x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০

◆ সায়ন্ন্যা দাশদত্ত / চিঠি দিও,​ ইচ্ছে হলে

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০২০ | | | মিছিলে স্বাগত

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত / চিঠি দিও,​ ইচ্ছে হলে
ভালোবাসা একসময় ছিল। আজ নাই। সে তেমন বড় কথা নয়। কোলাহলমুখর দিনগুলি ফেলে আসতে হয়। গোছগাছের সময় মেলেনা। সদ্য নেওয়া লেমোনেডের ফেনা বলে দিচ্ছে... আমার একটি প্রেমিকপ্রবর আছে। তাকে আমি ভালোবাসি। ইচ্ছে হলে চিঠি লিখি। ইচ্ছে হলে ছিঁড়ে ফেলে দিই। ইচ্ছে না হলে শতজন্মেও মুখ দেখিনা তার।​

সেও দেখেনা।​

​সেও সুদিব্য নিজের কাজে থাকে। রোজগার করে। সিনেমা করে। পরনারীতে আসক্ত হয়। কাব্য করে। রেজালা বানায়। গল্প বানায়। ঘর বানায়। বৌ পোষে। বেড়াল পোষে। গাছ লাগায়। ঘুম লাগায়। আসমানি বেডরুম আর দোলনার পাশে ইচ্ছেখুশি জানলাটানলা লাগিয়ে ফেলে মাঝে।​

​একাকিত্বে ঘুম না এলে পরে সংসার খুলে মন লাগায় দূরে। ফোন করে। নম্বর লাগায়। একেকবার একেক নম্বর।​

​​শূন্য তিন শূন্য তিন নয়.... যিনি থাকেন, জ্ঞান বলতে নেই। হালকা পাগল। চুটকি একটা মেয়ে। ফ্রক পরে। অঙ্ক শিখতে আসে। তিনটে কুড়ি।​ ঘোষ স্যারের ঘর।​

​এক দুই পাঁচ তিনটে চারটে নয়। এখানে থাকেন সুশীলা গৃহবধূ। শঙ্খ বাজান। সন্ধ্যেবাতি দেন। রান্না করেন। ধোপার সাথে তর্ক করেন রোজ। এদুনিয়ায় সংসারটুকুই সৎ। মানুষটানুষ মিথ্যে গল্পকথা।​

​একে শূন্য দুয়ে পক্ষ তিন। মধ্যবয়সী। চশমা পরেন চোখে। হাসতে কষ্ট হয়। সন্ধ্যে নামলে হাঁটতে বেরোন একা। কাঁচাপাকা চুল। ডান হাঁটুতে ব্যথা। ডাক্তারবাবু ঘুমের বড়ি দেন। ভালোই থাকেন মনে না পড়লে সব।​

এনাদের নিয়ে এই এক হয়েছে মুশকিল। ল্যাচ ঘোরাও। ক্যালেন্ডারে ষোলো। আষাঢ়স্য প্রথম দিবস এলো। চিঠিপত্রের যুগ নেই তো আর। ছবি তোলো। ছবির নিচে আষাঢ়। ছবির ভেতর মস্ত একলা ছাতা। ভিজতে ভিজতে চলে যাচ্ছে নারী। আষাঢ় এবং শ্রাবণে ভরা দিন। একলা কাটছে। একলা বাড়ছে ঋণ।

©সায়ন্ন্যা দাশদত্ত


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.