x

প্রকাশিত

অর্জন আর বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই মানুষ সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচলে।সেখানে প্রতিবাদও ভঙ্গুর।আর যথার্থ প্রতিবাদের থেকে উঠে আসে টায়ার পোড়ার গন্ধ।আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝখানে জন্মদাগও মুছে যায়।সংশোধনাগার থেকে ঠিকানার দূরত্ব ভাবেনি কেউ।ভাবেনি হাজার চুরাশির মা’র প্রয়াণ কোন কঠিন বাস্তবকে পর্যায়ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত করেছে।একটা চরিত্র কত বছর বেঁচে থাকে ?কলম যাকে চরিত্রের স্বীকৃতি দেয় তেমন পোস্টমর্টমের পড়ও আরও কয়েকযুগ বাঁচিয়ে রাখতে পারে কলমই। অভয়ারণ্যেও ঘেরাটোপ! সেই আপ্তবাক্য -

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

“মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়” – স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে – প্রকৃত সারসই তাহলে উৎকৃষ্টতর।

ভাববার সময় এসেছে। প্রতিবাদটা কোথা থেকে আসে—বোধ ?মস্তিষ্ক ?মুঠো? না বাহুবল?

ছবিতে স্পর্শ করুন

শব্দের মিছিল

অতিথি সম্পাদনায়

বিদিশা সরকার

সোমবার, জুলাই ৩১, ২০১৭

পৃথা রায় চৌধুরী

sobdermichil | জুলাই ৩১, ২০১৭ | | মাত্র সময় লাগবে লেখাটি পড়তে।
ফটিক জল... ফটিক জল... /
সেই এক জোছনাবাড়ি দেখে তুমি ঢুকে পড়লে। ফালি ফালি চাঁদ ঘুরছে ফিরছে আর তুমি লুকিয়ে রাখছো তোমার শয়তান উপাসনার গাথা। তুমি বলছো না ভুলেও, তোমার নরকে অলক্ষ্মী স্তুতির উপাখ্যান। মহালক্ষী দূর হটো! বীজমন্ত্র জড়িয়ে আনছো তোমার এঁটো মুখে, শরীরে, এমনকি যৌনাঙ্গে। প্রতিবার পুণ্যের সাথে সঙ্গমে চাঁদফালি মাকে ভরে দিতে চেয়েছো পাপে, অজান্তে তোমার নরকে প্রবেশ করিয়েছো পুণ্যের অঙ্গার।

যারা গণিকা, তুমি চরম ঘৃণা উগরেছো তাদের প্রতি... নিজের কামবিকৃতি লুকিয়ে। গণিকাদের পুত্রেরা শুধুই পুত্র হয় শুনেছি, তুমি পুত্র হয়েও চরম বিকৃতিতে সম্ভোগে লিপ্ত হয়েছো গর্ভধারিণীর সাথে... কখনো একই শয্যায় সঙ্গিনী তোমার সাত পাকের বন্ধন। বিশ্বাস করেনি ফালিচাঁদ মা, বিশ্বাস করো, বিশ্বাস করেনি এভাবে শক্তি সঞ্চয় করো শয়তান বংশ! অপেক্ষার চার মাস, অপেক্ষার চল্লিশ দিন, অপেক্ষার চার বছর... এ হলো চতুর্থ জন্ম! প্রতিবার তোমাদের রক্তে মাখামাখি করে চীৎকার ছাড়ে জান্তব, এক শান্ত খরস্রোতা প্রেমিকাচাঁদ।

ফালিচাঁদ, ফালিচাঁদ, তোর জোছনাফোঁটা কই? লুকিয়ে রাখ, বাঁচিয়ে রাখ... শয়তান বংশ একে একে শেল হানছে তোর আকাশ খালি করে দিতে। এপারের তন্ত্র নাবিক দিশাহারা... এপারের প্রদীপ পুতুল ঘট সিঁদুর, বারেবারে বুঝিয়ে দেয় আঘাত কোরো না। এপারের তেজ বুঝিয়ে দেয় রাজটীকা ফিরে আসে জন্ম জন্মান্তরে। ওই যে দূরে বয়ে যায় বেনারসি গঙ্গা, সেখানে অন্ধকার গুরুদেব বসে বলে চলে সাবধান বাণী... এ তো সামান্য চাঁদ না, এ তো শক্তি যোনি, রজঃস্বলা অম্বুবাচী।

খড়গহস্ত কোলে সন্তান নিয়ে বসে থাকে কলঙ্কিত শক্তি। একে একে চেটে নিতে থাকে বীজমন্ত্রের যতো আক্রমণ। শুষে নেয় সমস্ত তীর, রাক্ষুসে কালসর্প জনিত সমস্ত বিষ। অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে প্রতিবার, তোমার ঘটতে থাকা শৈথিল্য দেখে। হাহা হেসে নিঃশব্দে বলে, “দেখ, একে একে কেড়ে নেবো অহমিকা যতো”। আর তুমি, নিষ্ফল আক্রোশে জাগাতে চাও তোমার শয়তানী পৌরুষ!

তোমায় জন্ম দিয়েছে যে পাপধারিণী, তার যোনিপথ ভরে যাচ্ছে ধ্বংসকীটে। এরপর শুকিয়ে যাচ্ছে তোমার নামের রক্তফুল, ক্ষরণ হচ্ছে কালো রক্ত। চীৎকার করছে কামাখ্যার সন্ততি... “ক্ষমা ভিক্ষা চেয়ে দেখ, ক্ষমা শব্দের মানে জানি না, ক্ষমা নেই... চারের গেরোর সমস্ত প্রতারণার দায়ে, বীজমন্ত্র, তুই ধ্বংসোন্মুখ!”

Comments
0 Comments
 

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Support : FACEBOOK PAGE.

সার্বিক অলঙ্করণে : প্রিয়দীপ ,আহ্বায়ক : দেবজিত সাহা

Website Published and © by sobdermichil.com

Proudly Hosting by google

Blogger দ্বারা পরিচালিত.