x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

শনিবার, জুন ৩০, ২০১৮

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৮ | | মিছিলে স্বাগত
সাধ ।
একেএকে নাম ভাসিয়ে দিলাম আমি । ইদানিং আমি গল্পও ভাসিয়ে দিতে পারি। তারপর বোবার মতো গোল্লা টানি জলে । একটি ঢিল তারপর জল । তারপর ব্যাঙ লাফালো । জল ঘুরছে ।ঘূর্ণি । ঘূর্ণির মতো বিকেল ।একপাশ ঘেঁষে নেমে যাচ্ছে সূর্য । গ্রীষ্মের বিকেল ,তখনো ভাপ লেগে থাকবে মাঠের সমস্ত ঘাসে ।

মন্ডলদের গরুর বাচ্চা হয়েছে দিন পনেরো হলো । তাকিয়ে থাকলে পাঁজরা গোনা যায় । পাঁজরার ভেতর কোন ধুকপুক দেখেনি কেউ । গোতনের মা হাত ঢুকিয়ে বাছুর টেনেছে বাহ্যদ্বার থেকে । অথচ তেমন রক্ত ওঠেনি গায়ে । মরা চোখে একমনে ঘাস দেখছিল সে । নির্জীব ।নিঃসাড় ।মা হলে যেমন যেমন তার ওঠে বুকে তেমন কোন টান ছিলনা রাধির । বাছুরের থেকে মুখ ফিরিয়ে অদ্ভুত একটা শ্বাস নিল রাধি ।তাতে ধুলো উড়ল খানিক ।গ্রীষ্মের ঘাস এতখানি শুকনো ,ভেতরে কোন রস অব্দি নেই ।চিবুলে সোয়াদ জাগেনা জিভে । সোয়াদ মরলে ক্ষিদেও খারাপ হয় ।ঠিক যেমন মন্ডলদের সেজ গিন্নির হয় । সেজ কত্তা খোজা । শরীর জাগেনা । গিন্নির বুকে দুধ সাজতে চায় । গিন্নি শুকনো ধুলোর ঝড়ে মিছিমিছি জামাকাপড় খুলে ঘরের ভেতর নদীর মতো দাঁড়ান ।একদিন নৌকাও জলসাঁতার শিখবে ।একদিন খুব শিল পড়বে সেজ গিন্নির ঘরে । কোমর ,পিঠ ,বুকে আলাদা করে নদী নামাতে পারে সেজ গিন্নি ,সেসব খবর কি কেউ জানবেনা কোনদিন ?!

এবছর বড় মুকুল হলো গাছে । উপর চাইলেই মিহিন নামে মুখে । কত আঠা তোলা আম মাটিতে এসে পড়ল ।নিদয় হয়ে ঠাকুর সে পথে হরির নাম ছড়ায় । ও একবার ছেড়ে দিলে সোনার গৌর আর তো পাবোনা । না ,না ,না আর তো পাবোনা । নিদয় ঠাকুর এই ফাগুনের ঝড় থাকে ।সে ঝড়ে বাই বাতাস নেই । কেবল নাড়া দিতে জানে । ডাল ঝুঁকিয়ে দেয় । ঝড়ে তোলপাড় অথচ নড়নচড়ন নেই । নিদয় ঠাকুর কেউ জানেনা কোন দুপুরেই বয়স বাড়তে নেই ।সকল সকল গল্প এই অবেলায় দিনেমানে হাটে দাঁড়িয়ে থাকে । এখন তো দেখার দিন । কেবল গল্পের গায়ে থেকে অবেলায় চলে যাওয়াই সত্য ।

চলে যাওয়ার পরের কোন গল্প হয়কি ঠাকুর ?এই শুকনো রাস ।এই বেড়শ্যাওড়া গাছ ।মঞ্চ বেয়ে নেমে আসা জাত গোখরোর ছাল ।আমায় তোমায় কোনো জন্মে এই সরানে দাঁড়িয়ে ছিলাম চুপটি করে । কোন জন্মে আমাদের জল নাইতে ছিল । ডানা ছাইতে রোদ নেমে যায় জলে ।উল্টোমুখে লাল সুরকির পথ ।একখানা পাকুড় গাছের আড়াল ।এক সকালে ,আলো ফোটেনি ,এ পথে চলে যেতে হয়েছিল ।তারপর একসময় গল্প ভেঙে যায় । রাধি গাই বোবার মতো দুধ ঝরিয়ে দেয় ,ঘাসে ।ঘাসেদের স্নান ।চোখে দেখিনি ।আর যা দেখিনি কোনদিন তার লেগে বরাবরের ঝুঁক । সরলাদেবী বালিকা বিদ্যালয় ।ছুটি বাজলে ,ঘন্টা ভেসে যায় ।

আকাশের নাকি পেট রয়েছে এক । মস্তবড় ক্ষিদে জুড়িয়ে নিতে আকাশ কেবল গিলে ফেলতে জানে । শেষরাতে চিতার শোকতাপ ,শাপ লাগানো ডানা মানুষের গান ,নিদয় গোঁসাই পরজনমে ধুলায় ফেলে রেখো । যদি কখনো বীজটি ধরি গর্ভে !

dr.sayannya34@gmail.com


Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.