x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

সুশান্ত কুমার রায়

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
সুশান্ত কুমার রায়
 মৃত্তিকা শিল্পী 

মৃত্তিকা শিল্পী বেণু ঠাকুর
পদবী তাঁর পৈতৃক সূত্রে পরিধান,
পাবলো পিকাসো, জয়নুল আবেদীন, নভেরা
কিংবা শিল্পী এস. এম. সুলতান নয়।

বাবা অম্বিকাচরণ ঠাকুর ছিলেন শিল্প নৈপূন্যে বিভোর
একজন অনন্য মূর্তি-কারিগর,
টানাপোড়েনের সংসারে নিত্য অভাবের দাপট
এখোনো বয়ে চলছে নিরবধি,
কাঁদা-মাটি লেপনেই জীবিকার দাড়টানা।

রঙ তুলিতে মনের মাধুরি মিশিয়ে রচনায় ব্যস্ত
পরম মমতাময়ী দূগর্তিনাশিনী মা দূর্গাকে,
শঙ্খধ্বনি, ঢাক-ঢোল-কাশিতে চলে পূজোর আয়োজন
আনন্দ-ফুর্তি, আমোদ-প্রমোদ আর
শরৎ অঞ্জলিতে চলে নৈবদ্যের ঘন্টাধ্বনি।
বেণু ঠাকুর মাকে প্রণতি জানায় বার বার
আর জ্ঞাত করে নিজের অস্থিচর্মসার দৈন্যদশা।



Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.