x

আসন্ন সঙ্কলন


যারা নাকি অনন্তকাল মিছিলে হাঁটে, তাদের পা বলে আর বাকি কিছু নেই। নেই বলেই তো পালাতে পারেনা। পারেনা বলেই তারা মাটির কাছাকাছি। মাটি দ্যাখে, মাটি শোনে, গণনা করে মৃৎসুমারী। কেরলের মাটি কতটা কৃষ্ণগৌড়, বাংলার কতটা তুঁতে! কোন শ্মশানে ওরা পুঁতে পালালো কাটা মাসুদের লাশ, কোন গোরেতে ছাই হয়ে গেলো ব্রহ্মচারী বৃন্দাবন। কোথায় বৃষ্টি টা জরুরী এখন, কোথায় জলরাক্ষুসী গিলে খাচ্ছে দুধেগাভিনের ঢাউস পেট। মিছিলে হাঁটা বুর্বক মানুষ সেসবই দেখতে থাকে যেগুলো নাকি দেখা মানা, যেগুলো নাকি শোনা নিষেধ, যেগুলো নাকি বলা পাপ। দেশে পর্ণ ব্যন্ড হল মোটে এইতো ক'টা মাস, সত্য নিষিদ্ধ হয়েছে সেই সত্যযুগ থেকে। ভুখা মিছিল, নাঙ্গা মিছিল, শান্তি মিছিল, উগ্র মিছিল, ধর্ম মিছিল, ভেড়ুয়া মিছিল যাই করি না কেন এই জুলাইয়ের বর্ষা দেখতে দেখতে প্রেমিকের পুংবৃন্ত কিছুতেই আসবে না হে কবিতায়, কল্পনায়... আসতে পারে পৃথিবীর শেষতম মানুষগন্ধ নাকে লাগার ভালোলাগা। mail- submit@sobdermichil.com

ভালোবাসার  আষাঢ় শ্রাবণ

অতিথি সম্পাদনায়

সৌমিতা চট্টরাজ

রবিবার, আগস্ট ২০, ২০১৭

এসএসএল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত শব্দের মিছিল

sobdermichil | আগস্ট ২০, ২০১৭ | |
এসএসএল সার্টিফিকেট প্রাপ্ত শব্দের মিছিল
ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা এখন ভয়ঙ্কর। আমরা যে ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে প্রায়ই তথ্যগুলো প্রদান করি, আদৌ আমরা জানি কি, সেগুলো কতোগুলো কম্পিউটার হয়ে তারপরে আমাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসার্ভারে এসে পৌঁছায়? একটু ভুল হলেই ওয়েবে প্রবেশকৃত যেকোনো তথ্য সহজেই চলে যেতে পারে কোন হ্যাকারের হাতে, আর তারপরে কি হতে পারে এটুকু কল্পনা করার মতো ক্ষমতা নিশ্চয় এখন আমাদের হয়েছে। ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে ওয়েব ব্রাউজিং করা অর্থাৎ ওয়েব সাইট টি ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে প্রথমেই ওয়েব ব্রাউজারে দেখে নিতে হবে উক্ত ওয়েব সাইট টি শুরু https://  এবং   সবচেয়ে গুরুত্ম পূর্ণ এসএসএল সার্টিফিকেট দ্বারা (সিকিউর সকেট লেয়ার) স্বীকৃত বা সুরক্ষিত কিনা। 

এসএসএল সার্টিফিকেট কি?

এসএসএল সার্টিফিকেট একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট। এই সার্টিফিকেটটি সার্টিফিকেট ধারকের নাম, সিরিয়াল নাম্বার, মেয়াদ, সার্টিফিকেট ধারকের পাবলিক কী, এবং একটি ডিজিটাল সিগনেচার ধারণ করে যা সার্টিফিকেটির প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করে। কোন ওয়েবসাইটে এসএসএল সার্টিফিকেট থাকার মানে হলো, এই সাইটটিকে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন, এর তথ্যগুলোর উপর কোন হ্যাকার নজর দিতে পারবে না।

সার্টিফিকেটটি আপনার সকল তথ্যগুলোকে ইনক্রিপ্ট করিয়ে ওয়েবসার্ভারের কাছে পাঠিয়ে দেয়, এবং ওয়েব সার্ভারও একই কাজ করে থাকে। উদাহরণ স্বরূপ মনে করুন, আপনি দূরবর্তী কোন বন্ধুর কাছে টাকা পাঠাতে চান, সেখানে কোন মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা বা ইন্টারনেট সুবিধা নেই। সেখানে টাকা পাঠাতে হলে লোক মারফৎ টাকা হস্তান্তর ছাড়া উপায় থাকে না। এখন আপনি যদি আপনার পরিচিত ব্যক্তিকে টাকা দিয়ে আপনার বন্ধুর ঠিকানায় পৌঁছাতে বলেন, সে কিছুদূর যাওয়ার পড়ে বিশেষ কাজে ব্যস্ত হওয়ায় তিনিও তার পরিচিত ওপর এক ব্যক্তি দ্বারা আপনার বন্ধুর নিকট টাকাটি হস্তান্তর করে দিতে বলেন ...  -  তবে চিন্তা করে দেখুন আপনার টাকাটি কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আদৌ বন্ধুটি টাকা ঠিক সময় বা পাবেন কিনা সন্দেহ রয়ে গেলো।

কিন্তু আপনি যদি টাকাটি একটি সিন্দুকে ভরে তালা লাগিয়ে পাঠিয়ে দেন, তবে সেটা যতজনের হাতেই হস্তান্তর হোক না কেন, সেটি চুরি যাওয়ার ভয় থাকবে না—কেনোনা সেই তালা শুধু আপনার বন্ধুর চাবি দিয়েই খুলবে।

এসএসএল সার্টিফিকেট ঠিক এমনটাই কাজ করে। এতে আপনার প্রবেশ করানো সকল তথ্য নিরাপদে সার্ভারের কাছে গিয়ে পৌঁছায়। এসএসএল ব্যবহার করা সকল ওয়েবসাইটের ইউআরএল এর শুরুতে HTTPS দেখতে পাওয়া যাবে। HTTPS হলো SSL এবং HTTP এর একটি মিশ্রিত ভার্সন।

এটি কোথায় ব্যবহৃত হয়?

এটি মূলত আপনার ওয়েব ব্রাউজার বা মেইল ক্লাইন্ট বা মেইল সার্ভার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে গোপন এবং নিরাপদ কানেকশন তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোন ওয়েবসাইটের পরিচয় অথিন্টিকেট করে এবং সকল তথ্যগুলোকে এসএসএল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনক্রিপশন করে। এসএসএল সার্টিফিকেট যেকোনো ওয়েব সেশনকে সিকিউর তৈরি করার আশ্বাস প্রদান করে। এর মানে হলো, আপনার পাঠানো যেকোনো তথ্য একেবারে নিরাপদে ওয়েবসাইটটির কাছে পৌঁছে যাবে, এবং মাঝখানে কোন হ্যাকার বা ক্র্যাকার সেই তথ্য হ্যাক করতে পারবে না।

সাধারনত অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট, ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার, এবং যেকোনো ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন যারা তাদের ব্যবহারকারীর সকল তথ্যগুলোকে নিরাপত্তা দিতে চান, তারা এসএসএল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে থাকেন। 

গুগল, ইউটিউব, ইয়াহু, ফেসবুক, টুইটার, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার ইত্যাদি সহ সকল অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট এসএসএল ব্যবহার করে থাকে—কেনোনা এরা প্রত্যেকেই অনেক সংবেদনশীল তথ্যের আদান প্রদান করে থাকেন । এছাড়াও বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ব্লগারগণ ওয়ার্ডপ্রেস অথবা গুগলের ব্লগার এর সাব ডোমেইন নিয়েও সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা বা অনান্য সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকেন। এই ক্ষেত্রে তাঁদের ওয়েব ডোমেইন স্বতন্ত্র না হলেও কিছুটা সুরক্ষিত।

ওয়েব সাইটের ধারক অর্থাৎ প্রচারিত ওয়েব সাইটটির এসএসএল সার্টিফিকেট থাকা সর্বউত্তম। কেনোনা এই সার্টিফিকেট থাকা মানে শুধু এই নয় যে, ব্যবহারকারীদের শুধুই নিরাপত্তা প্রদান করে  বরং  ওয়েব সাইটটির ব্যবহারকারীরা  ওয়েবসাইটের ধারকের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। 

শব্দের মিছিল যেহেতু একটি মুক্ত সাহিত্য অঙ্গন, যার প্রতিদিন সাম্প্রতিক বিভাগে আপডেট পোস্ট সহ, সকল পাঠক সরাসরি লেখালেখি আদান প্রদান করতে পারেন, অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী / পাঠক প্রতিনিয়ত শব্দের মিছিল তাঁদের ওয়েব ব্রাউজারে ব্রাউজিং করেন, মেইল করেন - তাই পাঠকের এবং সকল  শুভাকাঙ্ক্ষীদের ইন্টারনেট নিরাপত্তায় - নিরাপত্তা স্বরূপ - শব্দের মিছিল বিগত দিনে এই বিষয়ে সচেষ্ট হয়েছিল। যার ফল স্বরূপ আজ থেকেই - শব্দের মিছিল SSL সার্টিফিকেট যুক্ত। 

অর্থাৎ আপনি আপনার ওয়েব ব্রাউজারে sobdermichil অথবা  শব্দের মিছিল লিখে সার্চ করলেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার এড্রেস বারে শব্দের মিছিলের SSL বা https:// এবং সিকিওর সার্টিফিকেট প্রাপ্ত লিঙ্ক দেখা যাবে ।

যেমন - 






Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.