x

আসন্ন সঙ্কলন

গোটাকতক দলছুট মানুষ হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়েছে একে অপরের সামনে। কেউ পূব কেউ পশ্চিম কেউ উত্তর কেউ দক্ষিণ... মাঝবরাবর চাঁদ বিস্কুট, বিস্কুটের চারপাশে লাল পিঁপড়ের পরিখা। এখন দলছুট এক একটা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে চাঁদ বিস্কুটের দিকে। আলাদা আলাদা মানুষ এক হয়ে হাঁটছে সারিবদ্ধ পিঁপড়েদের বিরুদ্ধে। পথচলতি যে ক'জনেরই নজর কাড়ছে মিছিল তারাই মিছিল কে দেবে জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। আগুন নেভার আগেই ঝিকিয়ে দেবে আঁচ... হাত পোহানোর দিন তো সেই কবেই গেল ঘুচে, যেটুকু যা আলো বাকী সবটুকু চোখে মেখে চাঁদ বিস্কুট চেখে চেখে খাক এই মিছিলের লোক। মানুষ বারুদ কিনতে পারে, কার্তুজ ফাটাতে পারে, বুলেট ছুঁড়তে পারে খালি আলো টুকু বেচতে পারেনা... এইসমস্ত না - বেচতে পারা সাধারণদের জন্যই মিছিলের সেপ্টেম্বর সংখ্যা... www.sobdermichil.com submit@sobdermichil.com

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

মৌমিতা ঘোষ

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩১, ২০১৭

অনুপ ঘোষাল

sobdermichil | আগস্ট ৩১, ২০১৭ |
অনুপ ঘোষাল
 এসো স্বাধীনতা 

কেমন আছ স্বাধীনতা?
৭০পেরিয়ে ফোকলা দাঁতের বুড়ি-
              নাকি সত্তরের স্বাত্বিকতার সমর্পণ?
প্রতিজ্ঞার আগুনরাঙা ভোড়ের ভাটিয়ালি,
মাদলের মৌতাত-মজা আঠারোর স্ফটিক আর -
নতুন ভোরের ঠিকানা লেখা-
              কবিতার বৃষ্টির উন্মত্ততা-
                                     দিয়েছ কারো হাতে?
                                   
  মনে আছে ইসফাকের চিঠির কথা?
  লাহোর-এর জেলখানা থেকে তোমায় লেখা।
  শ্রান্ত,রক্তাক্ত এবং
                   বেহিসেবি আব্দারের ছাড়পত্র এক।
তোমার প্রথম উদযাপনে-
       অস্বীকারের কাঁটাতার বদলে দিল-
             আমার অহঙ্কারী মানচিত্র,
             ভরসার গতিপথ আর-
                                     সম্পর্কের পানসীয়ানা।
উত্তর দাও। অন্তত একবার।
তুমি নিশ্চুপ বলেই--
              হায়নার বিষাক্ত নখ,
              শকুনের চিৎকার,
              কার্গিলের দখলদারি,
              অন্ধকার গলির ব্যাস্ততা,
              পিন্টুদার মরণ আর -
                   ঘোষঠাকুমা ছুটে গেছে কোথায়....
তখন-
        তুমি আগুন জ্বেলেছিলে মনিকর্ণিকায় ।
        পুড়েছিল বনমাতানের ঝাড়,
        ঘন্টা বেজেছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা স্কুলে,
                  মেষপালকের আধখানা ঘরে-
   রোমিও-জুলিয়েট,
   সুখ-সাড়ি অথবা -
           অমিত-লাবণ্যের-
                      ঐকান্তিক আত্মীয়তার-
                                             কোজাগরী সুখ।
যেদিন স্বপ্ন দেখে মরেছিল -
         রতন,রত্নাবলী আর রবিউলের দল,
"ক""ঙ" আর "চ" এর ঘরে চৈতালীরা-
                      লিখে গেল ক্লান্ত কৃষ্ণচূড়ার গল্প--
      সেদিন --
               বাঁশের মাথায়,
               হর্ষধ্বনিতে,
              "বন্দেমাতরম" চিৎকার আর-
   চ্যাটচ্যাটে জিলিপি বা বিস্কুটের আতিথেয়তায়-
   কেউ বলে গেল---
                      তুমি এসেছ।
বিশ্বাস কর --
          এখনও শুকনো নদীতে বাণ,
          উথাল-পাথাল ডিঙা,
          সুরমাদির লাল টিপ আর-
          ভেজা শ্রাবণের বিশ্বাস--
               এই আঠারোর বুকে,
                             শুধু তুমি আসবে বলে।
কবে স্বাধীনতা ? কবে?
এ পোড়া দেশের সাঁঝবাতির উপাখ্যানের দিব্যি
আরও  একবার-
                   তোমার-
       সত্তুরে আঠারো আসুক নেমে।।



Comments
0 Comments

-

সুচিন্তিত মতামত দিন

 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.