x

৮৮তম সঙ্কলন


যারা নাকি অনন্তকাল মিছিলে হাঁটে, তাদের পা বলে আর বাকি কিছু নেই। নেই বলেই তো পালাতে পারেনা। পারেনা বলেই তারা মাটির কাছাকাছি। মাটি দ্যাখে, মাটি শোনে, গণনা করে মৃৎসুমারী। কেরলের মাটি কতটা কৃষ্ণগৌড়, বাংলার কতটা তুঁতে! কোন শ্মশানে ওরা পুঁতে পালালো কাটা মাসুদের লাশ, কোন গোরেতে ছাই হয়ে গেলো ব্রহ্মচারী বৃন্দাবন। কোথায় বৃষ্টি টা জরুরী এখন, কোথায় জলরাক্ষুসী গিলে খাচ্ছে দুধেগাভিনের ঢাউস পেট। মিছিলে হাঁটা বুর্বক মানুষ সেসবই দেখতে থাকে যেগুলো নাকি দেখা মানা, যেগুলো নাকি শোনা নিষেধ, যেগুলো নাকি বলা পাপ। দেশে পর্ণ ব্যন্ড হল মোটে এইতো ক'টা মাস, সত্য নিষিদ্ধ হয়েছে সেই সত্যযুগ থেকে। ভুখা মিছিল, নাঙ্গা মিছিল, শান্তি মিছিল, উগ্র মিছিল, ধর্ম মিছিল, ভেড়ুয়া মিছিল যাই করি না কেন এই জুলাইয়ের বর্ষা দেখতে দেখতে প্রেমিকের পুংবৃন্ত কিছুতেই আসবে না হে কবিতায়, কল্পনায়... আসতে পারে পৃথিবীর শেষতম মানুষগন্ধ নাকে লাগার ভালোলাগা। mail- submit@sobdermichil.com

ভালোবাসার  আষাঢ় শ্রাবণ

অতিথি সম্পাদনায়

সৌমিতা চট্টরাজ

মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২০

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | মে ১২, ২০২০ |
বৈশাখের জানলায় শ্রাবণ -  হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

বৈশাখের জানলায় শ্রাবণ - 

( এক )

ভালোবাসা বললেই আমার সামনে বিরাট বড় একটা আকাশ আর সবচেয়ে লম্বা একটা নদী দরজা খুলে বাইরে এসে দাঁড়ায়। দুজনেই আমাকে ডাকে। দুটো ডাক এমনভাবে মিশে যায় কার কোনটা ঠিক চিনে উঠতে পারি না। এমনিতেই তো দুজনকে খুব ছোটবেলা থেকে দেখে এলেও ঠিক ঠিক ভাবে আজও চিনে উঠতে পারি নি। অতটা ছড়িয়ে যাওয়ার কি দরকার ছিল ? আর একটানা অতটা দৌড় না দৌড়ালে হচ্ছিল না ? সূচনাটাই যে বোঝে না সে পা বাড়াবে কোন সাহসে। তাই চারটে অক্ষর লিখে ফেলতে পারলেও হাতে ধরলেই সবাই হেসে ওঠে।

( দুই )

রোজ সকালে চোখ বন্ধ করে আমার এক সংলাপ ----- "মা, রোদ উঠেছে ?" এমনভাবে হয় নাকি ? রোজ কি আলু ভাতে ভাত ভালো লাগে ? আমি বলি, কেন নয় ? রোদ নিজেই তো একটা চির বৈচিত্র্যপূর্ণ তরকারি। যার পাশে রাখবে সে-ই তো নতুন হয়ে উঠবে। কিন্তু কে আর বোঝে! সবাই একটু ছাড় চায়। আমি বলি ঘুরে ঘুরে যখন একটা বসার জায়গা পেলাম তখন আবার ঘোরা কিসের? আসলে আমার চব্বিশ ঘণ্টা বুকের মধ্যে চেপে ধরে রাখাটা অনেকেই সহ্য করতে পারে না।

( তিন )

সারাদিনে এক আধবার জানলা খুলতে তো ইচ্ছে করেই। কিন্তু কখন খুলবো ? কোথায় খুলবো ? চারপাশেই তো জানলা। যার সামনেই খুলি সে আগে দেখে নেয় তার ঘরে আরও কটা জানলা খোলা আছে। সংখ্যাটা এই কারণে খুব দরকার যে তার জানলা খোলাটা রীতিবিরুদ্ধ কিনা। সমর্থন পেলেও নিয়মিত অভ্যাসের দিকে সে কখনও যায় না। তাই সুরক্ষিত বলয়ের জানলা বন্ধ হওয়ার আগে আরও একবার ছোট্ট করে ফাঁক হয় ------- তুমি খুললেই খুলতে পারো কিন্তু আমারটা অনিশ্চিত।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.