x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

রুমেলা দাস

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
"ধর্ষণ"
-'বাবু, আমি তো আর পারছিনা রে! পাঁচ-পাঁচটা বছর হয়ে গেল তুই একবারও এলিনা।ওদিকে তোর জেঠু, জেঠিমা.......

কথাটা শেষ হবার আগেই কট্ করে ফোনটা কেটে দিলো বৈভব। এরপরের মায়ের কথাগুলো মুখস্থের মতো শোনায় প্রতিবার। কান গরম হয়ে ওঠে। চোখ জ্বালা করে। ত্রিশ বছরের জীবন একটা বিশ্রী আঁশটে গন্ধে ভরে গেছে। যা কিছুতেই মুছে ফেলতে পারছেনা। মুছতে দিতে চাইছে না সমাজ। 'ধর্ষক'-এর তকমাটা শুধু পারিজাত ব্যানার্জী নয়, তার পরিবারকেও তারা করে বেড়াচ্ছে।কি হয়েছিল, কেন হয়েছে তা জানেনা বৈভব। শুধু এটুকু মনে পড়ে সেলে থাকা বাবার শেষ কথাটা-' বাবলু আমি ধর্ষণ করিনি। রুমি-তো আমার মেয়ের মতো।' আর তারপরেই বাঁ-দিকের বুকটা ধরে বসে পড়েছিল জাল দেওয়া দরজার কোনাটায়।

সহ্য করতে পারেনি। মাথা নিচু করে চলে এসেছে,বাড়ি থেকে অনেক দূরে। স্বনির্ভর হতে হবে। তবু ওই একটা শব্দই ওর প্রতিটা নিঃশ্বাস-কে করে চলেছে 'ধর্ষণ'।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.