x

প্রকাশিত ৯৬তম সংকলন

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

কাজী রুনা লায়লা খানম

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২০ |
কাজী রুনা লায়লা খানম
জে এন ইউ, শাহিনবাগ এবং সর্বোপরি দিল্লীর ভোটের ফল যখন প্রমাণ করছে "জাতের নামে বজ্জাতি"র বিরুদ্ধে মানুষ আজ সঙ্ঘবদ্ধ। সোচ্চার। তখন দু হাজার ষাট সালে মুসলমানের সংখ্যা কি হবে তারই কাল্পনিক পরিসংখ্যান আবিষ্কার করার হাস্যকর চেষ্টা করা এবং তা প্রচার করার মাধ্যমে চিন্তাশক্তির উর্বরতা প্রমাণ ছাড়া আর কিছু যে হয় না এটা শিশুও বোঝে। চল্লিশ বছর পর কি হবে সেটা না ভেবে দেশে একটা কঠোর আইন প্রণয়ন করুন। দুটোর বেশি শিশু জন্মালে তার নাগরিকত্ব রাষ্ট্র দেবেনা। প্রয়োজনে জনক জননীর নাগরিকত্বও কেড়ে নেয়া হবে। কিন্তু আপনিও জানেন, আমিও জানি, তিনিও জানেন এটা করবে না সরকার। কারণ তাতে করে তো হিন্দু-মুসলিম খেলাটা চালিয়ে যাওয়া যাবে না।'মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক ' কমে গেলে রাজনীতিটা হবে কি করে?

সবচেয়ে আশ্চর্য লাগলো আমার বন্ধুতালিকাভুক্ত একজন শিক্ষিতা, আলোকপ্রাপ্তা এবং একজন শিক্ষিত,সচেতন (তাঁরা নিজেকে তা ই মনে করেন) মানুষ সেই কাল্পনিক পরিসংখ্যানের লিঙ্ক শেয়ার করে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে কি কি হতে পারে, তার জন্য কি প্রিকরশন নেয়া উচিত সেসব বাৎলাচ্ছেন।কেউ কেউ তো আবার নিজের কৃষ্টি কালচার পর্যন্ত বিসর্জন থেকে আজ থেকেই হিজাব পরার নিদান দিচ্ছেন আমজনতাকে। বলি সারাক্ষণ মাথার মধ্যে বিদ্বেষ পুষে না রেখে একটু দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসুন না, সবাই মিলে সরকারকে বাধ্য করি জন্মনিয়ন্ত্রণ আইনটা বলবৎ করতে। ওই যেমন আপনারা 'তিনতালাক 'আইনের সময় করেছেন, তিনশো সত্তর ধারা বাতিলের সময় করেছেন। এবারেও আসুন না। এতে দেশ বাঁচবে জনবিস্ফোরণের হাত থেকে। আপনারাও সেফ থাকবেন মুসলিম ফোবিয়া থেকে। প্লিজ একবারটি আসুন।কথা দিচ্ছি আমি নেতৃত্ব দেবো।আর যুগশঙ্খকেও বলিহারী। আরে ভাই, দেখছেন তো মানুষ জাত নয় ভাত চাইছে, কাজ চাইছে, নিরাপত্তা চাইছে, আইডেন্টিটি চাইছে। দিল্লী জাগছে। দেশ জাগছে। বরং এসব নিয়ে বলুন।


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.