x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

রবিবার, অক্টোবর ০৬, ২০১৯

স্বপন পাল

sobdermichil | অক্টোবর ০৬, ২০১৯ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
স্বপন পাল
অবিশ্বাস খোলসের মতো 

আমি যেখানেই যাই আমাকে জড়িয়ে থাকে নষ্ট অভিমান, আমি যে কাতর বড়।
তৃষ্ণা নিয়ে তাকাই যেদিকে মরুতৃষ্ণা হাতছানি দেয়, উটের সদর্পী মাথা দুলে দুলে চলে ক্লান্তিহীন, বালিঝড় গড়ে তোলে উচ্চাবচ বিপন্ন প্রতিভা। তৃষ্ণা জেগে থাকে, লেগে থাকে নুন স্বাদ ঠোঁটে, চাপা থাকা আর্তি যত জ্বালামুখ খোঁজে।

যেদিকে তাকাই আমি দেখতে পাই বিনষ্ট সে ছবি, নবারুণ চোখের তারায়
অচেনা সর্পিল ভয়, নখের চূড়ান্ত অবক্ষয়ে।
চোরাবালি টানে এক খণ্ডহর ফিরে আসে অতীত চেনাতে। সব তারা নিভে গেলে আকাশের অখণ্ড তিমিরে সে কেমন রাত্রি জেগে থাকে, যার কাছে নতজানু ব্যর্থ হয়ে গেলে সংক্ষিপ্ত ঘোষণাটুকু জেলখানার সঙ্গীহীন ঘন্টার মতো বেজে চলে।

যেখানেই যাই, সেই শব্দ রাত্রি ভেদ করে আমাকে কাঁপিয়ে দেয়।
পাথরের যক্ষী হেসে ওঠে। হরিণের চোখ থেকে নেমে অজান্তে গড়িয়ে পড়া অবাক মুহূর্তগুলি নীরবে প্রতীক্ষা করে ভগ্ন ব্যবধান। আমাকে উপেক্ষা করে শেষতম রক্তিম গোলাপ নির্দ্বিধায় উড়ে যায় ভিন্ন কক্ষপথে।




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.