x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭

সায়ন্ন্যা দাশদত্ত

sobdermichil | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৭ |
আরেকটি যেকোন ধর্ষণ
খনো শেখেনি সে । একটা শরীর কিভাবে কান্না হয়ে যায় আর কতগুলো মুখ কেমন করে ধারালো ক্ষিদে সামনে ধরে নিজেদের জাহির করতে পারে সেই দুর্গন্ধ নরকের ভেতর আগে কখনো হেঁটে আসেনি সে । এই সবে আলো । একটু ভোরের মতো সে কয়েকটা প্রশ্নমালা ধরেছে । প্রতিটি উত্তর মিলিয়ে দিতে পেরে সে পাখি হয়ে যাচ্ছে । আরো আকাশ ,আরো জানলার পাশ ঘেঁষে গড়িয়ে গেল বাবার কেনা প্লাস্টিকের সাইকেল । সে বেল বাজায় । মোড়ের পর মোড় ঘুরতে ঘুরতে কত বন্ধু হচ্ছে তার । সবাই তাকে আদর করতে চাইছে । কিছু আদর কুহকের মতো লজেন্স কিনে দিচ্ছে । কেউ কেউ শৈশবের জানু আঁচড়ে বলছে 'এইবয়সেই কি গড়ন !'

          গড়নের ভেতর কতখানি কান্না বড় হয় সে খবরটা মাও বলেনি তখন। একটা ফুল অথবা কুঁড়ির মতন করে তাকে গণিতের কথা , দেশের কথা , বড়বড় মনীষীদের কথা পড়িয়ে শোনায় বাবা । সবাই বলে বড় হয়ে সে মস্ত মানুষ হবে !



            মস্ত যদিও কখনোই হবেনা সে । মস্ত হওয়ার আগেই সে জানতে পারবে ক্ষিদে ডিঙ্গিয়ে কোথাও কিচ্ছু নেই । ঝিম দুপুরে কিনে দেয়া কাঠি লজেন্স আর দুটাকার হজমিগুলির সাথে কখন যেন নষ্ট হয়েছে সে । মা ,বাবা খুব কেঁদেছে সারারাত । হিসি করতে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে সে । হাগু করতেও তাই । কি ঢুকিয়ে দিয়েছিল ওরা ? কি ঢুকিয়ে দেওয়া হয় ?কতটা লিঙ্গ ,কতখানি বীর্য আর কতরকম স্বমেহনের পরে প্রকৃত তৃপ্তি হয় খুনের রুগীর ?

           আসলে জ্বর ।ভীষণ কিছু অসুখ তুলছি ঘরে । এই উঠোন ,অকারণ কমে আসা শীত ,মহানগরীর দীর্ণ কিছু যীশু তাদের জন্মের পরপর রাতেই বুঝতে শিখছে শরীর কত আগে ....বাবা ,মা ,মাসি ,কাকু ,জেঠু ,দাদা ,স্যার ,ড্রাইভার কাকু , আঁকার খাতা ,একলা ইউরিনাল , আইসক্রিম গাড়ি ,দুটো পুরুষ্ট আঙ্গুল ,একটা পেনসিল , নখের আঁচড় ,ছড়ার বই ,রূপকথার রাজা .....সমস্তকিছু মিথ্যে করে দিয়ে যীশুটি  এখন শরীর চিনতে শিখছে  !






Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.