x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শুক্রবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৮

রত্নদীপা দে ঘোষ

sobdermichil | নভেম্বর ৩০, ২০১৮ | | মিছিলে স্বাগত
রত্নদীপা দে ঘোষ
ড্রিমগার্ল 
একজন স্বপ্নদোষ

প্রশ্ন তাহলে, যা কিছু ভাঙছে তাই কি ঘুম? নাকি ঘুমের জ্যাকেট খোলা ওষ্ঠধাতু, পয়েন্টব্ল্যাঙ্ক? 

ক্যাসিনো রঙের বার, যা কিছুই ঘটছে ঘুমের মধ্যে, অন্তরলীন শিলান্যাসের জুড়িগাড়ি। স্বপ্নের মধ্যেই স্নোফল মার্কা ঘোড়াদের দৌড়। ডোরাকাটা। ঘুমের মধ্যেই খুলে দিচ্ছে ডিজিটাল কীটপতঙ্গ, গ্রাফিক্স। 

বহুবীজপত্রী শঙ্খবসনা লিপস্টিকের প্যাশন। হে পাউডার ওগো বারুদের লালস্ট্রেচার। তুমি এমন রক্তাভ কেন? প্রশ্নটি ঘুরে ঘুরে কোকেনের রেখা, মারিয়ুআনা সেচ। তটগোপন। ডলোমাইটের গুহা। আগুন। খুঁড়লেই পারদ-বিশুদ্ধ মার্কারি। স্বপ্ন এখন অপেক্ষা। 

তা দিচ্ছে মাদারির টর্চ, জ্বলছে ড্রিমশালিখের অ্যাকোরিয়াম। দেরাজ ছাপিয়ে পানশালা। মহাশর্মিলির সম্মোহন। 

কুসুমের দেশান্ত-রাগটি খুব বেয়াড়া। দরবারী ঘুম হাঁটছে নিউরাল নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। পেরিয়ে গেলেই ছুঁয়ে যাচ্ছে মস্লিন-দক্ষতার কার্গো। টুকরো টুকরো কর্ষণের গোল গোল ট্রেঞ্চ। সনা-টাওলের গায়ে হাল্কা সূর্যাস্ত। এইমাত্র নোঙর কাঁপিয়ে ইনসেটে ঝল্মলিয়ে উঠলেন অনায়াস-মাতানো ড্রিমগার্ল। চারদিকে শুধু ছলকানো। সল্মাজরি। চুমকির মেরিজান। 

স্বপ্ন মুছে দিয়েছে শ্লীল-অশ্লীলতার নাতিশীতোষ্ণ সিরিয়াল। চশমার নিঃশ্বাসে চমকাচ্ছে ফিস্ফিস মীরাবাঈ। যানজট সে কী ভয়ানক যানজট। কোথায় যাচ্ছি? কোথাও কি যাচ্ছি? কোথাও কি আমার ভেতরে যাচ্ছে? কোথাওগুলি এতো আসা-যাওয়াই বা করছে ক্যানো? 

কোথাও-ই কি তাহলে আসলে মরীচিকার ব্রেসিয়ার? তেজরশ্মির কাঁচুলিকন্যা? পিউপাপর্বের জেব্রাবিবাহ? উড়ন্তচাকির দোলনা অথবা উন্মুক্ত বিগ্রহদৃশ্য? অবাক কোনো এফ এম... 

চিনে নিই স্বপ্নকন্যার মিথকণ্ঠ। স্বর। সৌরসার্কিটের ঘূর্ণিবাগান। চূড়ান্ত নরম থ্রিলার। গহন সঙ্কটে থাকি। ভাবি ঘুম ভেঙে গ্যাছে নাকি? নাকি এখনো অটুট টারবাইন-বাহিনীর জলদস্যুর সুডৌল ময়াল। সাপগুলিকে খুলে খুলে দেখি, ঘুমগন্ধ করে কিনা... 

আরও ভেতরে ঢুকে যাই ... অন্দরে না গেলে বাহির-ভুবনের নেপথ্যকে তো আর স্পর্শ করা যায় না ... 

কারণ – 

১০) বনজ মোহজাল কেটে তবেই না পৌঁছতে হয় স্বপ্নগার্লের কুছ-পরোয়ায়। তবেই না দ্যাখা পাওয়া যায় অমোঘ ওমেগার সুরম্য শাইন, শস্যমেঝের খুব-লাইব্রেরী। 

৯) বড় অন্ধ স্বপ্নপুস্তকের সুরম্য ইউনিট, একক রাশির রানওয়ে। হাতসাফাইয়ের খোসা-ভাঙা এলোমেলো রেলপাতাল। সেই জাল উপেক্ষা করতে পারে এমন মোরামের মস্তিষ্ক কাঁধের ওপর নেই গো। 

৮) অকারণ কারণরোদের ওপর স্তন পড়লে যেমন একটু ঝুম-বরাবর, জুম করলে তার গায়ে কোন আকার নেই, আয়তন নেই। এমনকি সোনালীও। অথচ ৮০ দশকের একজন কিশোরী-অপেরা নগ্ন বেরিয়ে আসে আর একটা জিওগ্রাফিপুষ্ট গোধূলি। 

৭) কাঠামোয় কষে বাঁধা রুকস্যাক। পাহাড়পাড়। টকটাইমের ঝিমানোপরা কথাবার্তা। রুকজানার স্ক্রিন। ফটোশপের দানায় দানায় যেটুকু ময়ূরপংখী তার অবাধ্য রিনাগাউন। ব্রাউন। মানে বাদামী। মানে জাস্ট একটা টোকা। অথবা একটা ফুঁ। ফুরচ্ছে না এমন তার নির্জলা গুডবাই। 

আশ্চর্য তো! স্বপ্নে আবার গুডবাই হয় নাকি? গুডবাইয়ের ভেতরে স্বপ্ন হয় নাকি? হয়। 

ক) যেমন বারান্দা ঘরে ঢুকে পড়লে ফুরিয়ে যায় ব্যালকনি

খ) যেমন নাঙ্গা একটা মোমবাতি একটা কাপড়পরা হিপক্রেসিকে প্রতিষ্ঠান বানিয়ে দিতে পারে 

গ) যেমন ফিজিক্সের আলোয় যেকোনো মহাকাশযানকে মনে হয় ফুরন্ত জোনাকির লিপকিস 

যেমন, টিউলিপ-বকুল কখনো দেখিনি। কেউ কি দেখেছেন জিরোগন্ধে ফ্লেভারিত চিত্রপ্রদর্শনী? তাই বলে কি সে নেই নাকি? 

এইসব কনফ্লিক্টগুলিই তো এইমুহূর্তে হাত-পা ছুঁড়ছে, ঢেউ বুনছে কোহল-স্বপ্নের হুদ্রু। প্রপাত উস্কে দেওয়া ফলস। অথচ স্বপ্নকেই কখনো দেখতে পাইনে। এমনকি জিভ। চেখে দেখিনি জলেডোবা অবয়ব। অজস্র মকরমুখী পোর্টাল। অসম্ভব জনপ্রিয় ড্রিমগার্লপ্রবণ কন্যারা দাপিয়ে কাঁপিয়ে বেড়ায় সুইমিং, পুলকন্যাদের সাঁতার, ডেফিনেশন আলাদা করা যায় না মোটেও। তবু 

ষষ্ঠঋতুর ষড়রিপুতে বহুইচ্ছের ব্লু। ব্লুজপ্রিন্টের গাল থেকে ঝরে পড়ছে গোলাপিরুজ কারু। ফর্সা আঁধার থেকে তৈরি হচ্ছে। ফ্রেম। আলোআধারের ইমোশন। স্বপ্নের মধ্যেই ভাবছি নকল করি মেকআপ পরা টকশো। ভাবছি টুকে রাখি লাইনারের শলা। এমনকি পরামর্শগুলিও আপলোড করি প্রোফাইলের পিরিচে। ঘুমের প্লাজমে এন্তার ঘটে যাক এনজাইমের প্রাবল্য। 

ভাবতে না ভাবতেই 

হঠাৎ কোরেই বিছানা-সেলফিতে ফুটে উঠলো বাস্কিনের রভিন্স। আইস-বালিশ। শীতএলাকার কানকো। আর লেজ। এবার মিউট হয়ে যাক ঘুম, নিভে যাক ড্রিমগার্লের সারাই। তেমনটি হবে কি? 

কী যে বলো... পর্ণমোচী হুইস্কিগাছের কাছে কি সন্ধ্যাতারার সেলাইকল আছে? 

একটি রুক্ষ অ্যালজেব্রা কীভাবে ঘটাতে পারে ফায়ারাগুন, এসেন্স-ঘটিত পারফিউমের রোগ? 

রোগ ধুয়ে মুছে যদিও এখন একাকার। প্রতি গরাসে সেরে উঠছে সেরেনা-মউমাছির আয়না। দর্পণ ঘিরে বসেছে আসর ঘুমহীন। কাজু-কিশমিশ আর আখরটের হুইসিল। বাজছে ঘুম কুচকুচে কাচের তোড়ি। একটু প্রবাহ দিলেই চুরচুর ভৈঁরো। 

এই যা। 

ডায়ালের তোড়ে গুঁড়িয়ে গেল ড্রিমগার্লের বক্ষ। বন্ধনীর পালঙ্ক। একটু যেন ভিজে-ভিজে। মোচড়ের বয়েসি একটা come on .. মিরর যেন পাঁচ-পাঁচটা শমীগাছের তন্বীবউ। জমিবোতাম ঝিকিমিকি বাজিয়েই, 

একটা এম-টাইপ শেপ। ঘুম-গা, খালি পা, কন্যার রেলিং টপকে টি-শর্টের কলার ডিঙিয়ে ..... 

হারিয়ে গেলো হাল্কাজ্যোৎস্নার বাইট। অনেকটা চুপিচুপি পেরিয়ে দেখি ... খুব সাবধানে একটা গুগুলম্যাপকে কাঁধে চড়িয়ে। পৃথিবীর ডেফিনেশনকে পাড় করে দিচ্ছে টিপসি-ড্রিম। 

ভায়োলেট গড়নের এক হাত লম্বা পেগ। খুলে দিচ্ছে ফ্যান্টাসির হুক।





Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.