x

প্রকাশিত | ৯৪ তম মিছিল

কান টানলেই যেমন মাথা আসে, তেমন ভাষার প্রসঙ্গ এলেই মানুষের মুখের ভাষার দৈনন্দিন ব্যবহারের কথাও মনে পড়ে যায়, বিশেষত আজকের দিনে। ভাষা দিবস মানেই শুধু মাতৃভাষা নিয়ে আবেগবিহ্বল হয়ে থাকার দিন বুঝি আজ আর নেই!

কেননা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাঁরা মাথায় বসে আছেন, বিশেষত যাঁরা রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাভােগী এবং লােভী, তাঁদের মুখের ভাষা এবং তার প্রয়ােগ আজ ঠিক কতটা শিক্ষণীয় এবং গ্রহণীয় সেটা শুধু ভাবার নয়, রীতিমতো শঙ্কার এবং সঙ্কটের।

সবই কি তবে মহৎ ভাবনা, অনুপ্রেরণার জোয়ার? নাকি রাজনৈতিক কারবারিরা 'সুভাষিত' শ্রবণাতীত বয়ানে নিজেদের অক্ষমতার মদমত্ত প্রকাশ করছেন? সাধারণ ছাপােষা মানুষ বিস্ফারিত চিত্তে এই ভাষাসন্ত্রাস,এই ভাষাধর্ষণ দেখতে শুনতে ক্লান্ত। এর থেকে উত্তরণের উপায় এখনও অবধি কোনাে ভাষা দিবস দেখাতে পারেনি। এবারের ভাষা দিবসের কাছেও কি সেই উপায় আছে? নাকি এই খেলা হবে, চলবে ... মেধাহীন গাধাদের দৌলতে?

চলুন মিছিলে 🔴

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

হরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

sobdermichil | সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭ | | | মিছিলে স্বাগত
কবিতার পথে পথে
পঞ্চম পর্ব 

দিতি আমার হাতে তুলে দিল একটা পাতা। ভাঁজ খুলে দেখি তাতে লেখা একটা কবিতা। প্রেমের কবিতা। মাঝে মাঝেই সে এরকম কবিতা লেখে। সবই প্রেমের কবিতা। কুড়ির দিতির কাছে এটাই তো স্বাভাবিক। প্রেম ছাড়া এই বয়সে তার কাছে আর কীই বা প্রাধান্য পাবে?

আমার মতামত জানতে চায় দিতি। ওর বিশ্বাস আমি নাকি কবিতাটা বুঝি। দিতির কবিতার মধ্যে দিয়ে প্রেম ভাবনার প্রকাশটা আমার খুব একটা খারাপ লাগে না। আমি তাকে উৎসাহ দিই। পাশাপাশি তাকে এটাও বলি সে কেন নিয়মিত কবিতা ভাবনার মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে রাখে না। তাহলে তো তার পক্ষে মাঝে মাঝেই কবিতার হাত ধরে নিজেকে প্রকাশ করা সম্ভব।

দিতি সাথে সাথে বলে ওঠে, " কি করবো! তোমার মতো ভাবনা যে আমার মাথায় আসে না।"

আমার মতো ভাবনা তুমি ভাববে কেন? তুমি ভাববে তোমার মতো। তোমার মনের গতিতেই তা এগিয়ে যাবে। আমার ভাবনা তো আমারই মতো। আমার ভাবনার প্রবাহে যেমন আমি স্বচ্ছন্দ বোধ করব, ঠিক তেমনই তোমার ভাবনার প্রবাহে তুমি। তোমার ভাবনার প্রবাহে প্রবেশ করব আমার সাধ্য কি!

কবিতা আসুক বা না আসুক তোমাকে কবিতা নিয়ে চর্চাটা চালিয়ে যেতে হবে। রোজ নিয়ম করে বসতে হবে। ভালোবাসার দুই মানুষের সঙ্গে কবির কবিতা চর্চা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ধরা যাক, একজন প্রেমিক রোজ তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে। রোজই কি তাদের নতুন নতুন কথা থাকে? মোটেও না। রোজ রোজ এমন কিছু ঘটেও না যে তা কাহিনীর মতো করে প্রেমিকাকে বলা যায়। তাহলে দেখা করার কারণ? কথা বলার মতো নতুন কিছু বিষয় না থাকলেও দেখা করা উচিত। কারণ যখন প্রেমিকটি তার প্রেমিকার সংস্পর্শে আসে তখন চারপাশে আলো জ্বলে ওঠে। ভালোবাসা তাকে ঘিরে ধরে। এটাই তো ভালোবাসার ইতিবাচক দিক।

এবার আবার কবির কবিতা চর্চায় ফিরে আসি। কবিকে ভাবতে হবে কবিতা তার প্রেমিকা। কবিতা আসুক আর নাই-ই আসুক কবিতা নিয়ে চর্চা কবিকে করতেই হবে। কবিতার সঙ্গে রোজ দেখা করাটা ভীষণ জরুরী। কবির মনে কবিতা আসছে না ঠিকই কিন্তু কবি কবিতার আবহাওয়ার মধ্যেই আছেন। এই আবহাওয়া কবির আগামী দিনে কবিকে ইতিবাচক ফল দেবে। যেকোনো কালেই কবিকে এই কাব্যিক আবহাওয়া মনে মনে খুবই ভালো রাখবে। ঠিক যেমন একজন প্রেমিককে মনে মনে ভালো রাখে তার প্রেমিকার ভালবাসা।

কাব্যিক আবহাওয়ায় থাকতে থাকতে দিতিও একদিন কবিতা ভাবনার মধ্যে ডুবে যাবে। পার্থিব বিষয় ভাবনা থেকে সে তখন আস্তে আস্তে অনেক দূরে। এটাই তো কবিতার উপযুক্ত পরিবেশ। 





Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.