x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

শনিবার, জুন ৩০, ২০১৮

আব্দুল মাতিন ওয়াসিম

sobdermichil | জুন ৩০, ২০১৮ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
আব্দুল মাতিন ওয়াসিম
আমি কে...!  
মূল - নাযিক আল্‌-মালাইকা, ইরাক
অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম


রাত জিজ্ঞাসে—আমি কে!
আমি তার নিগূঢ়-উদ্বেগ
তিমির-ঘেরা বিচলন। 
আমি তার অবাধ্য নীরবতা।
যে–নীরবতার দহনে
তুষ্ট করেছি নিজ মনকে
মুড়ে নিয়ে অনুমানের চাদরে 
আর নিষ্পলক চেয়ে আছি ক্লান্ত চোখে। 
তাই কালও জিজ্ঞাসে—আমি কে?

আমি কে—তা জানতে চায় হাওয়া!
আমি তো তার উদভ্রান্ত আত্মা।
বর্জন করেছে সময় আমাকে
তাই বায়ুর সাথে শূন্যে চলেছি ভেসে।
চলছে আমার এক অফুরান পথচলা
এক অনন্ত-অবিরাম, চিহ্নবিহীন যাত্রা।
অবশেষে যখন পৌঁছবো
জীবন-পথের শেষ মোড়ে
মনে হবে– এই তো দহনরাত্রির শেষ;
তারপর আবার সেই মহাশূন্যতা!

মহাকালও জিজ্ঞাসে—আমি কে?
আমি তারই মতো এক মহাকায়
শতশত বছরকে সযতনে রাখি’ 
দিয়ে চলেছি তাকে পুনর্জীবন।
মনোরম আশার স্ফুরণ দিয়ে
আমিই সৃষ্টি করি সুদূর অতীতকে;
আবার আমিই সমাহিত করি তাকে
নিজের জন্য এক নতুন অতীত
তৈরি করবো ভেবে;
ভাবীকাল হবে যার স্নিগ্ধ শিশির। 

নিজ সত্ত্বাও জিজ্ঞাসে, অবশেষে—
আমি কে?
আমি তারই মত বিমূঢ়-দিশেহারা
দীঘল আঁখি মেলে চেয়ে আছি অন্ধকারের পানে
শান্তি নেই কোথাও !
যদিও নিরন্তর চলে সেই জিজ্ঞাসাবাদ
যার উত্তর ঢাকা পড়ে যায় মরীচিকাবৎ পর্দায়।
তবুও ভাবি সে আসবে;
কিন্তু যখনই গিয়ে দাঁড়াই তার কাছে
দেখি—সে নিথর; হয়ে গেছে বিলীন
এক অদৃশ্য ঠিকানায়! 

[ নাযিক আল্‌-মালাইকা। কবি, সমালোচক এবং গবেষক। জন্ম ২৩শে আগস্ট ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে ইরাকের বাগদাদে। বিখ্যাত হয়ে আছেন আরবি ভাষার প্রথম সার্থক মুক্তছন্দের কারিগর হিসেবে। ১৯৪৫ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘আশিক্বাতুল্‌ লায়লি’ (দ্য নাইটস্ লাভার, রাতের প্রেমিক) ১৯৪৭-এ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সোশালিস্ট আল্‌-বা’স পার্টির আগ্রাসনে দেশান্তরি হয়ে কুয়েতে বসবাস করতে থাকেন। পরে ১৯৯০ সালে সাদ্দাম হোসেনের আমলে আবার দেশে ফিরে আসেন। দীর্ঘদিন পারকিন্সন্সে ভোগার পর ২০শে জুন ২০০৭-এ কায়রোতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।]

أنا
نازك الملائكة

الليل يسأل من أنا
أنا سرّه القلق العميق الأسود
أنا صمته المتمرّد
قنّعت كنهي بالسكون
ولففت قلبي بالظنون
وبقيت ساهمة هنا
أرنو وتسألني القرون
أنا من أكون؟
والريح تسأل من أنا
أنا روحها الحيران أنكرني الزمان
أنا مثلها في لا مكان
نبقى نسير ولا انتهاء
نبقى نمرّ ولا بقاء
فإذا بلغنا المنحنى
خلناه خاتمة الشقاء
فإذا فضاء !
والدهر يسأل من أنا
أنا مثله جبّارة أطوي عصور
وأعود أمنحها النشور
أنا أخلق الماضي البعيد
من فتنة الأمل الرغيد
وأعود أدفنه أنا
لأصوغ لي أمسا جديد
غده جليد
والذات تسأل من أنا
أنا مثلها حيرى أحدّق في ظلام
لا شيء يمنحني السلام
أبقى أسائل والجواب
سيظلّ يحجبه سراب
وأظلّ أحسبه دنا
فإذا وصلت إليه ذاب
وخبا وغاب



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.