x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

রবিবার, মে ২৬, ২০১৯

কৃষ্ণা রায়

sobdermichil | মে ২৬, ২০১৯ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
 কৃষ্ণা রায়
হৃদয় যাত্রা 

 চোখে চোখ রেখে আমুল কেঁপেছি, হৃদয়ে অচেনা ঘ্রাণ
ভালোবাসা বুঝি মায়া তরোয়াল , স্পর্শে খসেছে প্রাণ।

মুখোশ খুলে সহজ হবে এইতো ছিল চাওয়া-
উজাড় করা ভালোবাসায় জন্মান্তরে যাওয়া ।

 স্পর্শে বাজেনা মেঘমল্লার, চোখে নেই আর আলো
 বসন্ত দিন শীতল পাথর,  হৃদয় ছলোছলো।

 নীলমণিলতা একা একা হাসে হ্লুদ বিকেল বেলা,
 নীলাভ পাপ্ড়ি মাটিতে লুটোয় অবসান মধুমেলা।

 প্রেম তবু জাগে একা অনন্ত আয়ুর রেখাটি ধরে-
 আমরণ সেই হৃদয় যাত্রা চিতাভস্মে কি পোড়ে?

 কৃষ্ণা রায়
 ৯/১১, নেতাজি নগর, কলকাতা ৭০০০৯২ 

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.