x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ৩১, ২০১৭

জয়িতা দে সরকার

sobdermichil | জুলাই ৩১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
রূপসী হেঁসেল / জয়িতা দে সরকার
শব্দের মিছিলের আষাঢ়-শ্রাবণ সংখ্যার রূপসী হেঁসেলে আজকের অতিথি শ্রেষ্ঠা বিশ্বাস। শ্রেষ্ঠা এখনও ছাত্রী। অবসরযাপনে ওর সঙ্গী সঙ্গীত চর্চা এবং অবশ্যই নিত্যনুতন আইডিয়া দিয়ে হরেকরকম রেসিপি তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়া। শ্রেষ্ঠার বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত বারুইপুর এলাকায়। শ্রেষ্ঠার কাছ থেকে আমরা পেয়েছি অত্যন্ত লোভনীয় চার-চারটি সুস্বাদু রান্নার রেসিপি। আজকের রেসিপিগুলো যতটাই চটজলদি ঠিক ততটাই সুস্বাদু। তাহলে বন্ধুরা আর দেরি কেন? বাইরে বৃষ্টি চলুক “সৃষ্টি সুখের উল্লাসে” আর আমরা মেতে থাকি রসনায়। 

 আজকের প্রথম রেসিপি -চটপটা ঘি-কুসুম-

প্রথমে ডিম গুলোকে সেদ্ধ করে নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে ডিম গুলোকে ছুরি দিয়ে দুটুকরো করতে হবে। দুটুকরো করার পর খুব আলতো করে কুসুম টাকে চামচ বা ছুরি সহযোগে ( দেখবেন ডিম যেন ভেঙে না যায় ) তুলে এনে তাকে চটকে নিতে হবে। এরপর কুসুমহীন দুটুকরো ডিম গুলো কে ফ্রাইন প্যানে সাদা তেল দিয়ে লাল লাল করে ভেজে নিতে হবে।

ফ্রাইন প্যানে ঘি দিয়ে তাতে একটু গুঁড়ো করা দারচিনি, এলাচ,কুঁচোনো পিঁয়াজ,এবং আগে থেকে চটকে নেওয়া কুসুম টা দিয়ে তাতে স্বাদমতো নুন,অল্প চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ নারার পর নামিয়ে এনে আগে থেকে ভেজে রাখা ডিমের ওপর দিয়ে একটু খুশি মতো ডেকরেট করে নিলেই রেডি "চটপটা ঘি-কুসুম"। 



খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে চটপটা ঘি-কুসুম,বাচ্চারা খুব খুশি হবে এইরকম টিফিন দিলে। মায়েরাও নিশ্চিন্ত, টিফিন বক্স খালি করেই আনবে স্কুল থেকে।


দ্বিতীয় রেসিপি বেবিকর্ন পকোড়া 

প্রথমে বেবিকর্ন গুলোকে ভাল করে সেদ্ধ করে নিয়ে তারপর একটা বাটিতে পরিমাণ মতো বেসন,একটু সোডা পাউডার,নুন,হলুদ এবং লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিয়ে তাতে আগে থেকে সেদ্ধ করা বেবিকর্ন গুলো দিয়ে মাখিয়ে কড়াইতে সাদা তেল দিয়ে লাল লাল করে ভাজলেই রেডি "বেবিকর্ন পকোড়া"। সান্ধ্যকালীন জলখাবারের জন্য পারফেক্ট রেসিপি।

এই বৃষ্টির দিনে এমন লোভনীয় জলখাবার,সাথে চা হোক বা কফি...বাড়ির সবার সাথে জমিয়ে আড্ডার স্বাদ বদল করতে একটি অসাধারন রেসিপি। 


দুটো জলখবারের রেসিপির পরে শ্রেষ্ঠা আমাদের জন্য আরও দুটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। একটি চিকেনের রেসিপি এবং একটি চিংড়ি মাছের রেসিপি। বৃষ্টির দিনে একটু চটপটা খাওয়া-দাওয়া না হলে ঠিক জমে কি?
চলুন এবার চলে যাই আজকের তিন নম্বর রেসিপিতে-


তৃতীয় রেসিপি-  ঘি-চিকেন রোস্ট 

প্রথমে চিকেন টাকে ধুয়ে তাতে সাদা তেল,গোলমরিচ, ঘি,নুন দিয়ে ম্যারিনেট করে ২ ঘণ্টা রাখতে হবে। 
কড়াইতে সাদা তেল এবং ঘি দিয়ে তাতে পিঁয়াজ, দারুচিনি,এলাচ,রসুন বাটা,আদা বাটা দিয়ে ভাল করে নাড়তে হবে,কসতে হবে। 
ম্যারিনেট করা চিকেন থেকে শুধু চিকেন গুলোকে তুলে নিয়ে কড়াইতে কসানো ঘি সহযোগে মশলার মধ্যে ভাল করে ভাজতে হবে।
সব শেষে ম্যারিনেট করা ঝোল টা কড়াইতে দিয়ে মাংস টাকে ভাল করে কষতে হবে সেদ্ধ না হওয়া অবধি।সেদ্ধ হয়ে গেলে তাতে মাংসের পরিমাণ মতো ঘি,গরম মশলা দিয়ে নামালেই রেডি "ঘি-চিকেন রোস্ট"।



আমরা পৌঁছে গেছি আজকের শেষ রেসিপিতে। শেষে আমরা একটি চিংড়ি মাছের রেসিপি জেনে নেবো শ্রেষ্ঠার কাছ থেকে-


শেষ রেসিপি  "গোল্ড প্রণ কারি" 

প্রথমে ফ্রাইন প্যানে চিংড়ি গুলোকে ভেজে নিতে হবে সর্ষের তেলে। 
তারপর পিঁয়াজ কুঁচি, আাদা কুঁচি,রসুন কুঁচি, টমেট্যো কুঁচি,নুন, হলুদ,তন্দুরী মশালা,গোলমরিচ গুঁড়ো, সামান্য চিনি দিয়ে ভাল করে মশলা টা কষে তারপর আগে থেকে ভেজে নেওয়া চিংড়ি টা দিয়ে এবং তাতে অল্প করে জল দিয়ে ভাল করে কষে নামালেই রেডি "গোল্ড প্রণ কারী"




ছবি এবং রেসিপি- শ্রেষ্ঠা বিশ্বাস, (বারুইপুর,২৪ পরগণা) 
বিভাগীয় মুখ্য ভারপ্রাপ্ত - জয়িতা দে সরকার, ( দুর্গাপুর,পশ্চিম বর্ধমান) 

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.