x

প্রকাশিত বর্ষপূর্তি সঙ্কলন

দেখতে-দেখতে ১০ বছর! শব্দের মিছিলের বর্ষপূর্তি সংকলন প্রকাশের সময় এ খুব অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু অজস্র লেখক, পাঠক, শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনে আমরা অনায়াসেই পেরিয়ে এসেছি এই দশটি বছর, উপস্থিত হয়েছি এই ৯৫ তম সংকলনে।

শব্দের মিছিল শুরু থেকেই মানুষের কথা তুলে ধরতে চেয়েছে, মানুষের কথা বলতে চেয়েছে। সাহিত্যচর্চার পরিধির দলাদলি ও তেল-মারামারির বাইরে থেকে তুলে আনতে চেয়েছে অক্ষরকর্মীদের নিজস্বতা। তাই মিছিল নিজেও এক নিজস্বতা অর্জন করতে পেরেছে, যা আমাদের সম্পদ।

সমাজ-সচেতন প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে শব্দের মিছিল   প্রথম থেকেই নানা অন্যায়, অবিচার, অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। এই বর্ষপূর্তিতে এসেও, সেই প্রয়োজন কমছে না। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরবর্তী বিভিন্ন হিংসাত্মক কাণ্ড আমাদের যথারীতি উদ্বিগ্ন করছে। যেখানে বিরোধী দলের হয়ে কাজ করা বা বিরোধী দলকে সমর্থন করার অধিকার এখনও নিরাপদ নয়, সেখানে যে গণতন্ত্র আসলে একটি শব্দের বেশি কিছু নয়, সেকথা ভাবলে দুঃখিত হতেই হয়। ...

চলুন মিছিলে 🔴

অনুপ ঘোষাল

sobdermichil | আগস্ট ৩১, ২০১৭ |
অনুপ ঘোষাল
 এসো স্বাধীনতা 

কেমন আছ স্বাধীনতা?
৭০পেরিয়ে ফোকলা দাঁতের বুড়ি-
              নাকি সত্তরের স্বাত্বিকতার সমর্পণ?
প্রতিজ্ঞার আগুনরাঙা ভোড়ের ভাটিয়ালি,
মাদলের মৌতাত-মজা আঠারোর স্ফটিক আর -
নতুন ভোরের ঠিকানা লেখা-
              কবিতার বৃষ্টির উন্মত্ততা-
                                     দিয়েছ কারো হাতে?
                                   
  মনে আছে ইসফাকের চিঠির কথা?
  লাহোর-এর জেলখানা থেকে তোমায় লেখা।
  শ্রান্ত,রক্তাক্ত এবং
                   বেহিসেবি আব্দারের ছাড়পত্র এক।
তোমার প্রথম উদযাপনে-
       অস্বীকারের কাঁটাতার বদলে দিল-
             আমার অহঙ্কারী মানচিত্র,
             ভরসার গতিপথ আর-
                                     সম্পর্কের পানসীয়ানা।
উত্তর দাও। অন্তত একবার।
তুমি নিশ্চুপ বলেই--
              হায়নার বিষাক্ত নখ,
              শকুনের চিৎকার,
              কার্গিলের দখলদারি,
              অন্ধকার গলির ব্যাস্ততা,
              পিন্টুদার মরণ আর -
                   ঘোষঠাকুমা ছুটে গেছে কোথায়....
তখন-
        তুমি আগুন জ্বেলেছিলে মনিকর্ণিকায় ।
        পুড়েছিল বনমাতানের ঝাড়,
        ঘন্টা বেজেছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা স্কুলে,
                  মেষপালকের আধখানা ঘরে-
   রোমিও-জুলিয়েট,
   সুখ-সাড়ি অথবা -
           অমিত-লাবণ্যের-
                      ঐকান্তিক আত্মীয়তার-
                                             কোজাগরী সুখ।
যেদিন স্বপ্ন দেখে মরেছিল -
         রতন,রত্নাবলী আর রবিউলের দল,
"ক""ঙ" আর "চ" এর ঘরে চৈতালীরা-
                      লিখে গেল ক্লান্ত কৃষ্ণচূড়ার গল্প--
      সেদিন --
               বাঁশের মাথায়,
               হর্ষধ্বনিতে,
              "বন্দেমাতরম" চিৎকার আর-
   চ্যাটচ্যাটে জিলিপি বা বিস্কুটের আতিথেয়তায়-
   কেউ বলে গেল---
                      তুমি এসেছ।
বিশ্বাস কর --
          এখনও শুকনো নদীতে বাণ,
          উথাল-পাথাল ডিঙা,
          সুরমাদির লাল টিপ আর-
          ভেজা শ্রাবণের বিশ্বাস--
               এই আঠারোর বুকে,
                             শুধু তুমি আসবে বলে।
কবে স্বাধীনতা ? কবে?
এ পোড়া দেশের সাঁঝবাতির উপাখ্যানের দিব্যি
আরও  একবার-
                   তোমার-
       সত্তুরে আঠারো আসুক নেমে।।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

পাঠক পড়ছেন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন


বিজ্ঞপ্তি
■ আপডেট পেতে,পেজটি লাইক করুন।
সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ | আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা
Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.