x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

পৃথা রায় চৌধুরী

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ |
পৃথা রায় চৌধুরী
 মানুষ, পিশাচ বা দেব 

অলৌকিকের গল্প বলি, বলি মায়ের দেবধর্ষিতা হবার কাহিনী। বলি, শোনো। গর্ভাশয়ে পাপবীর্যের মেয়েভ্রুণ সমেত ছিঁড়ে নিচ্ছে মহানারী। দেবদল, চেয়েছিলে নিজ নিজ বীর্যের নিষেকে ভ্রূণের পিতৃত্ব, মহানারীর মহাকন্যা ভ্রূণ! ক্ষমতা অসীম!

কোন গাছে ফলিয়ে দিলে আদরের বোন, পবিত্র দেবপুরুষ, পাপাত্মা দেবকুলের কলঙ্কসম। গ্রহাধীশের আঁধার নিয়ে আসে পবিত্র কাকের ডানা। আঁধারে আলো, বীজবতী হও ফল, অঙ্কুরিত হও বীজ। রক্ষার্থে পুণ্যদেবগ্রহ রুখে দেয় পিশাচদৈবের দৈবপাপ।

অশুচি কাল, দখল নিতে আসো ঔরসজাতার! মহাকন্যা বিষমাস্ত্রে সেজেছি মহারণের সাজ। মহানারী শুনেছো? শোনো তোমার নাজন্ম, নামৃত্যু রূপের পাশে দাঁড়িয়েছে আজ বিষাক্ত তোমার ছায়া, ঘৃণিত পিতার অবয়বে।

যে অস্ত্রে তোমরা মেরেছো, সেই অস্ত্রে শাস্তি দিয়েছি জীবিত থাকার। তোমরা দেখাও খুবলে খাবার ভয়, পরিপাটী সেসব বদলে ফেলি সামরিক বিদ্যায়, ঘৃণায়। দেব অথবা পিশাচের পুরুষকার এবার মেপে নিতে এসেছি আমি।





Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.