x

প্রকাশিত | ৯২ তম মিছিল

মূল্যায়ন অর্থাৎ ইংরেজিতে গালভরে আমরা যাকে বলি ইভ্যালুয়েশন।

মানব জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই শব্দটি অবিচ্ছেদ্য এবং তার চলমান প্রক্রিয়া। আমরা জানি পাঠক্রম বা সমাজ প্রবাহিত শিক্ষা দীক্ষার মধ্য দিয়েই প্রতিটি মানুষের মধ্যেই গঠিত হতে থাকে বহুবিদ গুন, মেধা, বোধ বুদ্ধি, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। এর সামগ্রিক বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা থেকেই এক মানুষ অপর মানুষের প্রতি যে সিদ্ধান্তে বা বিশ্বাসে উপনীত হয়, তাই মূল্যায়ন।

স্বাভাবিক ভাবে, মানব জীবনে মূল্যায়নের এর প্রভাব অনস্বীকার্য। একে উপহাস, অবহেলা, বিদ্রুপ করা অর্থই - বিপরীত মানুষের ন্যায় নীতি কর্তব্য - কর্ম কে উপেক্ষা করা বা অবমূল্যায়ন করা। যা ভয়ঙ্কর। এবং এটাই ঘটেই চলেছে -

চলুন মিছিলে 🔴

বুধবার, মার্চ ২৫, ২০২০

বিউটি সাহা / হে বৃক্ষরাজি,হে উদ্যান,হে অরণ্য-আমাকে ক্ষমা করে দাও"

sobdermichil | মার্চ ২৫, ২০২০ | | মিছিলে স্বাগত
বিউটি সাহা / হে বৃক্ষরাজি,হে উদ্যান,হে অরণ্য-আমাকে ক্ষমা করে দাও"

হে বৃক্ষরাজি,হে উদ্যান,হে অরণ্য-
আমাকে ক্ষমা করে দাও"

ভুলতে বসেছিলাম বোধহয়
ওই অরণ্য ভূমি জেগে থাকে
ভুলতে বসেছিলাম বোধহয়
ওই সবুজ আমাকে বেঁচে থাকার
রসদ জোগায়
ভুলতে বসেছিলাম বোধহয়
ওদের কোলে আশ্রয় নেওয়া
আর ও কিছু প্রাণেদের কথা।
ভুলতে বসেছিলাম, ওদের ও
একটি আশ্রয় প্রয়োজন , ঠিক
আমাদের ই মতো।
চারিদিকের বিষ বাষ্পের কারণে
এতটুকু বিশুদ্ধ হাওয়া বাকি নেই
বললেই চলে
শুধু তপ্ত হাওয়ার ঝলকানি
নিঃশ্বাস নিতে বড় কষ্ট এখন
আমার
কিন্তু তবুও বারবার অতি ভয়ঙ্কর
ভাবে করে গেছিলাম কুঠারাঘাত
আমি ভুলতে বসেছিলাম
আমার শ্রেষ্ঠত্বে তোমার অবদানের
কথা।
আমি বুঝতে পারি নি এতদিন
অথবা বুঝেও করে গেছি নিজের
অপরিসীম ক্ষতি।
হে বৃক্ষরাজি,হে উদ্যান,হে অরণ্য
আমাকে ক্ষমা করে দাও
আমাকে ক্ষমা করে দাও।


বিউটি সাহা
৬৭/১০, সরকার হাট লেন
কলকাতা-৭০০০৬১
Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

�� পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ শব্দের মিছিলের সর্বশেষ আপডেট পেতে, ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.