x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বুধবার, আগস্ট ১৫, ২০১৮

মেঘ অদিতি

sobdermichil | আগস্ট ১৫, ২০১৮ |
মেঘ অদিতি / শর্মিষ্ঠা ঘোষ
ই সংখ্যায় কোন প্রিয়জনের মুখোমুখি বসার বেলা, আলাপচারিতার বেলা পরপর কিছু ঘটনা আমাদের দেশ রাজ্য এমনকি প্রতিবেশী দেশটিকেও আন্দোলিত করছিল । তার প্রাবল্য কিঞ্চিৎ থিতিয়ে আসলেও দগদগে ফলাফল বর্তমান । এমন ক্রান্তিকালে শুধু সাহিত্য সংস্কৃতি আসে না । ভারাত্রান্ত হই বারুদ সময়ের বিষে । স্বভাবতই সেই প্রশ্নে সম্মতি দেওয়া সকলের জন্য সহজ নয় । কেন যে বিশ্বাস হোল মেঘ অদিতি পারবে, ফেরাবে না সে আমায় । এই সেই মেঘ অদিতি বন্ধুরা , বাংলাদেশের মাটির কন্যা, বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক সম্পাদক গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তিনি সোজা কথার সোজা জবাব দিয়েছেন তুমুল শারিরীক অসুস্হতার মধ্যেও। 'শব্দের মিছিল' এর তরফ থেকে তোমার দ্রুত সুস্হতা কামনা করি, বন্ধু । ভালো থেকো , ভালো হোক । 

শর্মিষ্ঠা - তুমি পেশায় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার আবার পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত কবি । এমন একটি উপমহাদেশে তোমার জন্ম কর্ম যেখানে নারী স্বাধীনতা আছে কি নেই , সে নিয়ে পাতা পাতা বিতর্ক হতে পারে । তোমার নিজের অভিজ্ঞতাটা বলবে এ বিষয়ে ? তোমার কি কখনো কোন অসুবিধে হয়েছে , নাকি সবটাই বেড অব রোজেস ছিল ?

মেঘ অদিতি - খুব ছোট থেকেই বাড়িতে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল ছিল। বাবা ছিলেন চিকিৎসক। এখনকার মত সেটা তখন অতটা শুধুমাত্র পেশা হয়ে ওঠেনি। অনেকটাই সামাজিক দায়বদ্ধতাও। ফলে আমাদের জামালপুরের বাড়িতে ধর্ম-বর্ণ-বিত্ত নির্বিশেষে সমাজের অজস্র মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকতো। আর যৌথ বিশাল পরিবার,ফলে সেই কোন ছোটবেলা থেকেই অ-পর সংষ্কৃতির প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ছিল প্রগাড়। গান শিখতাম। যদিও অনেক ভীড়ের মাঝেও আমি ছিলাম একাই। দেখার চোখের আসলে একা না হলে নির্মাণ হয় না। বিস্তীর্ণ ফাঁকা এলাকা,প্রকৃতির সাথে লীন হতে থাকা,আর বড় হতে থাকার সাথে সাথে কেমন এক কষ্ট বোধ জড়িয়ে থাকে দেখবে ওই কিশোরী বয়সে। সেই সব নিয়েই কোনো একদিন কবিতা যাপনের শুরু। কিন্তু ওই একাকীত্বের নিরসনে দুম করে বিয়ে করে ফেলা।ও,খুব অল্প বয়সেই...তারপর সন্তানের মা হওয়া,নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠার অবসরে আবার দেখতাম কোথা দিয়ে সেই মন খারাপটা আবার ঢুকে পড়েছে। এই এবার শাওন @ মেঘ জন্ম নিচ্ছে কবিতার দেশে...এবার সে সিরিয়াস খুউব। কেন জানি মনে হচ্ছে কবিতাই আশ্রয়...এ পোড়া বাংলাদেশে এমন কোনো মেয়ে আছে,যে বলতে পারবে তার সাহিত্য বা সংস্কৃতিময় জীবন বেড অফ রোজেস। শ্বশুরবাড়ি খুবই রক্ষণশীল। সেখানে আমার বাপের বাড়ির মত মোটেই সংস্কৃতি চর্চা ছিল না। ফলে সে এক দুরূহ লড়াই। পাশে ছিল কেবল মাত্র আমার স্বামী। আর দুই বাংলার কিছু প্রণম্য দাদা দিদিরা,এবং কিছু ভালো বন্ধুও। তাই টিঁকে গেলাম এই সাহিত্য জগতে। প্রতিষ্ঠা কাকে বলে জানিনা ঠিক। হ্যাঁ তবে স্বাধীন পেশাজীবি গ্রাফিক্স ডিজাইনার থেকে এই কবিতাযাপন, নস্তি নয় অস্তিতেই রইল এ জীবন,বাকিটা তো তোমরাও জানো। এসব কথা ভাবলে মন খারাপ হয়। পুরনো কথা তো... 

শর্মিষ্ঠা - তুমি তো বহুদিন ধরে লেখালেখি ও সম্পাদনার সাথে যুক্ত। আবার যতটা জানতাম নিজের কোম্পানি আছে গ্রাফিক ডিজাইনিং এর।  তুমি কোনটাকে বেশী গুরুত্ব দাও ? কি করে সময় ম্যানেজ কর ?

মেঘ অদিতি - সময় এক মস্ত গোলক ধাঁধা । যে কিছুই করে না,তাকে জিজ্ঞেস করে দেখবে সে বলবে তার সময় নেই মোটেই। আর যে করে,সে সবটাই করে...হাতের কাছে উদাহরণ আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোন পরিস্থিতি থেকে আজ এ জায়গায় সারা বিশ্ব জানে,সময় তো তারও খুব কমই,কি করে সামলান তাহলে এত কাজ? গ্রাফিক্স বা কবিতা এই দুটি আমার কাছে পৃথক নয়,পরস্পর কমপ্লিমেন্ট করে একে অপরকে। একটা আমার পেশা,আর একটা নেশা। দুটোই আমার কাছে সমান গুরুত্ব বহন করে। নইলে বাঁচবো কি করে বল?

শর্মিষ্ঠা - যেসব মহিলারা এই উপমহাদেশে সমাজে অগ্রগণ্য যারা নিজ পরিচয় গড়ে তুলেছে যারা সমস্ত বাধা জয় করেছে আপন শক্তিতে তারা কি বাড়তি দায়িত্বপ্রাপ্ত নয় সামাজিক সংস্কারের বিষয়ে ? এ বিষয়ে কি তোমাদের উপর আশা করাটা অন্যায় ?

মেঘ অদিতি - না,একেবারেই অন্যায় নয়। প্রত্যাশা করায় পৃথিবীর কোনো দেশে কোনো সময়ে কখনোই কোনো অন্যায় ছিল না। আমার সাধ্যমত আমি করার চেষ্টা করি। তবে অন্যদের কথা বলতে পারবো না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে বক্তিমে ঝাড়া বা বলায় নয়,করায় বিশ্বাসী। আমার সামর্থ্য মত করি। সে নিয়ে কোনো প্রচারেও আমি নেই। আমি কোনো বিপাকে পড়া মানুষকে সাহায্য করে,তাকে বারণ করে দিই,যেন সে কাউকে না জানায়। আমার নিজস্ব ধারণা,এই গরীব দেশগুলির মানুষজন যদি অল্প বলত আর বেশি করত আমাদের দেশ ও তার সমাজ অনেক দ্রুত মান উন্নয়ন করত। 

শর্মিষ্ঠা -  বাংলাদেশ ও ভারত , দুখানেই বিভিন্ন ইস্যুতে গণআন্দোলন ক্রমশ দানা বাঁধছে । তোমার কি মনে হয় , মত পথের পার্থক্য সরিয়ে রেখে বুদ্ধিজীবিদের আরো বেশি করে এগিয়ে আসা দরকার ? সরকারে যেই থাক , ন্যায্য দাবীর লড়াইটা কি যুক্তিযুক্ত নয় ?

মেঘ অদিতি - বুদ্ধিজীবি বলে কোনো শব্দে আমি আস্থা রাখিনা। একটা কুকুর ও তার নিজস্ব বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে করে খায়। বলা উচিৎ সৃজনশীল মানুষ। এগিয়ে আসা তো উচিৎ,কিন্তু ঘন্টা বাঁধবে কে? প্লেটো,সক্রেটিস,গ্যালিলিওর যে সমাজ ছিল তার থেকে আজকের সমাজের চিত্র আলাদা। মেরুদন্ড থাকলে তবে না তা সোজা হবে। তা বিক্রি করে দিলে,প্রত্যাশা করাই বেকার। কাজের কাজ কিছুই হয় না! কারো প্রতি অশ্রদ্ধা না রেখেই বলছি,খুব অল্প সময়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা দিতে যা যা করেন এই তথাকথিত সৃজনশীল মানুষজন,তা দেখলেও লজ্জা হয়। তা বলে সমাজ তো থেমে যায় না। সময় ও তার নিজের মত করেই তার পথ চলে। গণ আন্দোলন ও তাই। এই যেমন আমাদের ছাত্ররা ঝাঁপিয়ে পড়লো,নিরাপদ সড়কের দাবীতে। ১৮ বছর তো স্পর্ধার নাম। তারা এখনও বিক্রি হয়ে যাবার বয়সে যে পৌঁছায়নি।

শর্মিষ্ঠা - একজন প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক ও সাহিত্য অনুরাগী হিসেবে কি ধরণের সাহিত্য পছন্দ কর ? এই উপমহাদেশের সাহিত্যের ধারা কি অধুনা বিশ্বসাহিত্যের অনুসারী নাকি মৌলিক কোন পার্থক্য আছে ?

মেঘ অদিতি - বিশ্ব সাহিত্য এক মহা সমুদ্র। আমাদের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যও অনেক দূর পথ চলেছে। যে ভাষায় রবি ঠাকুর লেখেন,শহীদুল জহির বা মাণিক,বিভূতিভূষণ তা হেলা ফেলার নয়। ফলে আমি বিশ্ব ও বাংলা দুই সাহিত্যেরই মনোযোগী পাঠক। 

এই পৃথিবী এখন এক ভুবনগ্রাম। সকলেই কম বেশী অন্যের খোঁজ রাখেন। তবে বিশ্ব সাহিত্যের অনুসরণ বা প্রতিফলন বাংলা সাহিত্যে খুবই কম। এটা অত্যন্ত দুঃখের হলেও বাস্তব। তার মূল কারণ ওই স্বল্প পরিশ্রমেই বিখ্যাত হতে চাওয়ার মানসিকতা। একজন অমিতাভ ঘোষ,একজন মার্কুয়েজ বা হেমিংওয়ে কই বাংলা ভাষা বা সাহিত্যে। কিছু ব্যতিক্রম আছেই। ব্যতিক্রম তো আর প্রবণতাকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

শর্মিষ্ঠা -  একজন লেখকের সময় ও সমাজ সম্পর্কে সরাসরি বক্তব্য থাকা উচিৎ নাকি সেটা তার মনোজগতের প্রতিফলন মাত্র ?

মেঘ অদিতি - আমি এক্ষেত্রে দুই মতেরই শরিক। সময় সমাজ সম্পর্কে সরাসরি বলার ও প্রয়োজন আছে আবার নিজ মনোজগতের প্রতিফলন মানে তুমি সম্ভবত ব্যক্তিমানুষের আত্মকেন্দ্রিক সাহিত্যের কথাই বলছ,তারও প্রয়োজন আছে। প্রথমটির উদাহরণ যদি ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’ হয়,দ্বিতীয়টির উদাহরণ শরৎ বাবুর শ্রীকান্ত। যদিও দুটি লেখাতেই সমাজ ও সময় অক্ষত রূপেই ধরা পড়েছে। 

শর্মিষ্ঠা -  লেখালেখি বিষয়ে তোমার কোন ভিশন বা মিশন আছে বা ছিল ?

মেঘ অদিতি - নির্দিষ্ট কিছুই নেই। থাকা সম্ভব নয়। ভিশন বা মিশন যাই বল,সমাজ ও সময়ের সাথে তা বদলায়। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখ। যেখান থেকে একদিন সূচনা হয়েছিল সেই শুরুর বিন্দু আর দেখা যাবে না। কারণ তুমি বা আমি কেউই সরলরৈখিক নই। উত্তর আধুনিক মনন একমুখী নয়। তার মাল্টি শেড। মাল্টি কালার। আপেক্ষিকতাই হল এই সমাজের মূল কথা। নির্দিষটা নিয়ে চলা অবাস্তব। কাল্পনিক। 

শর্মিষ্ঠা - তুমি কি খুশি তোমার জীবন ও কাজকর্ম নিয়ে ? তুমি কি কখনও আক্ষেপ কর কোন বিষয়ে ? কিছু কি বদলাতে চাও আরেকবার সুযোগ পেলে ? 

মেঘ অদিতি - আমি অল্পে খুশী। কিন্তু নিজের প্রতি আমি কখনোই খুশী নই। হবার কথাও না। আক্ষেপ না থাকলে লিখি কেমন করে? কেনই বা পথ চলি? কমপ্লিসেন্সি এসে গেলে থেমে যেতে হয়। ফুল স্টপ। চলি যে কিছু পাওনা, কিছু দেনা কিছু প্রেম আরও কিছু দুঃখ শোক আনন্দের জন্যইতো। হুম বদলাতে চাই অবশ্যই। বদল যদি আসে ,ভেতর থেকে, আমাদের এই মেয়েদের মধ্যে আরও অনেক সাহস, আরও আশার বীজ পুঁততে চাই। কত সম্ভাবনা অথচ কি নিদারুণ জল বাতাসের অভাবে অকালেই ঝরে যায়! দুঃখ হয় খুব।

শর্মিষ্ঠা -  তোমার প্রকাশিত কাব্য এবং গল্পগ্রণ্হ কটি ও কি কি ? ভারতে কি পাওয়া যায় ? গেলে কোথায় ?

মেঘ অদিতি - প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - ৪ টি। গল্প ও মুক্তগদ্যগ্রন্থ - ২ টো।

পাখি সিম্ফনি ও ক্যালাইডোস্কোপ নামে আমার একটা কবিতার বই ২০১৮ তেই কলকাতা বইমেলায় ঐহিক প্রকাশ করেছে। এছাড়া মুক্তগদ্য-গল্প সংকলন- সময় শূন্যতার বায়োস্কোপ নামে একটি বই ২০১৫ তে ঐহিক প্রকাশনী প্রকাশ করেছে। এ দুটো বই, ধ্যানবিন্দু ও প্রকাশক ঐহিক থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

শর্মিষ্ঠা -  কি কি সরকারী বা বেসরকারী স্বীকৃতি পেয়েছ এ পর্যন্ত ? পুরস্কার কি আদৌ কোন নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি বলে মনে কর ? এর গুরুত্ব কি ?

মেঘ অদিতি - আমি পুরস্কার বা তিরস্কারে তেমন বিশ্বাসী নই। প্রানের আনন্দে লিখি। আর কিছু তেমন পারিনা, সে কারণেও লিখি। ফলে পুরস্কার ব্যাপারটা নিয়ে খুব ভাবিনি। ঐহিক থেকে ভালোবেসে মৈত্রী সম্মান দিয়েছিল কবি মেঘ অদিতিকে। সেটাই আমার কাছে অনেক। আসলে ভালোবাসার চাইতে বড় কিছু নেই। ভালোবেসে কেউ এক কাপ চা খাওয়ালেই অনেক।

আমার জ্ঞান খুব সীমিত। জীবনানন্দ কোনো সো কলড পুরস্কার পেয়েছিলেন কিনা জানা নেই! মাণিক কি প্রবল অর্থকষ্ট নিয়ে মরে যান,মাত্র ৪৮ এ। শেলী,কিটস...নাম বাড়িয়ে লাভ নেই। কে কি পুরস্কার পেয়েছেন জানা নেই। আর পুরস্কার মানে তো ঐ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখি পুরস্কার। ওইটুকু টাকা পেয়ে অধিক শত্রু বাড়ানো। এ ছাড়া বাংলা সাহিত্যে পুরস্কার তেমন মূল্য রাখে বলে মনে হয় না।

Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.