x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

জয়া চৌধুরী

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২০ |
জয়া চৌধুরী
মাতৃভাষা নিয়ে আজকে অনেকেই নিজের মত করে উদযাপন করেছেন করছেন করবেন। এই সুযোগে বাঙালি হিসাবে বলতে চাই আমরা আজকের দিনে শপথ নিই শুধু ভাষাই নয় ভাষার সঙ্গে জড়িত সংস্কৃতি কেও নতুন করে সম্মান দিতে শুরু করি। আমরা ভুলে গেছি। ভুলে যাচ্ছি আমরা কে আমাদের চাল চলন ভাবনা ব্যবহার কত অন্যরকম আরো অনেক ভাষা ও সংস্কৃতির ভেতরেও। বাঙালি চিরকাল অন্যের ভালোটি চট করে নিয়েছে। ইংরেজ এদেশে এলে বাঙালিরাই সবচেয়ে আগে ভাষাটি শিখে নিয়েছে। কারো থেকে কিছু নিতে গেলে সঙ্গে বুদ্ধির প্রয়োগও করতে হয়। আমাদের স্বীকার করতেই হবে গড়পড়তা বাঙালির বুদ্ধি বাড়লেও মেধা কমছে । কেননা মেধা আসলে মননের সঙ্গে জড়িত। মননের বিপুল ঘাটতি বিপুল বাঙালি সমাজে মেধার অবনমন ঘটাচ্ছে। যে বাঙালি অনুভূতি প্রবণ, কল্পনা প্রবণ ও সুমিষ্ট জাতি বলে সারা দুনিয়ার নাম অর্জন করেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাতেও ধ্বস নামছে। আজ এক্ষুণি শুরু করতে হবে সেই সরে যাওয়া ভুলে যাওয়া কৃষ্টি। ব্রাজিলের প্রথম যে ভারতীয় মানুষটি সে দেশের গৃহযুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তাঁর নাম কর্নেল সুরেশ বিশ্বাস। বাঙালি মানেই অনেক অনেক ঐতিহ্য। বীরত্বের, সৌন্দর্যের, কৃষ্টির, আতিথেয়তার কত কত গুণের উল্লেখ করব। আজকের তরুণকে বিশ্বাস করাতে হবে তাদের পূর্বসূরিদের নিয়ে আনন্দ করবার অনেক জায়গা আছে।

ম্যায় নু কালা চশমা ... বলে গান করাতে যেমন কোন লজ্জা নেই ঠিক তেমনই নিজেদের মধ্যে অনাবশ্যক ইংরিজি না বলে ঝরঝরে সুকুমার বাংলা আলাপেও দারুণ ভাল লাগা আছে। আমরা বাপ মায়েরা খুব আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের সম্মান দিতে শুরু করি, ছেলেমেয়েরাও আমাদেরই অনুসরণ করবে।

অবশ্য বাংলার অতীত নিয়ে পড়ে থাকলেও পিছিয়ে পড়তে হবে। এক শ্রেণীর বাঙালি আবার সেই রোগে ভোগেন। ভবিষ্যৎ তখনই আশাপ্রদ হবে যখন আমরা অতীতের তৈরী ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে বর্তমানে ক্লীবতা হটাই।

বিদ্যাসাগরের মত পারফেক্ট বাঙালি কজন আছেন বলুন! কিন্তু তা পড়ার বইতেই থেকে গেছে। ভারী ভারী প্রশংসা আর মালা পরানো ছাড়া আমরা কতটুকু তাঁকে অনুসরণ করি! সাধারণ আমরাই যদি জীবনে নিজেরা বাঙ্গালিত্ব বজায় রাখি ছোটরাও ঠিক তাইই করবে।দেখবেন।

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.