x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০

◆ সায়ন্ন্যা দাশদত্ত / চিঠি দিও,​ ইচ্ছে হলে

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০২০ | | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত / চিঠি দিও,​ ইচ্ছে হলে
ভালোবাসা একসময় ছিল। আজ নাই। সে তেমন বড় কথা নয়। কোলাহলমুখর দিনগুলি ফেলে আসতে হয়। গোছগাছের সময় মেলেনা। সদ্য নেওয়া লেমোনেডের ফেনা বলে দিচ্ছে... আমার একটি প্রেমিকপ্রবর আছে। তাকে আমি ভালোবাসি। ইচ্ছে হলে চিঠি লিখি। ইচ্ছে হলে ছিঁড়ে ফেলে দিই। ইচ্ছে না হলে শতজন্মেও মুখ দেখিনা তার।​

সেও দেখেনা।​

​সেও সুদিব্য নিজের কাজে থাকে। রোজগার করে। সিনেমা করে। পরনারীতে আসক্ত হয়। কাব্য করে। রেজালা বানায়। গল্প বানায়। ঘর বানায়। বৌ পোষে। বেড়াল পোষে। গাছ লাগায়। ঘুম লাগায়। আসমানি বেডরুম আর দোলনার পাশে ইচ্ছেখুশি জানলাটানলা লাগিয়ে ফেলে মাঝে।​

​একাকিত্বে ঘুম না এলে পরে সংসার খুলে মন লাগায় দূরে। ফোন করে। নম্বর লাগায়। একেকবার একেক নম্বর।​

​​শূন্য তিন শূন্য তিন নয়.... যিনি থাকেন, জ্ঞান বলতে নেই। হালকা পাগল। চুটকি একটা মেয়ে। ফ্রক পরে। অঙ্ক শিখতে আসে। তিনটে কুড়ি।​ ঘোষ স্যারের ঘর।​

​এক দুই পাঁচ তিনটে চারটে নয়। এখানে থাকেন সুশীলা গৃহবধূ। শঙ্খ বাজান। সন্ধ্যেবাতি দেন। রান্না করেন। ধোপার সাথে তর্ক করেন রোজ। এদুনিয়ায় সংসারটুকুই সৎ। মানুষটানুষ মিথ্যে গল্পকথা।​

​একে শূন্য দুয়ে পক্ষ তিন। মধ্যবয়সী। চশমা পরেন চোখে। হাসতে কষ্ট হয়। সন্ধ্যে নামলে হাঁটতে বেরোন একা। কাঁচাপাকা চুল। ডান হাঁটুতে ব্যথা। ডাক্তারবাবু ঘুমের বড়ি দেন। ভালোই থাকেন মনে না পড়লে সব।​

এনাদের নিয়ে এই এক হয়েছে মুশকিল। ল্যাচ ঘোরাও। ক্যালেন্ডারে ষোলো। আষাঢ়স্য প্রথম দিবস এলো। চিঠিপত্রের যুগ নেই তো আর। ছবি তোলো। ছবির নিচে আষাঢ়। ছবির ভেতর মস্ত একলা ছাতা। ভিজতে ভিজতে চলে যাচ্ছে নারী। আষাঢ় এবং শ্রাবণে ভরা দিন। একলা কাটছে। একলা বাড়ছে ঋণ।

©সায়ন্ন্যা দাশদত্ত


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.