x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০

নিবেদিতা ঘোষ মার্জিত

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০২০ | | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।

স্রষ্টাকথা, নিবেদিতা ঘোষ মার্জিত

১।।

সাপটা​ অজগর সেটা নিশ্চিত হল মুগা। তিনদিন থেকে ওদের সবচেয়ে ছোট বাছুরটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। জঙ্গলের এই দিকে খুব একটা আসে না মুগা। নদীর ধারে ওদের ঘর ঘেঁসে ওরা ভাইবোনরা সবাই খুব খেলা করে। কিন্তু দুধ খাওয়া বাচ্চাটাকে ডেকে ডেকে কাজলি গাই যখন পেল না তখন মুগা একটুও ভয় না পেয়ে জঙ্গলে এলো। জঙ্গলের মধ্যে ঢেউ তোলা পাথুরে টিবি গুলোর আশে পাশে বাছুর টাকে খুঁজতে খুঁজতে বেশ অনেক দূর চলে এসেছে মুগা। নীলসাদা ফুলে ঢাকা পাথর টার নীচে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছে সাপ টা। এর আগে সে কখন এতো বড় সাপ দেখেনি।পেট টা ফুলে আছে। ডানদিকে যে শিমুল গাছটা আছে তার​ নীচে সাপের খোলস।বিকেলের রোদ পড়ে আসছে। মুগার খুব রাগ হল। বেচারি কাজলি গাই। বাছুর টাকে এই সাপটায় খেয়েছে। জঙ্গল থেকে খুব দ্রুত গতিতে দৌড়ে ঘরে ফিরতে লাগল মুগা। এই ব্যাপার টা সবাইকে জানানো দরকার। ওদের বসতির অন্য গরুদের চেয়ে একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে কাজলি গাই। এখনো হাম্বা হাম্বা করে ডাকছে বাছুর টাকে। মা কে ঘরে পেল না মুগা। নদীর ধারে ছুট লাগাল। মা অনেক মাছ নিয়ে ফিরছে। সাথে সবচেয়ে ছোট ভাই। মুগা চিৎকার করে জানায় অজগর সাপের কথা। মা ভয় পায় ।উদ্বিগ্ন হয়ে তাড়াতাড়ি ভাই কে কোলে নেয়। সন্ধ্যেবেলা মাতব্বর আর পাড়ার সাদাচুলের বুড়োরা সব্বাই এক হয়ে যখন এক সাথে বসল ,তখন অজগরের কথা বলল মুগা। মুগা ভেবে ছিল সবাই এক্ষুনি তীর ধনুক নিয়ে ছুটবে অজগরটা কে মারতে। কিন্তু সে সব কিছুই হল না। সবাই হাই তুলে ঘুমোতে চলে গেল। বাবা ঘরে এলে মুগা বলল,“ বাবা তীর ধনুক নিয়ে চল। আমি জানি সাপটা কোথায় আছে।”বাবা একেবারে রাজী নয়। মুগা কাঁদতে শুরু করে। বাবা মুগার মাথায় হাত দিয়ে বলে,“তুমি বড় হয়েছ মুগা।অজগর সাপের খিদে পেয়েছিল। সদ্য শীত চলে গেল কিনা। ওদের শীতের ঘুম ভাঙলে খুব খিদে পায়। আর কদিন পরে গভীর জঙ্গলে চলে যাবে।” মুগা বলে, “কাজলি গাই খুব কাঁদছে বাবা।” বাবা নিঃশব্দে হাসে। বাবা আর মুগা দুজনেই পাশাপাশি শুয়ে পড়ে। ঘুম আসার আগে মনে মনে মুগা ঠিক করে বড় হয়ে সে একটা অজগর ধরবার জাল বানাবে।

মুগার সারাদিন কাটছে জাল বুনতে। সে ভেবেছিল ব্যাপার টা খুব সোজা।​কিন্তু কাজটা এগোচ্ছে না। সাপটা কাল বিকেল থেকে আর পাথরের পাশে নেই।কোথায় যে গেল? ভাই কে আগলে আগলে রাখে মা। রাতে খুব বৃষ্টি আসবে বোঝা যাচ্ছে। তাই সব্বাই উঁচু জায়গাতে তাদের​ জিনিসপত্র তুলে নিয়ে যাচ্ছে। কাজলি গাই, হাঁস মুরগি সব কিছু নিয়ে তারা জঙ্গলের উঁচু জায়গাটাতে উঠিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে। রাতে পাহাড় জঙ্গল ভাসিয়ে খুব বৃষ্টি এলো।নদীর জল উপচে উঠে ওদের বসতির বেশ কিছুটা অংশ প্লাবিত করল। মুগার জালটা ভিজে খারাপ হয়ে গেল।মন খারাপ হয়ে আছে মুগার। ভাই ঘুমাচ্ছে মায়ের কোলে। সারা জঙ্গল কাঁপিয়ে বাজ পড়ল। বড় বটগাছের ওপর। সব্বাই দেখল দাউ দাউ করে গাছটা জ্বলছে। আলোর ঝলকানিতে মুগা দেখতে পেল অজগর। তার মা আর ভাই পাশের ভাঙ্গা কাঠের গুঁড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।ঠিক তার পাশে। বৃষ্টির সাথে বাতাসের খুব চাপ। মুগা হাতে শক্ত করে ধরে নেয় কঞ্চিটা। ধীর পায়ে সে এগোতে থাকে অজগরের দিকে। গুঁড়িটাতে যে গর্তটা আছে। তার ভেতরে ঢুকে আছে অজগর।লেজটা খপ করে ধরে ফেলে মুগা। বৃষ্টির ঠাণ্ডা জলের চেয়েও ঠাণ্ডা ওর গা। পেটটা খুব মোটা। একে টেনে বার করে এবার গেঁথে দেবে কঞ্চি। আবার চারিদিক কাঁপিয়ে বাজ পড়ল। মনটা অন্য রকম হল মুগার। ছেড়ে দিল সাপটাকে। কোন এক শুকনোদিনে। সামনা সামনি যুদ্ধ করবে এটার সাথে। এভাবে মারতে তার ইচ্ছে হল না।সাপের উদ্যত অবস্থার সাথে মোলাকাত করবে সে। তবে না সব্বাই বলবে মুগা কত বীর।

২।।

ফলটা দু হাতে চাপতেই বেগুনি রসে হাত টা রঙ্গিন হয়ে গেল কিরির, তাই দেখে তার বড় দিদির দিকে তাকিয়ে হেসে ওঠে সে। ফলটা খেতে ভালো নয়, কষ কষ। কিন্তু হাতটা বেগুনি হয়ে গেল। মাটিতে কয়েক ​ ফোঁটা রস পড়েছে সেটাও বেগুনি। কিরির দাঁতের মধ্যে খানে ফাঁক।দাঁত পরে গেছে। মাড়ি নরম,নুন নুন স্বাদ।কেবল জিব লেগে যায়।কথা বললে ফুস ফুস করে হাওয়া বার হয়ে যায়। দিদি তাকে দেখে হেসে ওঠে।বেগুনি রং খুঁজে পাওয়ার পর তার কাছে মোট চার রকম রং এর সংগ্রহ হল। হলুদ গাছের গোড়া থেকে পাওয়া হলুদ, পোড়া কাঠের কালো,সাদা পাথরের সাদা রঙ আর এই বেগুনি ফলের বেগুনি রঙ। খুব ইচ্ছা তার সন্ধ্যেবেলার সূর্যের রঙ এর মতো যদি পাওয়া যায়। খুব খুঁজছে কিরি। কিরি একটু দুর্বল। অন্যদের সাথে মারামারি করতে পারে না। পালিয়ে যায়। দিদির কাছে কাছে থাকে। পাহাড়ের উঁচুতে চ্যাটালো যে ফাঁকা যে জায়গা টা আছে। ওরা ঐখানে থাকে। ওখান থেকে গোটা বন দেখা যায়।দাবানল লেগেছিল যে সময় ,তখন ওরা ওপর থেকে আগুন দেখেছিল।গোটা বন ধূধূ করে জ্বলছিল। কিন্তু ওদের কোন ক্ষতি হয়নি। নতুন করে গাছ গজিয়ে আবার সবুজ হতে শুরু করেছে অরণ্য।এই রঙ বদলে যাওয়া দেখতে কিরির খুব ভালো লাগে। আজ কিরির বাবা আর কাকা শূকর শিকার করে নিয়ে এসেছে। খুব আনন্দে সব্বাই হই হই করছে। শূকর টার দিকে তাকিয়ে কিরির মনে হল আরে এটা দেখতে তো খুব মজার। নাকটা কেমন থ্যাবড়া মতো। আগেও শূকর মারা হয়েছে ,কিন্তু তখন এভাবে দেখেনি কিরি।আর ল্যাজটায় বা কি মজার মতো। ছোট্ট মতো পাকানো। সব্বাই যখন হইহই করে শূকরের পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে তখন কিরি পাহারের উঁচু খাঁজটা তে উঠে যায়। ওখানে কাঠ পোড়া কালো কালো টুকরো গুলো লুকানো আছে। তার একটা ঘষে ঘষে সুচালো করে নিয়ে পাথরের ওপরে আঁকতে থাকে কিরি। নাক থ্যাবড়া শূকর টার আকৃতি গড়ে ওঠে​ ধীরে ধীরে। লেজ টা কেও নিখুঁত ভাবে এঁকে দ্যায়। নীচ থেকে দিদি চিৎকার করে ডাকে । সব্বাই খেতে শুরু করে দিয়েছে । কিরি দেরী করলে তার খাবার থাকবে না। কিরি নেমে আসে । অর্ধেক এঁকে নেমে আসার তার ইচ্ছে ছিল না। ঝলসানো শূকরের মাংস হাতে নিয়ে কিরি ওপরের দিকে তাকিয়ে ভাবে, ইস যদি খুব বড় করে শূকরটাকে আঁকা যেত । এরপর একটা খুব বড় করে কিছু আঁকবে। ওটা ওই দূর গহীন জঙ্গল থেকেও দেখা যাবে।সব্বাই অবাক হয়ে যাবে।​ কে এমন ছবি তৈরি করেছে ? এই তাদের কেবল মনে হবে। ​

৩।।

ভেড়ার সংখ্যা গুনে সাবুক চিৎকার করে ওঠে। এভাবে কমতে থাকলে খুব মুশকিল। সাবুকের ওপরে বৃদ্ধ রাজা খুব রাগ করবে। সাবুকের সহকারী তার আশপাশ থেকে সরে পালায়।বৃদ্ধরাজার এই অকারণ মেজাজ সাবুকের আর সহ্য হয়না। সেই কোন কালে বর্ষার সময় গ্রামের সব্বাই কে বন্যা থেকে বাঁচিয়ে এই উঁচু জায়গাতে নিয়ে এসেছিল ।সেই থেকে সবার ধারনা রাজা আকাশের গুমগুম করে ডাকা মেঘেদের ​ শাসন করতে পারে। বনের শ্বাপদ থেকে বাঁচাতে পারে। সাবুক আর পারে না। তারও তো কত বয়স হল। হাতে যত আঙুল আছে তার চেয়ে বেশী দাবানল দেখেছে।রাজাকে দেখতে নদীর ওপার থেকে এক নতুন ওঝা এসেছে। সে কিসব গুঁড়ো আর পাতা বেঁটে খাওয়ায় রাজাকে। রাজা নাকি আবার আগের মত বল্লম ছুঁড়ে শিকার করতে পারবেন। যদিও এখনো কোন উন্নতি দেখতে পাচ্ছে না সাবুক। লোকটা কে সাবুকের একদম পছন্দ নয়। সাবুক মন্ত্রী হিসাবে তার কাছ কিছু সম্মান আশা করে। তার আচরণ একেবারে ভালো লাগেনা সাবুকের। বেচারি রাজবৈদ্য আজকাল বড্ড মনমরা হয়ে থাকে। তার প্রতিপত্তি এই ওঝা শেষ করে দিচ্ছে। রাজবৈদ্য র সাথে বসে ওঝার ব্যাপারটা সামলাতে হবে। যাই হোক কিন্তু এতোগুলো ​ ভেড়া কমে গেলে খুব মুস্কিলে পড়তে হবে। এই চিন্তায় খুব দ্রুত হাঁটতে থাকে সাবুক। রাজার থাকার জায়গাটা ঘিরে যে মাটির দেওয়ালটা আছে,সেটার পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে সে। হঠাৎ দেখে জঙ্গলের দিকের রাস্তা থেকে প্রায় দৌড়তে দৌড়তে আসছে রাজবৈদ্য। পেছনে অস্ত্র হাতে আরও কয়েকজন। তারও পেছনে রাজার ছোট ছেলে কে ধরাধরি নিয়ে আসছে অন্য যোদ্ধারা।আজ দক্ষিণের বনে হরিণ শিকারের উৎসব ছিল ।সকলে জানাল নেকড়ে বাঘের আক্রমনে এই অবস্থা হয়েছে। রক্তে​ ভেসে যাচ্ছে শরীর। রাজবৈদ্য আর নতুন ওঝা রক্তবন্ধ করার জন্যে খুব দ্রুত চেষ্টা করতে শুরু করে। কিন্তু সন্ধ্যে নামবার আগেই মারা গেল রাজার শেষ সন্তান। এর আগের আরও সাত জন নানা ভাবে মারা গেছে। বৃদ্ধ রাজা বুক চাপড়ে খুব কাঁদতে লাগল। সারা গ্রামে শোকের ছায়া। সব্বাই এই ছেলেটি কে খুব ভালোবাসতো।বীর ছিল সে। বড় বাঘ হোক কিনবা অন্য গ্রামের আক্রমন সে সব্বাই কে রক্ষা করত। শিকার করে আনা হরিণ গুলোকে শিয়ালে টেনে নিয়ে গেল। কেউ দেখল না। ভোরবেলা সব্বাই কান্না মুছে দেহ সৎকার করলো। নদীর ধারে বড় গোল গোল পাতার গাছের নীচে মাটি খুঁড়ে দেহ রাখা হল। তার কোমরের ছুরিটা সাথে দেওয়া হল। মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পর ওপরে একটা সুগন্ধি ফুলের চারা বসিয়ে দেওয়া হল। রাজা কেঁদে কেঁদে ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নিতে গেলেন।

৪।।

মুগা আবার জাল বানাতে শুরু করেছে।জাল বানানোর সাথে আজকাল একটা ধনুক বানানোর খুব ইচ্ছা তার।শাঁ করে তির চালাবে।এফোঁড় ওফোঁড় করে দেবে জন্তু। আকাশ থেকে নামিয়ে আনবে পাখি।হঠাৎ কি হোল নদীর ধার থেকে সকলে দৌড়ে মাঝের চাতালে জড়ো হচ্ছে।জাল বানানো বন্ধ রেখে মুগা দেখতে পায় একটা মাথায় মুকুট পরা, কোমরে বিরাট অস্ত্র নিয়ে একটা লোক। পাশে আরও অনেক গুলো অস্ত্র নিয়ে মুখে সাদা সাদা দাগ ওয়ালা মানুষ।মাতব্বর হাঁটু গেড়ে বসে কি যেন বলছে। বাবা, পাড়ার সাদা চুলের লোকেরা সবাই পা মুড়ে বসে গেল। মা আর অন্য সব মেয়েরায় হাঁটু মুড়ে বসে আছে। মুগা কে, মা ডাক দেয়। মুগাকেও বসতে হল। ফিসফাস শুনে বুঝল মুগা,হয়তো রাজার জন্যে মেয়ে নিয়ে যেতে এসেছে। ​ বাবা এই জন্যে রাজাকে পছন্দ করে না। বাবার দিদি কে নিয়ে গিয়েছিল অনেকদিন আগে। আর তাকে দেখা যায়নি।মাথায় মুকুট দেওয়া লোকটার নাম সাবুক। মাতব্বর সাবুক কে ঘড়ঘড়ে গলায় কি বলছে বুঝতে পারলো না মুগা। বাবা ছিটকে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “না , না, কিছুতেই না। আমার ছেলে মোটেই বুদ্ধিমান না, সে কিচ্ছু পারে না।বোকা... বিশ্বাস কর... একেবারে বোকা।গায়ে জোর নেই...” বাবা বলেই চলল ।মা তাড়াতাড়ি মুগা কে বলে ,“নদীর দিকে দৌড় লাগা । নদীর জলে ডুবে লুকিয়ে থাক।” মুগা তাড়াতাড়ি দৌড় শুরু করবার আগেই পায়ে কি যেন লাগলো। মুখে সাদা দাগ দেওয়া লোকগুলোর একটা তাকে ঘাড়ে তুলে নিল।

চলবে- 

©নিবেদিতা ঘোষ মার্জিত​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ 

​ ​ ​

Comments
1 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.