৌমাছি আমি, মৌচাকের ছাদে বসে তোমার যতোমত রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করছি

আর তুমি? একটু একটু মুচকি আমাকে আর হেসে গড়িয়ে তোমার কোমরের বাঁক মেলে দিচ্ছে ডালপালা ততোপথ

৮।।

চোখ আছে, দেখতে পাইনে তোমাকে। আছে ওষ্ঠ, চুম্বন পারিনে টের
অক্ষরপাঠ হয়নি, তাই তো তোমার বইবিপণীতে প্রবেশের নেই অধিকার
ভিক্ষাপাত্রে বসবাস কাঙালের। তা’বলে একবার আসবে না অলাতদুপুরে?
অমৃততরুমূল তুমি আত্মশিব। যতোই তছনছ হোক বৃষ্টিকমল
কথাকলির শেষপ্রান্তে আছে জানি একরাশ আদরচূর্ণ বরাভয়

৯।।

অনেক কথা জমে আছে আমাদের
নদীস্বর দাবদাহ হরিৎ নির্মাণ একতাল চন্দন অপটু হাতে মেয়ে বেটেছিল কাল
মেয়ের বাবা অগোছালো মানুষ, তবু গুছিয়ে রেখেছে ঋণস্বীকারের দিগবলয়
ছায়াঘড়ির কাঁটা সময়ের কবজি আঁকা গতে বাঁধা ঘরের দেওয়ালটি অবধি টানিয়ে রেখেছে ঝলমল অনটন
তিনজনে দীনসংসারের ছেঁড়াফাটা বৈভব রেখেছি জমিয়ে দীর্ঘকাল। এক মাঘে যায় না শীত, তাই দু’দুখানা কাঁথাকাল

প্রার্থনা এইটুকু

অবেলায় সোয়েটারফুলের চাবি যেন খুঁজে পায় তরঙ্গজনের সেলাইকল

১০।।

অবাক কাণ্ড! দ্যাখা হল কিন্তু 
তেমন কথা হল না

কুসুম আসন জলের গেলাস 
এগিয়ে দিল মেয়ে

মেয়ের বাবা হাসিমুখে সাজিয়ে 
দিল অভ্যর্থনা
আমি চোখ আমি শুধু বৃষ্টি, কথা 
কইবো কী!

গ্রীষ্মশেষ বর্ষাঘোর কাটতে না 
কাটতেই তাঁর চলে যাওয়া

সেই থেকে দীনকুটিরে জাগ্রত 
আছেন ঔষধ আর নিরাময়












Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.