x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

কোয়েলী ঘোষ

sobdermichil | জানুয়ারী ৩১, ২০১৮ | |
ঐতিহ্যময় বাড়ির সন্ধানে ---
ই সেই বাড়ি বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক সৃষ্টি যেখানে হয়েছিল । সেই ঐতিহ্যময় বাড়িটি বিক্রির খবর টি ভি তে শুনে মর্মাহত হত হয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম ।তখনই বন্ধু কেয়া বলেছিল -আসুন ,একদিন বাড়িটি দেখিয়ে আনি ।পরে বাড়িটি শুনলাম বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কিনে নিয়েছে । তাতে স্বস্তি পেয়েছি ।

পাইক পাড়ায় নেমে রিকসা করে পৌঁছে গেলাম সেই প্রসিদ্ধ বাড়িতে । দোতলা বাড়িটির গেট বন্ধ । ওপরে দরজা জানলা সব বন্ধ । কাউকে পাওয়া গেল না যাকে জিজ্ঞাসা করা যায় । বেশ হতাশ হয়ে ফিরে এলাম । মনের ইচ্ছা , লেখকের বাড়িটি যেন ঠিকমত সংরক্ষণ করে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় ।

এরপর কেয়ার সাথে গেলাম প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের বাড়ি । বাড়িটির সারা গায়ে কালের ছাপ , গায়ে বড় বড় গাছ ইটের খাঁজে ।চারিদিকে আবর্জনার স্তুপ ,নিচের রংকরা অংশটি বিক্রি হয়ে গুদাম ঘরে পরিণত হয়েছে । দরজাগুলো ইট দিয়ে বন্ধ । একজন স্থানীয় মানুষ জানালেন । বাড়িটি মিউজিয়াম হবে বলে সরকার নিয়ে নিয়েছে । আমরা ছবি তুললাম ।
বাঁদিকের গলি দিয়ে গিয়ে যে বাড়িটি বাইরে থেকে দেখে এলাম সেটি এক বিশাল বাড়ি । সেই বাড়িও একদিন ছিল দ্বারকানাথ ঠাকুরের ।পরে বিক্রি হয়ে যায় । বাড়িটিতে এখন তাঁরাই বাস করেন । একদিন চারিদিকে গোলাপের বাগান ছিল , এখন সব আবাসন ।


হারিয়ে যাচ্ছে পুরনো দিনের ঐতিহ্যময় বাড়ি সঠিক সংরক্ষণের অভাবে । হারিয়ে যাচ্ছে সংস্কৃতি । এখন কি তার কোন মূল্য নেই ? এই ভাবনা ভাবতে ভাবতে আমরা বিষণ্ণ মনে ফিরে এসেছি ।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.