x

আসন্ন সঙ্কলন


যারা নাকি অনন্তকাল মিছিলে হাঁটে, তাদের পা বলে আর বাকি কিছু নেই। নেই বলেই তো পালাতে পারেনা। পারেনা বলেই তারা মাটির কাছাকাছি। মাটি দ্যাখে, মাটি শোনে, গণনা করে মৃৎসুমারী। কেরলের মাটি কতটা কৃষ্ণগৌড়, বাংলার কতটা তুঁতে! কোন শ্মশানে ওরা পুঁতে পালালো কাটা মাসুদের লাশ, কোন গোরেতে ছাই হয়ে গেলো ব্রহ্মচারী বৃন্দাবন। কোথায় বৃষ্টি টা জরুরী এখন, কোথায় জলরাক্ষুসী গিলে খাচ্ছে দুধেগাভিনের ঢাউস পেট। মিছিলে হাঁটা বুর্বক মানুষ সেসবই দেখতে থাকে যেগুলো নাকি দেখা মানা, যেগুলো নাকি শোনা নিষেধ, যেগুলো নাকি বলা পাপ। দেশে পর্ণ ব্যন্ড হল মোটে এইতো ক'টা মাস, সত্য নিষিদ্ধ হয়েছে সেই সত্যযুগ থেকে। ভুখা মিছিল, নাঙ্গা মিছিল, শান্তি মিছিল, উগ্র মিছিল, ধর্ম মিছিল, ভেড়ুয়া মিছিল যাই করি না কেন এই জুলাইয়ের বর্ষা দেখতে দেখতে প্রেমিকের পুংবৃন্ত কিছুতেই আসবে না হে কবিতায়, কল্পনায়... আসতে পারে পৃথিবীর শেষতম মানুষগন্ধ নাকে লাগার ভালোলাগা। mail- submit@sobdermichil.com

ভালোবাসার  আষাঢ় শ্রাবণ

অতিথি সম্পাদনায়

সৌমিতা চট্টরাজ

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৮, ২০১৭

অনু সঞ্জনা ঘোষ

sobdermichil | নভেম্বর ২৮, ২০১৭ |
অনু সঞ্জনা ঘোষ
 ঘুম ও অসুখ 

ঘুমের মধ্যে বেঁচে উঠি। চেনা গন্ধ ছড়িয়ে দিই শুকনো জানালায়। আকাশ ভিড় করা বারান্দায় বাসা বাঁধে সুখ পাখি। ভোরের কার্নিশ সূর্য ঝরায়। দরজার ওপারে রেল লাইন হেঁটে চলে যায়। শপথের নীল রং আরো গাঢ় হয়। গাছের ছায়ায় আমাদের গেরস্থালী। খড়কুটো ভেসে চলে জ্যোৎস্নায়। যত প্রজাপতি ছিল স্মৃতিতে, তারা হয়ে গেছে কালোতে। শিকড়েরা দেওয়াল লেখে, পাতাদের শরীরে বেড়ে ওঠে ঘর। রং পায় জল। বয়স বাড়ে শিকড়ের। সারি সারি স্মৃতি দেওয়ালে মাখামাখি। নীলচে পালক, পাথুরে দেওয়াল ভুলে যায় অসুখের মাপকাঠি। সমুদ্রের কাছে হেঁটে আসি। সমুদ্র আমায় ঘুম পাড়ায়। আমি ঘুমের মধ্যে বারবার বেঁচে উঠি।




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.