x

আসন্ন সঙ্কলন


যারা নাকি অনন্তকাল মিছিলে হাঁটে, তাদের পা বলে আর বাকি কিছু নেই। নেই বলেই তো পালাতে পারেনা। পারেনা বলেই তারা মাটির কাছাকাছি। মাটি দ্যাখে, মাটি শোনে, গণনা করে মৃৎসুমারী। কেরলের মাটি কতটা কৃষ্ণগৌড়, বাংলার কতটা তুঁতে! কোন শ্মশানে ওরা পুঁতে পালালো কাটা মাসুদের লাশ, কোন গোরেতে ছাই হয়ে গেলো ব্রহ্মচারী বৃন্দাবন। কোথায় বৃষ্টি টা জরুরী এখন, কোথায় জলরাক্ষুসী গিলে খাচ্ছে দুধেগাভিনের ঢাউস পেট। মিছিলে হাঁটা বুর্বক মানুষ সেসবই দেখতে থাকে যেগুলো নাকি দেখা মানা, যেগুলো নাকি শোনা নিষেধ, যেগুলো নাকি বলা পাপ। দেশে পর্ণ ব্যন্ড হল মোটে এইতো ক'টা মাস, সত্য নিষিদ্ধ হয়েছে সেই সত্যযুগ থেকে। ভুখা মিছিল, নাঙ্গা মিছিল, শান্তি মিছিল, উগ্র মিছিল, ধর্ম মিছিল, ভেড়ুয়া মিছিল যাই করি না কেন এই জুলাইয়ের বর্ষা দেখতে দেখতে প্রেমিকের পুংবৃন্ত কিছুতেই আসবে না হে কবিতায়, কল্পনায়... আসতে পারে পৃথিবীর শেষতম মানুষগন্ধ নাকে লাগার ভালোলাগা। mail- submit@sobdermichil.com

ভালোবাসার  আষাঢ় শ্রাবণ

অতিথি সম্পাদনায়

সৌমিতা চট্টরাজ

সোমবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

কাজী রুনালায়লা খানম

sobdermichil | ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮ |
কাজী রুনালায়লা খানম
মাঠের ঈশ্বর 

কাদামাটি মেখেছো  দুহাতে 
জল হাওয়া, শস্য বীজ সার ...
অন্তহীন ধানের স্বপ্ন বুনতে বুনতে 
হয়ে ওঠো মাঠের ঈশ্বর।  

আগুন পায়ে হেঁটে পার হও
কোমরছুঁই নিদাঘ যাপন  
লাঙলের ফলায় লিখে যাও
রক্ত আর  ঘামের  বারোমাস্যা। 

রাতদিন এক করে শিরাওঠা হাতে 
বুনে যাও স্বপ্নবীজ সরল বিশ্বাসে।
প্রতিবার ভাঙনের শেষে।

নতুন জোয়ার আসে, নতুন পলি
আদতে পাল্টায় না কিছুই
সবই চেনাছক, পুরনো আঁশটে এঁদোগলি। 

উন্নয়ন উড়ছে হাওয়ায়,কথার ফানুস
মহাজনী জাহাজ ভেড়ে সঠিক বন্দরে 
আদার ব্যাপারী তুমি হাতে হাতে
বিকিয়ে যাও মরিচীকা দরে। 

ক্ষয়াটে চোখে চিক চিক করে তবু
তেল- নুন -লাকড়ি আর 
দিনশেষে সানকি ভরা জুঁইফুলি ভাত। 

পুজো এলে ছেলের জন্য সস্তার 
খেলনা রেলগাড়ি 
কতোদিন ওর মা কেও তো হয়নি দেয়া
টিয়ারঙ লালপেড়ে শাড়ি।

কেটে গেলে ঘুমঘোর পষ্ট ভোরে
এইসব স্বপ্নের পাশে 
হেমন্ত বিছিয়ে যায় ঝরাপাতা স্তুপ।

দুহাতে সরাতে গিয়ে দেখি  
খরখরে চোখের ভূখন্ডে জমে  আছে শোক। 
আদ্যন্ত রেখেছো লিখে ধূধূ বিজন মাঠে 
আগুন হরফে পুণ্যশ্লোক। 

'অঙ্গার'

জ্বলে যেতে যেতে যেটুকু জল          
অবশেষ, অঙ্গার 
তাই দিয়ে মোহের কাজল হয়না বলে
    ইতিহাস খুঁড়ে আনি 'প্রস্তাবনা'।

গণতন্ত্রের ছেঁড়া ফাটা গতরে বাকলও অমিল
যদিও রাজবস্ত্রে সূক্ষ্মতার কারুকাজ
হাভাতে থালার ফুটো বড় হতে থাকে  .....
সুইস ব্যাঙ্কও ফুলে ওঠে সরল  পাটিগণিতে। 
এম এ পাশ, পি এইচ ডির 
শূন্য চোখের ব্যাস বৃত্ত জ্যা 

সভ্যতার বলাৎকার দেখি, আর অঙ্গার হই,
ফুটো থালায়, ছেঁড়া যোনিতে, 
পোকায় কাটা শংসাপত্র 
আর 
অনদিশা চোখের কোটরে 
অঙ্গারেই লিখে রাখি আগামীর ইস্তাহার।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.