x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০১৯

অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম

sobdermichil | এপ্রিল ১৫, ২০১৯ |
অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম
ডাকপিয়ন  
বুলান্দ আল্‌-হায়দারি, ইরাক
অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম 

ডাকপিয়ন, কী চাও তুমি?
কী চাও আমার কাছে?
আমি এখন পৃথিবী থেকে বহুদূরে, নির্বাসনে—
এখানে পৃথিবী বয়ে আনবে নতুন কিছু আমার জন্য
এ অবিশ্বাস্য, অসম্ভব! তাহলে তুমি এখানে?
নির্ঘাত পথ হারিয়ে।
পৃথিবী তো এখনো ঠিক তেমনই রয়ে গেছে
যেমনটা ছিল পূর্বে— স্বপ্ন দেখা
আবার সেই স্বপ্নকে খুন করে মাটিচাপা দেওয়া
তারপর বসে থাকা পুনর্জন্মের পথ চেয়ে।
আর মানুষ এখনো মেতে রয়েছে উৎসবে
অথচ শেষকৃত্য তাদেরকে মনে করিয়ে দেয়
আরো একটি উৎসবের কথা।
তবে তারা এখন দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা দিয়ে
খুঁড়ে চলেছে বিবেকের সমাধিক্ষেত্র
সুখের খোঁজে, চরিতার্থ করতে এক নতুন প্রবৃত্তিকে!
চীনের প্রাচীর এখনো আগের মতোই দাঁড়িয়ে
যেন মুছে যাওয়া রূপকথারা
সময়ের ডানায় চেপে ফিরে আসছে বার বার।
পৃথিবীতে এখনো রয়ে গেছে সিসিফাস ও তার পাথর
অথচ সে পাথর জানে না তার গন্তব্য। 

ডাকপিয়ন, তুমি পথ হারিয়ে
এসেছো ভুল ঠিকানায়। 
আমাকে দেওয়ার মতো
কোনো নতুন খবর নেই তোমার কাছে।   
তাহলে; যে পথে এসেছিলে তুমি
যে পথে প্রায়ই আসো
সে পথেই ফিরে যাও; 
আমার আর কী চাই বলো!

[ বুলান্দ আক্‌রাম আল্‌-হায়দারি (১৯২৬ - ১৯৯৬), বামধারার এই প্রগতিশীল কবি ষাটের দশকে সাদ্দামের বা’স পার্টির স্বেচ্ছাচারী ও স্বৈরাচারী কার্যকলাপের বিরোধিতা করে তদানীন্তন সরকারের রোষের মুখে পড়েন। মৃত্যুদণ্ড মোকুব করা হলেও বাধ্য হন দেশ ছাড়তে। চলে যান লেবাননে। পনেরো বছর পর ১৯৭৭-এ ফিরে আসেন। তবে তিন বছরের মাথায় আবারও বাধ্য হন দাজ্‌লা (টাইগ্রিস) মায়ের আঁচল ছাড়তে। চলে যান লন্ডনে। সতেরটি বসন্ত অতিবাহিত করে, সেখান থেকে যাত্রা করেন অজানার পথে, না-ফেরার দেশে, ১৯৯৬-র ৬ই আগস্ট মঙ্গলবারে, ৭০ বছর বয়সে। বামপন্থী মানবতাবাদ, ঔপনিবেশিক শোষণ এবং তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের জীবনযাপনের হাল হকিকত ফুটে উঠেছে তাঁর কবিতায়। তাঁর কাব্য-ক্যানভাসে নিঃসঙ্গতা, প্রবাস জীবনের যন্ত্রণা, মা-মাটির অনুরাগ এবং জীবনের প্রতি করুণ আর্তনাদের নিখুঁত ও বাস্তব চিত্রায়ন পাঠক মনকে ভাবিয়ে তোলে। এই ‘সায়েউল্‌ বারীদ’ (ডাকপিয়ন) কবিতাটিতেও সেই একই কথা, একই ছবি ফুটে উঠেছে।]  


بلند الحيدري

ساعي البريد
ماذا تريد … ؟
أنا عن الدنيا بمنأى بعيد
أخطأت …
لا شك فما من جديد
تحمله الأرض لهذه الطريد
ما كان
ما زال على عهده
يحلم
او يدفن
أو يستعيد
ولم تزل للناس أعيادهم
ومأتم يربط عيدا بعيد
أعينهم تنبش في ذهنهم
عن عظمة أخرى لجوع جديد
ولم تزل للصين من سورها
أسطورة تمحى
ودهر يعيد
ولم يزل للأرض سيزيفها
وصخرة
تجهل ماذا تريد
*
ساعي البريد
أخطأت …
لا شك فما من جديد
وعد مع الدرب ويا طالما
جاء بك الدرب
وماذا نريد … ؟ 

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.