x

প্রকাশিত

​মহাকাল আর করোনাকাল পালতোলা নৌকায় চলেছে এনডেমিক থেকে এপিডেমিক হয়ে প্যানডেমিক বন্দরে। ওদিকে একাডেমিক জেটিতে অপেক্ষমান হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ।​ ​দীর্ঘ সাতমাসের এ যাপন চিত্র মা দুর্গার চালচিত্রে স্থান পাবে কিনা জানি না ! তবে ভুক্তভোগী মাত্রই জানে-

​'চ'য়ে - চালা উড়ে গেছে আমফানে / চ'য়ে - কতদিন হাঁড়ি চড়েনি উনুনে / চ'য়ে - লক্ষ্মী হলো চঞ্চলা / চ'য়ে - ধর্ষিতা চাঁদমনির দেহ,রাতারাতি পুড়িয়ে ফেলা।

​হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষটি লালমার্কার দিয়ে গোল গোল দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায়, চোদ্দদিন যেন চোদ্দ বছর। হুটার বাজিয়ে শুনশান রাস্তায় ছুটে যায় পুলিশেরগাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর শববাহী অমর্ত্য রথ...। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গেছে অনেকটা জল, 'পতিত পাবনী গঙ্গে' হয়েছেন অচ্ছুৎ!

এ কোন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

সমীরণ চক্রবর্তী

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

রবীন বসু

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
বা ঘ ন খ
বাঘ থাবা বসিয়েছে। 

দাঁত নেই, কিন্তু নখ আছে সাড়ে তিন বছরের শিশু শুয়ে ছিল মায়ের নিশ্চিত আর নিরাপদ আশ্রয়ে তবু কোন্  রন্ধ্র দিয়ে ঢুকে বাঘ ঘাপটি মেরে বসেছিল ঘরের অন্ধকার কোণে। তারপর সময় ও সুযোগ বুঝে ওত পাতা বৃদ্ধ বাঘ থাবার নখে তুলে নিল শিশুকে। ঘুমন্ত শরীর কেঁপে উঠল।  নখের আঁচড় আর বিষাক্ত লালায় জর্জরিত হল । দন্তহীন বিকৃত বাঘ হামলে পড়ে তুলোর মত নরম পালকটার উপর।

এখন সেই পালক শরীর শহর হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। সারা দেশ ফুঁসছে। বাঘ সুযোগ বুঝে থাবা মেরে আবার জঙ্গলে  পালিয়েছে । 

অপারেশন করে বাঘের নখ দেহ থেকে বের করা গেছে ঠিকই, কিন্তু  শিশুর নরম দেহ সে ভার নিতে পারল না। মধ্যরাতের পর লড়াই শেষ। হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে একটা স্নেহময় আঁচলের খোঁজে শিশুর পালক-আত্মা কোথায় যেন পাড়ি দিল।

হাসপাতালের বাইরে তখন জনরোষ গর্জাচ্ছে ! বাঘের শাস্তি চায়। মানবতার সেই রোষ শহরের কংক্রিট ভেদ করে ছুটছে জঙ্গলের দিকে। তারা চিৎকার করছেজঙ্গলে আগুন লাগাও ... শয়তান বাঘ ঠিক বেরিয়ে আসবে। তখন ওর বাঘনখ সমেত ওকে পুড়িয়ে মার !

আর সেই মা, যে পেটের খিদে আর স্বামীহীন উপোসী শরীরের খিদে দুইয়ের কাছে হেরে গেছে, এখন পুলিশের ঘেরাটোপে সে কী মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়েছে?




Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.