x

প্রকাশিত | ৯২ তম মিছিল

মূল্যায়ন অর্থাৎ ইংরেজিতে গালভরে আমরা যাকে বলি ইভ্যালুয়েশন।

মানব জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই শব্দটি অবিচ্ছেদ্য এবং তার চলমান প্রক্রিয়া। আমরা জানি পাঠক্রম বা সমাজ প্রবাহিত শিক্ষা দীক্ষার মধ্য দিয়েই প্রতিটি মানুষের মধ্যেই গঠিত হতে থাকে বহুবিদ গুন, মেধা, বোধ বুদ্ধি, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি। এর সামগ্রিক বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা থেকেই এক মানুষ অপর মানুষের প্রতি যে সিদ্ধান্তে বা বিশ্বাসে উপনীত হয়, তাই মূল্যায়ন।

স্বাভাবিক ভাবে, মানব জীবনে মূল্যায়নের এর প্রভাব অনস্বীকার্য। একে উপহাস, অবহেলা, বিদ্রুপ করা অর্থই - বিপরীত মানুষের ন্যায় নীতি কর্তব্য - কর্ম কে উপেক্ষা করা বা অবমূল্যায়ন করা। যা ভয়ঙ্কর। এবং এটাই ঘটেই চলেছে -

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ | | মিছিলে স্বাগত
আরেকটি যেকোন ধর্ষণ
খনো শেখেনি সে । একটা শরীর কিভাবে কান্না হয়ে যায় আর কতগুলো মুখ কেমন করে ধারালো ক্ষিদে সামনে ধরে নিজেদের জাহির করতে পারে সেই দুর্গন্ধ নরকের ভেতর আগে কখনো হেঁটে আসেনি সে । এই সবে আলো । একটু ভোরের মতো সে কয়েকটা প্রশ্নমালা ধরেছে । প্রতিটি উত্তর মিলিয়ে দিতে পেরে সে পাখি হয়ে যাচ্ছে । আরো আকাশ ,আরো জানলার পাশ ঘেঁষে গড়িয়ে গেল বাবার কেনা প্লাস্টিকের সাইকেল । সে বেল বাজায় । মোড়ের পর মোড় ঘুরতে ঘুরতে কত বন্ধু হচ্ছে তার । সবাই তাকে আদর করতে চাইছে । কিছু আদর কুহকের মতো লজেন্স কিনে দিচ্ছে । কেউ কেউ শৈশবের জানু আঁচড়ে বলছে 'এইবয়সেই কি গড়ন !'

          গড়নের ভেতর কতখানি কান্না বড় হয় সে খবরটা মাও বলেনি তখন। একটা ফুল অথবা কুঁড়ির মতন করে তাকে গণিতের কথা , দেশের কথা , বড়বড় মনীষীদের কথা পড়িয়ে শোনায় বাবা । সবাই বলে বড় হয়ে সে মস্ত মানুষ হবে !



            মস্ত যদিও কখনোই হবেনা সে । মস্ত হওয়ার আগেই সে জানতে পারবে ক্ষিদে ডিঙ্গিয়ে কোথাও কিচ্ছু নেই । ঝিম দুপুরে কিনে দেয়া কাঠি লজেন্স আর দুটাকার হজমিগুলির সাথে কখন যেন নষ্ট হয়েছে সে । মা ,বাবা খুব কেঁদেছে সারারাত । হিসি করতে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে সে । হাগু করতেও তাই । কি ঢুকিয়ে দিয়েছিল ওরা ? কি ঢুকিয়ে দেওয়া হয় ?কতটা লিঙ্গ ,কতখানি বীর্য আর কতরকম স্বমেহনের পরে প্রকৃত তৃপ্তি হয় খুনের রুগীর ?

           আসলে জ্বর ।ভীষণ কিছু অসুখ তুলছি ঘরে । এই উঠোন ,অকারণ কমে আসা শীত ,মহানগরীর দীর্ণ কিছু যীশু তাদের জন্মের পরপর রাতেই বুঝতে শিখছে শরীর কত আগে ....বাবা ,মা ,মাসি ,কাকু ,জেঠু ,দাদা ,স্যার ,ড্রাইভার কাকু , আঁকার খাতা ,একলা ইউরিনাল , আইসক্রিম গাড়ি ,দুটো পুরুষ্ট আঙ্গুল ,একটা পেনসিল , নখের আঁচড় ,ছড়ার বই ,রূপকথার রাজা .....সমস্তকিছু মিথ্যে করে দিয়ে যীশুটি  এখন শরীর চিনতে শিখছে  !






Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

�� পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ শব্দের মিছিলের সর্বশেষ আপডেট পেতে, ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.