x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ৩১, ২০১৭

রোজমেরী উইলসন

sobdermichil | জুলাই ৩১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
পরিচয় দান
-আজকে সব ঘর জ্বালিয়ে দেব শালা। দেখ একটাও যেন পালাতে না পারে। জ্যান্ত পুঁতে ফ্যাল সবকটাকে। 
জামাল আলীর মত তারস্বরে চীৎকার করছে তার দলের ছেলেরাও। আগুন জ্বলছে গ্রাম জুড়ে। রাস্তায় টায়ার পুড়ছে। বেশ কয়েকদিন ধরে অসহিষ্ণুতার হাওয়া বাতাস ভারী করে তুলেছে। পুলিশ জলকামান চালিয়েছে। রাস্তায় স্পেশাল ফোর্সের অস্বস্তিকর আসা যাওয়া। অনেকেই গ্রাম ফাঁকা করে এদিক ওদিক আত্মীয়স্বজনের বাড়ি অথবা অস্থায়ী আস্তানায় উঠে গেছে।

-কি রে অবস্থা কি বুঝছিস?

-চিন্তা করবেন না স্যার। এই জামাল যখন কথা দিয়েছে তা নড়চড় হবার না..

বারেবারে ফোন আসছে। চাপা স্বরে নির্দেশও, সঙ্গে চলছে অবস্থার আপডেট দেওয়া। ঠিক এইসময় একটা বাচ্চা ছেলের কান্না পুরোনো রাধাকৃষ্ণের মন্দিরের পাশ থেকে শোনা গেল। জামাল বীভৎস মুখভঙ্গি করে চীৎকার করে উঠল। ছেলের দলও জান্তব উল্লাসে অস্ত্র উঁচিয়ে ছুটল শব্দের অভিমুখে।

এক সদ্যজাত শিশুপুত্র নোংরা কাপড়ের মধ্যে শুয়ে হাত পা ছুঁড়ছে। তার কান্নায় বোঝার উপায় নেই তার ধর্ম, পিতৃপরিচয়। জামাল এখনো পিতৃসুখ থেকে বঞ্চিত। নিঃসন্তান বৌয়ের মুখটা মনে পরায় এক অপত্যস্নেহে জামাল আলীর উদ্যত হাতদুটি শিশুপুত্রটিকে তুলে বুকের কাছে নিয়ে আসে।

চারিদিকে খুঁজেও শিশুটির মাকে পাওয়া গেল না। শিশুটিও খিদেতে অস্থির হয়ে উঠেছে। কান্নার আওয়াজ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। ছেলের দল কি করবে বুঝতে না পেরে জামালের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রইল।

দলের সকলকে চমকে দিয়ে অকস্মাৎ জামাল আলীর গলা শোনা গেল - হাঁ করে কি দেখছিস? সাবিনাকে খবর দে তাড়াতাড়ি একটু দুধ ফুটিয়ে আনতে। বলবি এতদিনে আল্লা আমাদের কথা শুনেছেন।


Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.