x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বুধবার, জানুয়ারী ৩১, ২০১৮

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | জানুয়ারী ৩১, ২০১৮ |
কনফেশন বক্স ।
নামটা এই মুহূর্তে সঠিক বলতে পারবনা কারণ সেইসময় পালিয়ে যাচ্ছিলাম আমি । কোথায় ,কতদূর ,কিভাবে মুখ নামালে আমাকে সেভাবে স্পট করা যাবেনা সেটাই শুধু কাজ করছিল মাথায় ।

কেউ একজন উত্তাল গালি দিয়ে লিখেছিল 'দুঅক্ষরের পাঁচালি সভায় তোদের মতো ঘেয়ো চতুস্পদেরাই যায় । তোদের অঢেল সময় । তোরা তোদের সময়কে বেচতে শিখিসনি । শিখিয়ে দিলেও পারবিনা ।কারণ তোরা জাত কাঙ্গাল । শ্রীজাত যাবে ? শীর্ষেন্দু যাবে ? নবনীতা যাবে ? সুনীল যেত ? সুচিত্রা যেত ?ওইরকম ফ্যাফ্যা করে ব্যাগ দুলিয়ে কবিতা পড়তে যাবেনা ওরা কিছুতেই ।ওদের সময়ের দাম আছে । মঞ্চে একঘন্টা দাঁড়ালে যা দাম ,কবিতা পড়লে আলাদা । আবার ফিতে কাটলে আরো আলাদা কিছু । শোন ওরা বিক্রি করতে জানে ।শুনিসনি ,টাইম ইজ মানি ! ওই শুনেইছিস জাস্ট ।বুঝিসনি কিছুই । না বাজার ,না পণ্য ,না বিক্রি আর না সময় । তুই হতভাগা একটু মঞ্চ ,একটু পি .আর আর দু তিন কপি বেশি বিক্রির জন্যে মঞ্চে মঞ্চে দাঁড়িয়ে পড়ছিস ভ্যাগাবন্ডের মতো ! সুযোগ পেলেই হেসে নিচ্ছিস বাঘ সিংহের পাশে । তোকে যে ছাল ছাড়ানো শুয়োরের মতো ভ্যাদভ্যাদে লাগছে সেটা কখনো বুঝতে পেরেছিস কি ?

শোন , যে লোকটা দুম করে মরে গেল । লোকটা কবিতা লিখতে চাইত । বই করতে চাইত । হয়তো মঞ্চও চাইত বা ধরে নে চাইতনাই ।কিন্তু ভেবে দেখিস মরে যাওয়াটা ওর ডিজায়ারড ছিলনা কখনোই । মরণোত্তর নোবেল দিয়ে কোন এরিয়ার দু অক্ষর ছিঁড়বে বে!? যদ্দিন দুকপুক; তদ্দিন আয়েশ । ভূত ফুত হয়ে গিয়ে বই বগলে কোন সুড়ঙ্গে বাঁশিটি ফুঁকে আসবে সে ব্যাটাচ্ছেলে ! এতএব তোদের আঁশটে ন্যাকামি রাখ ! তোরা লোভী সারাক্ষণ শুধু সুযোগ খুঁজে বেড়াস । অল্প জীবনটাকে অনর্থক ছেলিব্রিটি বানিয়ে ফেলার অদ্ভুত নেশায় নিজেদের শুধু নিচের দিকে টানিস। তোরা দুঅক্ষর । তোরা চারঅক্ষর । তোরা তিনঅক্ষর । অ্যাডমিট কর ছাগল ।এরপরে আর কিইবা বলা চলে ?যা গিয়ে কাজকর্ম কর। পেটের আগে পদ্য নয় বস । আর শোন, যা আছিস হেব্বি আছিস ...এই মন্তরটা রোজ জপ করিস । তারপর মঞ্চ মঞ্চ ,কবিতা কবিতা , বইবই চুলকুনিগুলো আপনাথেকেই কমে যাবে দেখিস !আর কিসসু বলবনা ।যা ভাগ ! ফোকটে জ্ঞানইবা খেতে কেন যাবি ?!'

কথাগুলো পড়তে পড়তে আমি পালিয়ে যাচ্ছিলাম লজ্জায় । আমার ভয় লাগছিল মুখ তুলতে । আমি ভিড় খুঁজছিলাম মিশে যাব বলে । একলা হওয়া হয়তো বড় রিলিফ কিন্তু কখনোসখনো আত্মগোপন লাগে । সময় লাগে ।প্রশ্নগুলো নাড়াচাড়া করে যদি কখনো স্নান সেরে ফিরে আসতে পারি !

নতুন বছরটায় রোজ বলব 'আল ইজ ওয়েল ...আল ইজ ওয়েল' হে বন্ধু ! চলো শীতের দিনে জমিয়ে পিকনিক করি । পাঠকই যদি জরুরি হবে তবে মঞ্চের মুখে মুতে দিতেও দুবার ভাববনা নিশ্চিত !



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.