x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বুধবার, মে ০৯, ২০১৮

তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | মে ০৯, ২০১৮ |
সুন্দরের জন্য
ন্ত্রণায় বিদ্ধ হয়ে আছি। নীলের ক্যানভাসে হেসে ওঠা কৃষ্ণচূড়াকে বলেছি এ হাসি মানায়না এখন। বরং কালবৈশাখীর কাছে কিছু শর্ত রাখা যায়। সে যদি উড়িয়ে দিতে পারে কিছু ভয়ের চালাঘর, ভেঙে দিতে পারে কিছু জমে থাকা পাপের দেওয়াল যার গায়ে লাগানো আছে গাঢ় রঙের পোঁচ। অন্য এক আশঙ্কায় ভরে যাচ্ছে চায়ের দোকানের বেঞ্চে পাশে বসার জায়গাটি। তার মুখে অন্য কারও ভাষা। সে ভাষা শুনিনি কখনো। মনুষ্যত্ব ছিঁড়ে খাওয়া জঘন্য কোন অপরাধের প্রতিবাদে যখন সারা মানচিত্র ক্রোধে কাঁপছে, তখন সে বলছে এরকম তো কালও হয়েছে, পরশু হয়েছে। আজ না হয় বারান্দায় হলো, কাল তো ব্যালকনিতে হয়েছিল। তখন সব চুপ করে ছিল কেন? তাহলে আজ এত প্রতিবাদ কিসের? তখনই শিরদাঁড়া বয়ে নেমে যায় মাইনাস নাইন্টি ডিগ্রী একটা হিম স্রোত। এভাবেও ভাবে কেউ! এভাবেও ভাবানো যেতে পারে! একটা প্রশ্রয়ের পাতলা ছাউনি। তারও সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটা ভয়ংকর অপ্রেমের আহ্বান। অপ্রেম কেন, হিংসা। সে শুধু খালিহাতে মনে মনে হিংসাবোধ নয়। তার সঙ্গে আছে তাৎক্ষনিক জয়ের উল্লাস। যে কোন মূল্যে জয় চাই। সব মিলে একটা সিস্টেমের বিরুদ্ধে আকাশজোড়া নৈরাজ্য। মনের এই কলুষ ঘুচবে কিভাবে? এই দূষণ তো হাওয়ার সঙ্গে উড়ে যাচ্ছে গাছতলা থেকে মাল্টিস্টোরিডের ডিশ এ্যন্টেনা ছুঁয়ে সেই কৃষ্ণচূড়ার দিকেই! সবকিছু ছাড়িয়ে যে মহাজীবন, সেই বোধের বিরুদ্ধেই তো এর যাত্রা।

এসময় নস্টালজিক ভাবনায় মশগুল থেকে রঙিন সুতোয় মলিন সাদা ফুলগুলির মালা গাঁথি কি করে! কিন্তু সমস্ত সংকীর্ণতাকে ভাসিয়ে দিয়ে চিরকাল নদী বয়ে গেছে নিজের ছন্দে। সেটিই জীবন। তাই যা কিছু দ্বন্দ্ব ছেড়ে কৃষ্ণচূড়াকে বরং আরো হাসি ছড়িয়ে দিতে বলি। শিশুর মুখের ফুঁ তে বেজে উঠবে বলে অপেক্ষা করছে যে বাঁশীগুলি মেলায় ফেরি করা বাঁশীওলার কাছে, সেগুলি যাতে ভিন্ন ভিন্ন সুরে বেজে উঠে সেই আনন্দেরই প্রকাশ করতে পারে তারই বরং আয়োজন হোক। জানি তো সত্য আর শুভর সঙ্গে জীবন শেষ পর্যন্ত বেছে নেবে সুন্দরকেই। 


tarasankar.b@gmail.com



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.