x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

সোমবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৮

অনিন্দিতা রায়

sobdermichil | নভেম্বর ১৯, ২০১৮ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
আমি 'মা' বলছি - '

মা' হওয়াটা সহজ বা কঠিন, সে বিষয়ে মতান্তরে যাবো না। কারণ ডাস্টবিনে পড়ে থাকা শিশু,গর্ভপাতের নষ্ট ভ্রূণ থেকে শুরু করে বড়োলোকের গাবলু গুবলু শিশু... সব সমান আমার কাছে। কারণ জানি, সব শিশুই স্তন না পেলে কাঁদে আর অত্যধিক আহারে বমি করে।

একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি তবে। আমি এমন মাকেও দেখেছি যারা যন্ত্রণাবহুল প্রেগন্যান্সি সহ্য করার পর ঘেন্না করেছে তার সদ্যভূমিষ্ঠ কুঁড়িকে।আসলে শিশু মানেই সবসময় ফুলের মত আদরকাড়া বিষয় নয় শুধু, শিশু মানে বমি-পটি -হিসু-রাতজাগা ঘ্যানঘ্যান,বায়না,অবাধ্যতা-কখনো সদ্যওঠা দাঁত দিয়ে নিজেদের নিপল ব্যথা করা বিরক্তি। যারা এটা পড়ার পর গালাগালি দেবেন আমাকে, তাদের বলবো মাতৃত্ব নিয়ে অযথা গ্লোরিফাই বন্ধ করুন। আমি স্টার মায়েদের কথা বলছিনা, যাঁরা বাচ্ছার পাশাপাশি নিজেদের শরীরের যত্ন রাখেন সমানভাবে। কিন্তু আমাদের মত সাধারণ মায়েদের কাছে বাচ্ছা হওয়ার পর ঝুলে যাওয়া সৌন্দর্য, তলপেটে চর্বি.... হ্যাঁ, এগুলো নিয়েও লজ্জিত-বিরক্ত থাকি আমরা।

অনিন্দিতা রায় 
তাই মাতৃত্ব নিয়ে গ্লোরিফাই করা সহ্য করতে পারিনা। আমরা মেয়েরা জন্মসূত্রেই মা। আমরা আমাদের বাবা -কাকা -ভাই -বন্ধু-স্বামী সবাইকেই কখনো না কখনো সন্তানস্নেহে ভালোবেসে ফেলি। এমনকি এটাও জানবেন, আপনার পরিবারের সবথেকে মুখরা, ঝগড়াটে কন্যাসদস্যাটিও যে পার্থিব জিনিসগুলোর জন্য গলা ফাটাচ্ছে সব সময়, তার কোনোটাই নিজের জন্য নয়। যৌথ পরিবারে মাছের মুড়ো নিয়ে নিত্য অশান্তি শাশুড়ী -বউ -ননদ -ভাজের মধ্যে।কিন্তু কেউ সেটা নিজের খাওয়ার জন্য অশান্তি করে না, সেটা রাখতে চায় তার শ্বশুর -ভাসুর -কর্তা-ছেলের জন্য।

ঈশ্বর আমাদের যে লগ্নে মেয়ে বানিয়েছেন, সে লগ্নে মা বানিয়েছেন। মাতৃত্ব তাই সহজাত আমাদের। এবার পারলে কখনো নিজের সেই কুড়ি বছরের পুরোনো ঘরণীকে 'ছেলের মা' না বলে 'আমার প্রিয়া' বলুন একবার।

মায়ের সাথে সাথে প্রিয়াও হতে চাই আমরা,সেই পুরোনো প্রবাদের মতই .... পুরোনো আচার, পুরোনো সোনা, পুরোনো মদ, পুরোনো গান আর কি কি যেন !!



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.