x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বুধবার, জানুয়ারী ৩১, ২০১৮

বিপ্লব পাল

sobdermichil | জানুয়ারী ৩১, ২০১৮ |
বিপ্লব পাল
 জলপিপাসার মেঘে ক্লিওপেট্রা ও তুমি 



হ্যাংগিং ব্রীজে খুলে রেখেছি পেসমেকার
তোমার বৈধ ল্যান্ডরোভার সদ্য ফিরেছে ব্লু-হিলস থেকে
নোম্যানসল্যান্ড
আহ্লাদে খুলেছি বাঙময় জৈবকথন
কড়িকোঠায় চিত্রকলার তুখর ফলক
সুদর্শন পীঠ
নাজমীন আত্মাকুন্ডলী কোলাজের স্রোত অজুত নটিক্যাল দূরে
তবুও মজ্জায় ঢুকে পড়ে ঈশ্বর ও আল্লার উদ্গত ব্যভিচার



তোমার ল্যান্ডরোভার উঠে এসেছে ঋজু মেটেলির দৃশ্যসংগীতে
চালকবিহীন রসসম্ভোগে আমি কোরিওগ্রাফার
অভিজ্ঞতায় সরিয়ে রাখি নস্টালজিক টিপ্পনি
স্পর্শহীন উরু আঁধারে ইশারার ইকড়ি মিকড়ি
দুরন্ত পেয়ালায় ভরে দিয়েছো আরব্য উপাখ্যান
নিরর্থক নিষিদ্ধ বলে কিছু নেই
অকপট ঘাসে কুয়াশার গন্ধমায়া, শ্লোকের রিংটোন
রকি আইল্যান্ডে তুমি দুরূহ স্রোতের ক্লিওপেট্রা...
এই উপলখন্ড তোমার নক্ষত্র শীৎকার

পেলব জ্যোৎস্নায় মালকোষ গাইবেন ভীমসেন যোশী



আকাশে উড়ে যায় জলপিপাসার মেঘ
আমি জলথৈ মেঘ নিয়ে ফিরে আসি
নাজমীন জ্যোৎস্নার তটে
এখানে প্রবল তৃষ্ণার খাদ
পিকাসোর ব্রক্ষ্মতালু ক্ষুধার উষ্ণীষ
দাঁড়কাক খুঁটে খায় কোমল রোদ
দেবীর কাঞ্চন ধূলিকণা
তোমার ফসলের ক্ষেতে সবে সন্ধ্যা নেমেছে
অবিরল ঘ্রাণের সংকেত গোপন মুদ্রায় প্রসর পুণ্য
দু’জনেই উবু পরস্পরে, দু’জনেই উন্মুখ ফসলের আয়োজনে
 


গর্ভ থেকে উঠে আসবে আন্দোলন
নিটোল সমুদ্র কর্ষনে বেঘুম রাত, অভ্রান্ত ফসলের ক্ষেত
ঠোঁট রেখেছি স্তনজঙ্ঘাযোনির বৃক্ষশিরায়
মহার্ঘ সম্বল ছুঁয়ে
ধর্ম নয়। অপার উৎসবে নিবিড় লালন
আমার আত্মার সম্বিত শব্দহীন

যতটুকু ফসল ছিল শূন্যের ততটুকু তোমার গর্ভের
অথচ আমার দেশে আগুনের বীজবৃক্ষ তূণ...
তুমি গর্ভ ভরে নাও কারুকার্য ঔরস, রাতের পাঁজর, সরল আজান



আমার দারিদ্রের দরজা খুলে
ধরে ফেলি তোমার কোমল গান্ধার
প্রলুব্ধ ক্রিয়া। নদীর নিরীহ ঘ্রাণ
নির্জন হও
ঢেউয়ের দৃশ্যাবলী ভাঁজে এখনো বিস্তার বাকি
ঋতুদাগে আলতো আরোহণ। ইন্দ্রিয় বিনিময়... 



লিরিক দিগন্তে খুলে দিয়েছ স্তনের ফলক
গহন টেক্সচার
শুধু মানবী নয়, সমূহ উদ্যান

নাজমীন জরিপ করে নাও কৌণিক উচ্চতা
তোমার কাছে ন্যুব্জ বসত



আমার শব্দের বাগানে তোমার ইন্দ্রিয় স্তবক
তুমি তাকে লালন করো

আমার বৃষ্টি এলে সংশ্লেষের আয়োজন
তুমি দাও আরও ক্লোরোফিল

আমার লৌকিক গূঢ় অন্ধকার পঠন
তুমি ধারণ করো অপঠিত যৌবন

আমার কোমল ক্ষুধায় খসে পড়ে দরিদ্র পালক
তুমি তাকে যত্নে উজ্জীবিত করো
আমার উঠোনে মৃত্যুবাক এসে দাঁড়ালে
তুমি দাও সঞ্জীবনী আরোগ্য

তোমার শীতের আগল খুলে প্রবল তোলপাড়
সম্মোহন স্তবকে ভেসে যায় আমাদের প্রসব



জলপিপাসার মেঘে ক্লিওপেট্রা ও তুমি
একক সংকেতে আমাকে নির্দেশ পাঠালে
আমি জানি নাজমীনের আলতো কোমল স্তনতরঙ্গে
ক্ষেত্রফলের ব্যস ও ব্যসার্ধের কৌণিক স্থপিত
নাভিমূল প্রকৃত চুম্বনতট
তিন ফসলার ক্ষেতে ফসলের জল লাঙলের ডগায়

সুধাগন্ধ কোলাজে কী ধর্ম তার? জলপদ্ম যোনি
আরোগ্য ডানায় আদ্র মল্লার
 
দহন সংলাপ শিরায় মানবীর কাছে একা অফুরান পরত পর্যটক 



তোমার ধ্রুপদ শয্যায় কাঙালের মোহিনী বাক
প্রত্নজীব অন্তরঙ্গ প্রলাপের শব্দ আলিঙ্গন 
এসো লিলিথ খুঁড়ে খাও স্পৃহার আধিপত্য সম্ভোগ
জন্ম দাও জ্ঞানবৃক্ষ

১০

তুমি তখন সবে ফ্রকের ভেতর রূপকথার ধারাভাষ্য লিখতে শুরু করেছো
তখনও জন্ম হয়নি ধর্মের বিপণন
মেঘের দরজা খুলে তোমাকে এনে দেই সূচক গন্ধ, লীনতাপ, গোপন জন্মকথা
ব্যপ্ত গার্হস্থ্য ফেলে ক্যানভাসে এঁকে রাখি মেঘবর্ণ ত্রিভুজ ও এপিটাফ বৃত্ত যুগল
হরিণ শাবকেরা এসে মুখ দেয় কচি মিথুন ঘাসে

পার্পেল ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট খুলে একদিন মহাকাব্য লেখা হবে




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.