x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৯

পি না কি

sobdermichil | ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৯ |
পি না কি
আমার দেশ ভারতবর্ষ রক্তে স্নান করছে৷ এটা নিয়ে যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের বোঝা উচিত সেনাবাহিনীর শহিদ হওয়াটা বড় কোন ব্যাপার নয়৷ এইদেশে সেনাবাহিনীকে খুন করে হত্যা করা মামুলি ঘটনা৷ বরং যারা দেশকে টুকরো- টুকরো করছে তাদের বিরোধীতা করবেন না৷ এদের অধিকার সেনার যোগ্যতা, কর্মদক্ষতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার৷ সত্যি বলতে ভারতবর্ষে যাদের কিছু করবার থাকেনা, তারাই সেনাবাহিনীতে ভর্তি হয়৷ তানাহলে বছরের পর বছর আপনজনদের ছেড়ে , প্রিয় গ্রাম, পাড়া, পরিবার ছেড়ে ভারতবর্ষের নির্জন, প্রতিকূল অঞ্চলে নিদ্রাহীন, সজাগ হয়ে পাহাড়া দেয়!! আবার কোন সকালে বিস্ফোরিত ধোঁয়ায় স্মৃতি উড়ে যায়৷ এই সব হতভাগ্য পরিবার নিজেদের প্রিয়জনকে কতক্ষণ কাছে পায়? এদের প্রতি আমাদের দেশে একশ্রেণির মানুষ শুরু থেকেই নির্বিকার!! 

আমাদের দেশের এক বিশেষ শ্রেনি আছেন , যাদের চোখে হতভাগ্য সেনাদের আত্মত্যাগটা শুধুই টাকার বদলে জীবন দেওয়া৷ এরা জঙ্গীদের অতীত জীবন বিশ্লেষণ করে দেখান জঙ্গীরা শুরুতে কতটা নিরীহ থাকেন৷ এরা কাশ্মীরে পাথর ছুড়তে থাকা ভীড়কে নিরীহ মনে করেন৷ এনারা শত্রু দেশকে আপন ঘর ভাবেন, তাদের কাছে সেনাবাহিনী না থাকলে জঙ্গীরা আমাদের সাথে প্রেমালাপ করবার সুযোগ পেত৷ সেনাবাহিনী ইচ্ছাকৃত ভাবে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে!শুধু তাই নয় , অন্যায়ের বিচার এইসব বুদ্ধিজীবিদের কাছে মানবতা লঙ্ঘন৷ মানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলে , আবার না কফিন কেলেঙ্কারি হয়!! তাই নিরীহ সুবোধ বালকের মতন জঙ্গীদের খুন করতে দাও সেনাবাহিনীকে৷ মানে সেটাই ভালো৷

এরজন্যই বলছিলাম সেনাবাহিনীর জন্য এতো দুঃখ করে লাভ নেই৷ আবার সমস্যা হচ্ছে যদি কেউ সেনাবাহিনীকে হত্যার প্রতিশোধ চায়, তাকে আবার জাতীয়তাবাদী মার্কা রাজনৈতিক দলে ফেলা হবে৷ তার আর বুদ্ধিজীবি হওয়া হবে না৷ 

উফঃ সত্যিকারের বুদ্ধিজীবি হতে সত্যিই অনেক পরিশ্রম করতে হয় ৷ কী ভাবছেন এতো ঝামেলা না করে সেনাবাহিনীর উপর হামলা হলেই চুপ থাকুন! মানবতা দেখান৷ শান্তির কথা বলুন৷ পারলে পাশের বাড়ির ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ছেলেটির দেহাবশেষের কথা না ভেবে, কাশ্মীরি নিরীহ সুবোধ বালকদের জঙ্গী হয়ে উঠবার জন্য সেনাবাহিনীকে বদনাম করুন৷

ভয় নেই যারা সেনাবাহিনীতে থাকেন, তারা তাদের প্রতীজ্ঞা রক্ষা করবেনই৷ নিজেদের জীবন, মান-অপমান ..তাঁদের জাতীয়তাবাদী বোধের কাছে নগন্য৷ 

আসুন আমরা ওঁদের মতন যখন হতে পারব না, বুদ্ধিজীবি হওয়ার চেষ্টা করি৷ ঘরে যখন ডাকাত আক্রমণ করবে,তখন বৌয়ের সাথে পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করব৷ মানবতা, নরম পৃথিবী মার্কা শব্দে নিজের তৈরী নিরাপদ জগত সৃষ্টি করব৷ আচ্ছা আমরা নিরাপদ তো?

সূত্র -

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.