x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

সোমবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮ | | মিছিলে স্বাগত
তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
অনির্বাণ 
আলোর সন্ধানে

এতো আলো, তবু এতো অন্ধকার! আর কত অন্ধকার চাই? কার মুখ দেখতে না পেলে বলতে পারবো – সত্যি সত্যি অন্ধ হয়ে গেছি! সে কি তোমারই মুখ? তবেই কি সমগ্র চৈতন্য জুড়ে বেজে উঠবে সেই দাবি স্লোগানের মত – আলো চাই আলো। তবে যে অনেক আলো চারদিকে? দেওয়ালে খুঁটিতে পিলারে গাছেদের সমস্ত শরীরে - যেন মেকি অলংকার। সেদিনই তোমাকে বলেছি, যে অন্ধকার চোখে পড়ে অহরহ, সংসারে গলিতে ফুটপাথে প্লাটফর্মে সাবওয়ে আর ফ্লাইওভারের নিচে, তা কোন আলোর মালায় ঢাকেনা বরং আরও প্রকট হয়। জীবন তো থামতে জানেনা, আমি তাই জানতাম। অথচ তুমিই শিখিয়েছিলে সেদিন – জীবন থেমে যেতে পারে কখনও কখনও। অন্তত থেমে থাকতে চায় অথবা বাধ্য হয়। শুধু সময়ের অমোঘ ইঙ্গিতে তাকে এগুতে হয় অবিরত। তাহলে এতো যদি টান, এত যদি মাখামাখি জীবনে - সময়ে, পথে এত অন্ধকার কেন? আলোর অভাবটুকু মেনে নেওয়া যায়, তাই বলে অবহেলা, মিথ্যাচার? রঙিন প্রতিশ্রুতি কেমন ফ্যাকাসে হয়ে পড়ে থাকে প্রকাশ্য রাস্তায়। লজ্জাহীন। সময় সাক্ষী থাকে অথচ কিছুই বলেনা।

তাহলে তুমি কি বলো? জীবন মূল্যহীন? মৃত্যুরই মতো? মৃত্যুও কি মূল্যহীন? মৃত্যু নিয়ে অতটা ভাবিনা কেউ। তাই কি জীবনও একটা কুড়িয়ে পাওয়া খেলনার সমান? সময়ের শুধু দাবি আছে তার কাছে, আর কিছু নেই? আর আমাদের? কবে আর সময়কে বাধ্য করে বলতে পারবো – ঘাড় তোলো, চলো পথ ভাঙি, রুখে দিই বঞ্চনার বেনোজল। আমার তো না হয় তুমি আছো, অতল দীঘির মতো। ডুব দিয়ে আমি না হয় কাটিয়ে দিতে পারি বাকিটা সময় শরীর আর হৃদয় মেশানো প্রিয় অন্ধকারে। কিন্তু তার আগে সবাইকে ডেকে নিয়ে একবার বাইরে যাই চলো। কেউ কিছু কম নয় মেধায় ও মননে। দুইয়ের সঙ্গত হলে অনায়াসে ছিঁড়ে দেওয়া যাবে দারিদ্রসীমার দড়ি, যাওয়া যাবে অনেক গভীরে। মুখের হাসিই শুধু অনির্বাণ আলো হতে পারে। সেকথাটা বলে আসি চলো।

tarasankar.b@gmail.com

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.