x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০

শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০২০ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

অচেতন

চলো ভুলে যাই নিজেদের ইতিহাস,
চলো ভুলে যাই ঘাতকের তরবারি;
শুধু মনে রাখি আরোপিত মিত্রতা,
আর্তনাদকে চাপা দেওয়া দরকারি।

লাগানো আগুন-- আমি বলি দাবানল,
বনভূমি দায়ী, মশালের দোষ নয়।
বেশ ভুলে আছি অতীত পরম্পরা—
পুথিপত্রের ভস্মে জ্ঞানের লয়।

লুণ্ঠিত নারী অথবা জহরব্রত
যদি হয়ে থাকে সে তো সনাতনী ক্ষয়।
এখনও বইছে রক্ত স্রোতের নদী—
চোখ বুজে ভাবি এমন কতই হয়!

চলো আঁকা ভুলি ভবিষ্যতের ছবি,
আঁধার আঁকতে কটাই বা রং নেব?
একখানি চোখ বাঁচানোর অভিলাষে
অন্যটি নয় উপড়ে ফেলতে দেব!

চলো খুঁড়ে তুলি নিজেদের ইতিহাস
চলো কেড়ে নিই ঘাতকের তরবারি,
মাটিতে রক্ত বাতাসে দীর্ঘশ্বাস
এ আর্তনাদ তুলে ধরা দরকারি।

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.