x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

রিয়া চক্রবর্তী

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ |
অচেনা পৃথিবী
জ আবার নির্ঘুম রাত। গানে গানে কেটে যাচ্ছে আর সাথে প্রিয় উপন্যাস। পৃথিবী চলেছে নিজের গতিতে। নদীকে পৌঁছে দিতে সাগরে।আজ তবে পৃথিবীর জরিমানা হোক। কেন সে সব নদীর হাত নিয়ে, সাগরের হাতে দেয়?কেন সব মন চুরি করে মেঘ হয়ে উড়ে যায় আকাশে?আর কেনই বা ঘাসেদের  সব রঙ চুঁইয়ে চুঁইয়ে  ঢেলে দেয় শিশিরে? তাই আজ পৃথিবীর জরিমানা হোক।

দূরে কোন রাতপাখির ডানার আওয়াজ। উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকটা রাতে এসে মগজে ঘুরপাক খায় ভুলে যাওয়া কষ্টেরা। চলতে চলতে চেনা হয় আরেকটা অচেনা পথ। পুরনো পৃথিবীকে ঘিরে নেয় নতুন এক গান।

পৃথিবীর যত সব আবদার, দাবি কেড়ে নেওয়া হোক। সব তারা কেন আকাশের চুলে সাজায় ? আর সব কষ্ট ভুলে গিয়ে কোন ফাঁকে মন খুঁড়ে, ভালোলাগা পুঁতে যায়? ঘাসেদের ফুলে ফুলে   আলগোছে রামধনু কেন রং ছেপে দেয়? তাই আজ পৃথিবীর যত সব আবদার কেড়ে নেওয়া হোক।



চারিদিকে জলপাই আলোর মিছিলে শীতের আমেজ। আর রয়েছে নরম তুলোর বলের মতো  আদুরে ইন্তি-বিন্তি বেড়াল ছানা। কুচিকুচি চোখ তুলে নিমেষে আদরের আবদার । ঘোলাটে দৃশ্যে দিন শুধু বেড়ে যায়। বড্ডো বেশি ভিড় যেন চারিদিক, নিঃশ্বাসে ভরে যায় বাতাস ,উত্তাপ।

তবে পৃথিবীর মজলিশ বেঁধে দেওয়া হোক। রোজ কেন ভোর হলে পাখিদের কাকলিতে বাঁশিসুর ঢালা চাই? আকাশের কোণ ধরে রোজ রোজ কেন সোনালি রঙে আঁচল ছড়ায়? হাওয়ার কানে কানে বৃষ্টির ডাক-কেন লিখে দেয়? তাই আজ পৃথিবীর মজলিশে বাধা দেওয়া হোক।

ইতিহাস ঘুরে ঘুরে আসে, আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতি হারে। মনে হয় এই বুঝি ফাঁকি দিয়ে এগিয়েছে অনেকটা পথ, মূহুর্তে ভুল ভাঙে। আরবার ফিরে আসা একই বিন্দুতে, বৃত্তের কেন্দ্রে। ব্যাসার্ধ ছোট থেকে বড় হয় অথবা বড় থেকে ছোট।লুকিয়ে রাখে সবটুকুই। এই লুকানো একলা পৃথিবীকে বুঝে নিক আবরে সবরে, গল্পে, গল্পে। যদিও গ্রহণের শেষে সবটুকু ক্ষয়।

পৃথিবীর সব ভালো মুঠো মুঠো ছাই হয়ে যাক। কেন রোজ ভোর পাখিদের পালক চিনে হাওয়ায় ভেসে আসে?  মাঝে মাঝে চিনচিনে ব্যাথা হয়ে কেন  তারা জ্বালে রোজ সাঁঝ আকাশে? কেন জলপরী  ডুব দেয় সাগরের ঢেউ ঘেঁষে? তাই আজ পৃথিবীর সব ভালো মুঠো মুঠো ছাই হয়ে যাক।

পৃথিবী ক্লান্ত হয়ে স্থির হয়ে থাক। কেন আকাশ ধুয়ে জল নামে পৃথিবীর চোখ। চোয়ালের কোনা ঘেঁষে বড় বেশি জেদ স্থির হয়। মগজের কোষে কোষে জন্ম নেয় মেঘ। জন্মান্তরের দোষে পুড়ে যায় শরীর। সন্ধ্যের নরম আলোয় চোখে পথে নামে সন্ন্যাসি গৈরিক আভা। পৃথিবী ক্লান্ত হয়।আজ তাই পৃথিবী পথ ভুলে যাক।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.