x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

রবিবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮

শুভশ্রী সাহা

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ | | মাত্র সময় দিন। পড়ে নিন,শুনে নিন।
মন খারাপের ঘুড়ি--
টালমাটাল একটা অপদার্থ হৃদয় নিয়ে বাস আমার। কোন কিছুই বুঝতে শিখল না। নরম শিউলির মত ভোর, উৎসবের হলুদ রোদ, বিন্দু বিন্দু শিশিরের গায়ে শিশুর আঘ্রাণ কোন কিছুই স্পর্শ করছে না এই তুমুল রথ টানা আশ্বিনের সকালে। হৃদয় ভারহীন, আর বোধ, কেমন ভোকাট্টা ঘুড়ির মত ইলেকট্রিক তারে দুলছে পেন্ডুলামের মত। যখন তখন লাট খেয়ে আবার অন্য কোথাও পড়বে। আসক্তি আর ইচ্ছা, নিস্পৃহ কুকুরের মত কুন্ডলী পাকিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। 

নাহ! কিছুই স্পর্শ করেনা আজকাল, মাল্টিপ্লেক্সের সিনেমার বিজ্ঞাপন ফ্লেক্স জ্বলজল করে। সন্ধ্যায় হাজারো মুখ পুজো শপিং এর ভিড়ে, আমার শুধু পায়ের নিচে থৈ থৈ জল লাগে বন্যার, ভেসে যাওয়া সার্টিফিকেট এখন খেলার নৌকার মত কোথায় ভাসছে কে জানে, সাথে যাচ্ছে সরে সরে ভবিষ্যৎ। ভাদরের মেঘেও কি শ্রাবণের মেঘের ভাঁজ ছিল! বর্ণময় দিনে,অতিথি আসলে, আমার ক্লিষ্ট চোখ, বায়ু শূন্য হৃদয়, দিয়ে কি আনন্দ দেব তাকে, এই বিষন্নতায় তো শুধু শুশ্রূষার ভাত মাখা যায়। মাথা চলে না, দেদার আলোতেও কেমন যেন অন্ধকার লাগে চারদিক! 

কাকে ভালোবাসব এই অঝোর বন্যায়, পিঠ চাপড়ানি আর রিলিফের কুড়ো দিতে আসা লোকগুলোকে দেখলেই কেমন আরো অপদার্থ লাগে নিজেকে! আগামী সমস্ত বসন্ত জুড়ে শুধুই ঘরে ফেরার তাগিদ! তাও কি ফিরতে পারবে! সে দেশেও তো উৎসব আসে, আলো জ্বালার মত উজালা পাবে কি আর! চারদিকে কত নিরন্ন মুখ, বন্ধ কারখানার তালার উপরে কত কাগজ সাঁটা, জামার মত, শুধু সংগ্রামী শ্রমিক নেতার পাঞ্জাবী রঙিন উৎসবের মত হলুদ! চারদিকে রিলিফ ফান্ড চলছে দেদার মানবিকতার ফুলঝুরি পুড়ছে! ও মশাই পৌছে যাবে তো তাদের কাছে! 

প্রত্যেক ঋতুচক্রেই তো উৎসব আসে কিন্তু কবে উৎসবের আলো ইতিহাসের অণুশাসনের আলোক ধম্ম হবে কেউ জানে না। বোধনের মঙ্গল ঘটে ঠাকুর মশাই কলাচারা বসালেন, বিড় বিড় করে মন্ত্র পড়ছেন! জোরে জোরে কে যেন আমার ভেতর থেকে বলে উঠল হলোনা হলোনা, থেকে গেল কিছু,এক বুক বাতাস নিলাম তাও সাই সাই শব্দ ওঠে কেন! আমার ভারশূন্য মন আবার দুলতে থাকে উৎসবের অনিশ্চিত আলোতে---- তবু কোথাও নিয়ম মত ট্রেন ছুটে যায়, রেল গেটের পাশে কাশ ফুল গুলি রেখে-----

suvasree1972@gmail.com



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.