x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

শনিবার, জুন ৩০, ২০১৮

সঞ্জীব সেন

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৮ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।


পথ

একটি সূচিচিশুভ্র শাড়ি পূবের  আকাশে মেলেছে যে,

এক পূর্নবতী বৃষ্টিতে ভেজার আকাঙ্খায়,
এখটি দিদ্ধাগ্ৰস্ত মন ক্রমশ সরে যায়,
তাকে আমি ডাকনামে চিনি,

প্রত্যাগমন নেই,হয়না,
সবাই একমুখি যাত্রী
তবুও ব্যালকনীতে  প্রতিক্ষার চোখ
শ্রাবন্তির কারুকাজ প্রথম দেখায়
ভিতর ঘর যতটা ওলোট পলোট
ততটাই দ্বিধাগ্ৰস্ত মন নিয়ে,

মন থেকে শরীর আলাদা রাখতে জানে ,সেই হলো
আদর্শ প্রেমিক,এসব জেনেছি কাব্য পড়ে,
তবুও কুয়াশা ভোরে হারিয়ে যায় বন্দর
জলজ উপস্ততি নিয়ে জঘন শান্ত পায়ে
যে মেঘ একদিন  ভিজিয়েছিল ধ্যানীবৃক্ষ,
তারপর থেকে প্রতিটি ভোর চূড়ান্ত উপস্থিতি  নিয়ে প্রতিক্ষায় থাকি,

বিনা বিদ্যুতে পুরে গেলে
সে আগুন নেভে কি?
সবুজ ছবি নিয়ে হারিয়ে যায় কুয়াশার পথে,
তবুও ফিরে আসতে চায় শুরুর দিকে,
প্রত্যাশার প্রহর শেষ হলে ফিরে আসার
ইচ্ছেরা  পথ হারিয়ে ক্লান্ত হয়ে যায়।





Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.