x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, জুন ৩০, ২০১৮

কোয়েলী ঘোষ

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৮ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
কোয়েলী ঘোষ
মেঘদূত  আলোকে 

ওগো মেঘ , যাও উড়ে যাও সেই অলকাপুরী
নিয়ে যাও আমার তৃষিত বিরহী প্রাণের বার্তা ,
আমি এক অভিশপ্ত যক্ষ ,আছি একা , বড় একা ।

এই নাও কুরচিফুলের অর্ঘ্য , এই মৃদুমন্দ বাতাসে ,
ভেসে যাও রামগিরি পর্বত থেকে সুদূরে ---
সাথে সাথে তোমায়  ঘিরে যাবে বলাকার দল ,
সূর্যের সাতটি রঙের বিচ্ছুরণে রামধনু আঁকা গায় ।

ওগো মেঘ , পেরিয়ে যেও আম্রুকুট পর্বত , নিও উষ্ণতা ,
বারিধারা হয়ে পড়েছিলে ঝরেছিলে যে অরণ্যের দাবদাহে ,
সেই অরণ্যানী দেবে ছায়া , আশ্রয় । ঢেলো জল তৃষিত প্রাণে ।

বিন্ধ্যপর্বতের নিচে বয়ে চলেছে রেবা নদী কুলকুল ,
বরিষণে রিক্ত হয়ে জলপানে পূর্ণ করবে সে ।
যেতে যেতে পথে কদম্ব ফুল সৌরভে দেবে ভরিয়ে ,
নদীর তীরে তীরে ভুঁইচাপা ফুল , ছুটে যাবে হরিণ
কেকাধ্বনিতে পেখম তুলে স্বাগত জানাবে ময়ূরদল ।

কত বন ,উপবন পেরিয়ে বিদিশা রাজ্যে করবে প্রবেশ ,
বেত্রবতীর স্বাদু জলপানে হবে তৃপ্ত ।তীরে যূথিকার ঝাড় ,
নদীর ভ্রূভঙ্গি , বধূদের ভ্রুলতাবিলাস দেখতে দেখতে
উজ্জয়িনীর অট্টালিকা ক্রোড়ে নিও বিশ্রাম ।

,ভেসে যেও মেঘ  তুষার হিমালয়ের পথে
কৈলাসের মানস সরোবরের বুকে , পার্শ্বে অলকাপুরী ,
কুলকুল নিরবধি বয়ে চলে ভাগীরথী ।

সেখানে আমার প্রিয়া আছে বসে , করতলে ঢেকে মুখ্ ,
রুক্ষ কেশ ,মলিনবসনা , সিক্ত দুটি আঁখি ,
অবহেলায় পড়ে তার বীণা ,গায়নি গান ।

ওগো মেঘ , দূত হয়ে যাও তার কাছে
জানিও - কুশলে আছি আমি ,সন্তপ্ত প্রাণ ,
আঁকি প্রিয়ার মুখ ,মুছে যায় নয়নের জলে --
জাগরণে ,স্বপ্নে হয় প্রিয়ার সাথে মিলন ।

ওগো মেঘ , আর চার মাস প্রতীক্ষার শেষে
 ফিরব আমি তার কাছে  , বোলো -রেখ বিশ্বাস ।
আসার সময় একটি  স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে এসো তার ।

ও মেঘ দূত  ,দাও জল এ  চাতক প্রাণে
তুমি পূর্ণ হয়ে ফেরো দেশ থেকে দেশান্তরে ,
তোমার বিদ্যুত প্রিয়ার সাথে যেন না হয় বিচ্ছেদ ।




Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.