x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

রবিবার, মে ২৬, ২০১৯

সৌরভকুমার ভূঞ্যা

sobdermichil | মে ২৬, ২০১৯ |
হেলমেট
অমিতেশবাবুর রিপোর্টটা আজ কাগজে ছবি সহ ফলাও করে বেরোনোর পর থানার ভেতরে চাঞ্চল্য পড়ে গেছে। অনেক নেতা-মন্ত্রীর ফোন আসছে অবিরত। জবাবদিহী করতে করতে নাজেহাল অবস্থা ওসি সুবিকাশ দত্তের।

বাইক আরোহীদের হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। প্রথম কয়েকমাস ঠিকঠাক ছিল। তারপর আবার যেই কে সেই অবস্থা। মানুষ সচেতন না হলে পুলিশ-প্রশাসন কতটুকুই বা করতে পারে।

হেলমেটহীন বাইকযাত্রা সহ আরও অনেক বেনিয়মের খবর ছবি সহ প্রকাশ করেছেন অমিতেশবাবু। ষাট ছুঁই ছুঁই রিপোর্টার অমিতেশবাবুর প্রভাব বেশ গভীর। তাই প্রশাসনিক মহলে ব্যস্ততা বাড়ে।

গত কয়েকদিন ধরে চলছে অভিযান। সুবিকাশ আজও কয়েকজনকে বাইকশুদ্ধ নিয়ে এসেছেন থানায়। এর মধ্যে প্রিয়ঞ্জন নামে একটি যুবক রয়েছে। হেলমেট পরা দূরে থাক, তার লাইসেন্সও নেই। তাকে নিয়েই বসেছেন সুবিকাশ। এমন সময় মোবাইলটা বেজে ওঠে।

‘অমিতেশ মিত্র বলছি।’

‘হ্যাঁ স্যার, বলুন।’

‘আপনি প্রিয়ঞ্জন বলে কাউকে থানায় এনেছেন?’

‘হ্যাঁ স্যার। ওনার কাছে....।’

তাকে থামিয়ে দিয়ে অমিতেশ বলেন, ‘বাচ্চা ছেলে, ভুল করে ফেলেছে। একটু বকে ঝকে ছেড়ে দিন।’

উত্তরের অপেক্ষা না করে লাইন কেটে দেন অমিতেশ। সুবিকাশ অবাক হওয়ারও সুযোগ পান না, আবারও মোবাইল বেজে ওঠে। এলাকার এক প্রভাবশালী নেতার ফোন। অনেকটা আদেশের সুরে তিনি বলেন, ‘অফিসার, প্রিয়ঞ্জন অমিতেশবাবুর ভাগ্নে। ওর নামে কোনো কেস দেবেন না। ভদ্রভাবে ছেড়ে দিন।’

প্রিয়ঞ্জন চলে যাওয়ার পর কনস্টেবল বিধান বলে, ‘স্যার ওদের অন্যায় দাবি মেনে নিলেন?’

একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে, মলিন হেসে সুবিকাশ বলেন, ‘না মেনে কী কোনো উপায় আছে? আমার নিজের মাথায় তো হেলমেট নেই।’

বিধান কিছু বুঝতে পারে না। মাথার টুপিটা ঠিক করতে করতে বেরিয়ে যায়।


সৌরভকুমার ভূঞ্যা, তেরপেখ্যা, মহিষাদল পূর্ব মেদিনীপুর, ৭২১৬২৮ sesdekha@gmail.com

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.