x

প্রকাশিত

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

কৌশিক চক্রবর্ত্তী

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ |
কৌশিক চক্রবর্ত্তী
 নীলচাষী 

আমি কখনো কখনো একচিলতে ফেলে আসা পলাশীর উপলব্ধি নিয়ে
লিখে যাই মৃত কবিতার জট...
কখনো কাউকে বলি আমি তো তেইশ সবে,
আমার পিঠেই আছে সূর্যের আলোদানের প্রতিশ্রুতি!

প্রতিদিন সন্ধ্যের সাথে সূর্যাস্তের আতঙ্ক নামে -
পাখিরা চিনিয়ে দেয় শরীরের ঘরবাড়িগুলো,
চাদর বলতে কেউ রামধনুর বিষণ্ণতা বোঝে
সহজাত মৃত্যুযোগে জড়িয়ে যায় ঘুমন্ত জটায়ুর ডানা...
সূর্যের আলো অবিচারে রোজ তার ক্ষতেও পড়ে
তাই বৃদ্ধ খতিয়ান এক রেখেছে তার শহুরে ঠিকানা!

হয়ত নিয়ম করে মেঘেরা দ্বারস্থ হয় নীলচাষীর ঘরে
ছড়িয়ে দেয় চাষযোগ্য বীজ
তবুও চায় না শুধু উড়ন্ত শহরের অধিকার...

আমি এক ঘরোয়া ফড়িং
আর ঘরছাড়া বিপ্লবের দেশ...
রঙিন সাজতে গেলে চাদরেই মুখ ঢাকে পাখিরা
রাত যতই গভীর হয়
ততই স্বাধীন হয় বিষ,
আর পাখিদের ঠোঁট থেকে একআধটা আস্ত নীলচাষের জমি
স্বত্বহীন হয় অহর্নিশ।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.