x

আসন্ন সঙ্কলন


যারা নাকি অনন্তকাল মিছিলে হাঁটে, তাদের পা বলে আর বাকি কিছু নেই। নেই বলেই তো পালাতে পারেনা। পারেনা বলেই তারা মাটির কাছাকাছি। মাটি দ্যাখে, মাটি শোনে, গণনা করে মৃৎসুমারী। কেরলের মাটি কতটা কৃষ্ণগৌড়, বাংলার কতটা তুঁতে! কোন শ্মশানে ওরা পুঁতে পালালো কাটা মাসুদের লাশ, কোন গোরেতে ছাই হয়ে গেলো ব্রহ্মচারী বৃন্দাবন। কোথায় বৃষ্টি টা জরুরী এখন, কোথায় জলরাক্ষুসী গিলে খাচ্ছে দুধেগাভিনের ঢাউস পেট। মিছিলে হাঁটা বুর্বক মানুষ সেসবই দেখতে থাকে যেগুলো নাকি দেখা মানা, যেগুলো নাকি শোনা নিষেধ, যেগুলো নাকি বলা পাপ। দেশে পর্ণ ব্যন্ড হল মোটে এইতো ক'টা মাস, সত্য নিষিদ্ধ হয়েছে সেই সত্যযুগ থেকে। ভুখা মিছিল, নাঙ্গা মিছিল, শান্তি মিছিল, উগ্র মিছিল, ধর্ম মিছিল, ভেড়ুয়া মিছিল যাই করি না কেন এই জুলাইয়ের বর্ষা দেখতে দেখতে প্রেমিকের পুংবৃন্ত কিছুতেই আসবে না হে কবিতায়, কল্পনায়... আসতে পারে পৃথিবীর শেষতম মানুষগন্ধ নাকে লাগার ভালোলাগা। mail- submit@sobdermichil.com

ভালোবাসার  আষাঢ় শ্রাবণ

অতিথি সম্পাদনায়

সৌমিতা চট্টরাজ

রবিবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮

মন্দিরা ঘোষ

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ |
মন্দিরা ঘোষ
শেষ গন্তব্য

আন্তরিকতার ফুলস্কেপ কাগজে
রক্তকরবীর ঘ্রাণ সরে গেলে
কাগজটি নৌকো হয়ে ভেসে যায়
পিছুটানগুলি দুলতে থাকে
ঢেউয়ের গায়ে

ভেসে থাকা প্রশ্নচিহ্নগুলি থেকে
একটি দাঁড়ি টানা হলে
অনেকসময় আন্তরিক হাতটি আগন্তুক হয়ে ওঠে
যতিচিহ্নের ব্যবহার  ভুলে গেলে তখন
জলস্তর বেড়ে যায়

ফিরে আসার পরও থেকে যায়
বাঁপাশের গোপনীয়তা
ছুঁয়ে থাকে শ্বাসঘর  যেখানে লাল নীল
প্রজাপতির আলপনা আঁকা হয় রোজ

থামতে চাইলেও থামা যায় না বলে
আরো ডান পাশে জড়ানো ব্যক্তিগত শ্বাস
স্পর্শগুলি ঘুরে ফিরে
আকর্ষী ফুল হয়ে যায়

আলোঘরে অস্থিরতা  ফেলে এসে
ধোঁয়া রঙ ঠোঁট প্রদীপের নাভিমূলে
উত্তাপে শুধু জল বাড়ে
পার ভেঙে ডুবে যায় সবুজ ভারসাম্য

শুধু নীরবতার জন্য
এই পর্যন্ত দাঁড়ি টানা থাক
একটি আনমনা সন্ধে
শেষ গন্তব্যে হাত নাড়ুক



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.