x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৯

পি না কি

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৯ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
পি না কি
আমার দেশ ভারতবর্ষ রক্তে স্নান করছে৷ এটা নিয়ে যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের বোঝা উচিত সেনাবাহিনীর শহিদ হওয়াটা বড় কোন ব্যাপার নয়৷ এইদেশে সেনাবাহিনীকে খুন করে হত্যা করা মামুলি ঘটনা৷ বরং যারা দেশকে টুকরো- টুকরো করছে তাদের বিরোধীতা করবেন না৷ এদের অধিকার সেনার যোগ্যতা, কর্মদক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার৷ সত্যি বলতে ভারতবর্ষে যাদের কিছু করবার থাকেনা, তারাই সেনাবাহিনীতে ভর্তি হয়৷ তানাহলে বছরের পর বছর আপনজনদের ছেড়ে , প্রিয় গ্রাম, পাড়া, পরিবার ছেড়ে ভারতবর্ষের নির্জন, প্রতিকূল অঞ্চলে নিদ্রাহীন, সজাগ হয়ে পাহাড়া দেয়!! আবার কোন সকালে বিস্ফোরিত ধোঁয়ায় স্মৃতি উড়ে যায়৷ এই সব হতভাগ্য পরিবার নিজেদের প্রিয়জনকে কতক্ষণ কাছে পায়? এদের প্রতি আমাদের দেশে একশ্রেণির মানুষ শুরু থেকেই নির্বিকার!! 

আমাদের দেশের এক বিশেষ শ্রেনি আছেন , যাদের চোখে হতভাগ্য সেনাদের আত্মত্যাগটা শুধুই টাকার বদলে জীবন দেওয়া৷ এরা জঙ্গীদের অতীত জীবন বিশ্লেষণ করে দেখান জঙ্গীরা শুরুতে কতটা নিরীহ থাকেন৷ এরা কাশ্মীরে পাথর ছুড়তে থাকা ভীড়কে নিরীহ মনে করেন৷ এনারা শত্রু দেশকে আপন ঘর ভাবেন, তাদের কাছে সেনাবাহিনী না থাকলে জঙ্গীরা আমাদের সাথে প্রেমালাপ করবার সুযোগ পেত৷ সেনাবাহিনী ইচ্ছাকৃত ভাবে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে!শুধু তাই নয় , অন্যায়ের বিচার এইসব বুদ্ধিজীবিদের কাছে মানবতা লঙ্ঘন৷ মানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে , আবার না কফিন কেলেঙ্কারি হয়!! তাই নিরীহ সুবোধ বালকের মতন জঙ্গীদের খুন করতে দাও সেনাবাহিনীকে৷ মানে সেটাই ভালো৷

এরজন্যই বলছিলাম সেনাবাহিনীর জন্য এতো দুঃখ করে লাভ নেই৷ আবার সমস্যা হচ্ছে যদি কেউ সেনাবাহিনীকে হত্যার প্রতিশোধ চায়, তাকে আবার জাতীয়তাবাদী মার্কা রাজনৈতিক দলে ফেলা হবে৷ তার আর বুদ্ধিজীবি হওয়া হবে না৷ 

উফঃ সত্যিকারের বুদ্ধিজীবি হতে সত্যিই অনেক পরিশ্রম করতে হয় ৷ কী ভাবছেন এতো ঝামেলা না করে সেনাবাহিনীর উপর হামলা হলেই চুপ থাকুন! মানবতা দেখান৷ শান্তির কথা বলুন৷ পারলে পাশের বাড়ির ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ছেলেটির দেহাবশেষের কথা না ভেবে, কাশ্মীরি নিরীহ সুবোধ বালকদের জঙ্গী হয়ে উঠবার জন্য সেনাবাহিনীকে বদনাম করুন৷

ভয় নেই যারা সেনাবাহিনীতে থাকেন, তারা তাদের প্রতীজ্ঞা রক্ষা করবেনই৷ নিজেদের জীবন, মান-অপমান ..তাঁদের জাতীয়তাবাদী বোধের কাছে নগন্য৷ 

আসুন আমরা ওঁদের মতন যখন হতে পারব না, বুদ্ধিজীবি হওয়ার চেষ্টা করি৷ ঘরে যখন ডাকাত আক্রমণ করবে,তখন বৌয়ের সাথে পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করব৷ মানবতা, নরম পৃথিবী মার্কা শব্দে নিজের তৈরী নিরাপদ জগত সৃষ্টি করব৷ আচ্ছা আমরা নিরাপদ তো?

সূত্র -

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.